Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৮ জুলাই ২০২৬
Abhishek Banerjee

‘ডায়মন্ড মডেলে’ রাতারাতি জতুগৃহ বেকারি! গজাল অভিষেকের ‘প্রাসাদ’, আমতলার ঝুলিতে লুকিয়ে বহু বিড়াল

শনিবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমতলার পার্টি অফিসটি বুলডোজারে গুঁড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

Advertisement
সুরজিৎ দেব
সুরজিৎ দেব

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১৫:২৭

link
সুরজিৎ দেব
সুরজিৎ দেব

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২৬, ১৫:২৭

options
link
‘ডায়মন্ড মডেলে’ রাতারাতি জতুগৃহ বেকারি! গজাল অভিষেকের ‘প্রাসাদ’, আমতলার ঝুলিতে লুকিয়ে বহু বিড়াল zoom

প্রাসাদসম পাঁচতলা পার্টি অফিস। অথচ পুরোটাই বেআইনিভাবে তৈরি। শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় তৃণমূলের পার্টি অফিসে বুলডোজার অ্যাকশনের পর শিরোনামে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই রাজনৈতিক কার্যালয়টি। কেন হঠাৎ কার্যালয়টি এভাবে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হল? সেই তথ্যতালাশ করতে গিয়েই উঠে এল বিস্ফোরক বেশ কিছু তথ্য। ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা তথা গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেকের প্রতিপক্ষ অভিজিৎ দাস ওরফে ববি স্পষ্ট জানালেন, ‘‘অবৈধ সাংসদের অবৈধ কার্যালয়। রাতারাতি বেকারি পুড়িয়ে এই বিল্ডিং তৈরি হয়েছে, যার কোনও অনুমোদন নেওয়া হয়নি।” একই কথা বললেন এলাকার দীর্ঘদিনের স্থানীয় বাসিন্দারা।

ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের (ববি) অভিযোগ, একটা বেকারি রাতারাতি পুড়িয়ে তৈরি হয়েছিল এই অবৈধ পার্টি অফিস। সাংগঠনিক জেলার নেতা সুফল ঘাঁটু জানান, ‘‘ওখানে একটা বেকারি ছিল। তার মালিক ছিলেন মতিউর রহমান নামে একজন। ২৫-৩০ জন কর্মী ছিলেন। আমরা ছোটবেলায় ওই বেকারি থেকে পাঁউরুটি কিনে খেতাম। কিন্তু একদিন রাতে দেখলাম, বেকারিতে আগুন ধরে পুড়ে গেল। তখন ভেবেছিলাম, দুর্ঘটনা। কিন্তু এখন তো বুঝতে পারছি, ওখানে ইচ্ছে করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল।”

২০১৪ সাল থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। কলকাতা ও জেলায় তথা নিজের সংসদীয় ক্ষেত্রে কাজের সুবিধার জন্য শহরের অদূরে আমতলায় নিজের একটি কার্যালয় তৈরি করেন তিনি। আমতলায় সেই পার্টি অফিস তৈরি হয়। ডায়মন্ড হারবারে যখনই অভিষেক যেতেন, এই আমতলার পার্টি অফিস ছুঁয়ে যেতেন। কিন্তু এই পাঁচতলা কার্যালয়ের ঝুলিতে কত যে বিড়াল লুকিয়ে, তা কে-ই বা জানত? ছাব্বিশে রাজ্যে পালাবদলের পর সেসব বিড়াল বেরিয়ে পড়ল। জানা যাচ্ছে, ওই পার্টি অফিসটি বেআইনিভাবে নির্মিত, এই অভিযোগ পেয়ে তৎপর হয় জেলা প্রশাসন। চলতি মাসে দু’বার অভিষেকের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। কারণ, ওই জমি ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্স’-এর নামে। যার মালিক বকলমে অভিষেকের বাবাই। কিন্তু নোটিসে সাড়া দেননি অমিতবাবু বা অভিষেক – কেউই। তাই শনিবার বুলডোজারে ভেঙে দেওয়া হল সেই পার্টি অফিস।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আমতলায় অভিষেকের পাঁচতলা পার্টি অফিস ভাঙা হল বুলডোজারে

কিন্তু কী অর্থে বেআইনি এই কার্যালয়টি? ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাসের (ববি) অভিযোগ, একটা বেকারি রাতারাতি পুড়িয়ে তৈরি হয়েছিল এই অবৈধ পার্টি অফিস। সাংগঠনিক জেলার নেতা সুফল ঘাঁটু জানান, ‘‘ওখানে একটা বেকারি ছিল। তার মালিক ছিলেন মতিউর রহমান নামে একজন। ২৫-৩০ জন কর্মী ছিলেন। আমরা ছোটবেলায় ওই বেকারি থেকে পাঁউরুটি কিনে খেতাম। কিন্তু একদিন রাতে দেখলাম, বেকারিতে আগুন ধরে পুড়ে গেল। তখন ভেবেছিলাম, দুর্ঘটনা। কিন্তু এখন তো বুঝতে পারছি, ওখানে ইচ্ছে করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল।” আরও জানা গেল, এই ঘটনা ঘটেছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমবার সাংসদ হওয়ার পর অর্থাৎ ২০১৪ সালে ভোটে জেতার কয়েকমাস পর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.