BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

মাত্র ১০ টাকা কেজি দরে বাজারে আসছে ‘দশেরি আম’

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 10, 2016 10:08 am|    Updated: June 10, 2016 10:08 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এই গরমে ছন্দে, গীতিতে না হলেও বর্ণে, গন্ধে, স্বাদে প্রেমের বিন্দু বলতেই প্রথমেই মনে পড়ে আমের কথা৷ অমৃতফল৷ বিশ্বসেরা সেই দশেরি আম এবার বাজারে আসছে, তাও অবিশ্বাস্য কম দামে৷ উত্তরপ্রদেশ এবার পুরাণের বলি রাজার ভূমিকায়৷ বলি যেমন তাঁর দানশীলতার জন্য বিখ্যাত ছিলেন সর্বত্র, তেমনই আমজনতার রসনা তৃপ্তির জন্য অঢেল পরিমাণে দশেরি আম সরবরাহ করবে উত্তরপ্রদেশ সরকার৷ প্রায় ৪৭ লক্ষ টন আমের ফলন হয়েছে এ রাজ্যে৷ বর্ষা নামলে আমের ফলন আরও বাড়বে বলেই আশা কৃষিবিজ্ঞানীদের৷ প্রতি কিলোগ্রাম ২৫ টাকা থেকে ৪০ টাকায় বাজারে আসছে সুস্বাদু দশেরি আম৷ এমনকী প্রতি কিলোগ্রাম ১০ টাকায়ও মিলতে পারে সঠিক সময়ে বর্ষা রাজ্যে প্রবেশ করলে৷
কবির বর্ণনায় সেই ‘মঞ্জরী গো মঞ্জরী, আমের মঞ্জরী’ কবে ফলে পরিণত হবে তার অপেক্ষাতেই থাকে এদেশের নাগরিকরা৷ আম খেতে ভালবাসেন না, এমন লোক মেলা দুষ্কর৷ ঝড়বৃষ্টি, দুর্যোগ পেরিয়েও এবার উত্তরপ্রদেশের বিশ্ববিখ্যাত সেই দশেরি আমই প্রায় ৪৬-৪৭ লক্ষ টন ফলেছে৷ ম্যাঙ্গো গ্রোয়ারস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেণ্ট ইনসরাম আলি বলেন, “অসময়ের বৃষ্টিতে ক্ষতি হলেও গত বছরও গ্রীষ্মের শুরুতে প্রায় ৪০-৪২ লক্ষ টন আমের ফলন হয়েছিল৷ এ বছর ফলন আরও বেশি ভাল৷”
আলি বলেন, আমের দামও সাধ্যের মধ্যেই থাকবে, তবে আকারে হয়তো অন্য বছরের তুলনায় একটু ছোট হবে দশেরি আম৷ বর্ষা ভাল মতো চলে এলে আমের দাম কমে প্রতি কিলোগ্রামে ১০ টাকায় নেমে আসতে পারে বলে জানান তিনি৷ মলিলহাবাদের অন্যতম সুস্বাদু দশেরি আমের ‘সেল্ফ লাইফ’ খুব একটা বেশি নয়৷ অর্থাত্‍ বেশিদিন রেফ্রিজারেটরে রেখে একে খাওয়ার আশা করা ভুল৷ ফলে বর্ষায় এই আমের দর কমে যায়৷ যদিও স্বাদে গন্ধে একইরকম অতুলনীয় থাকে৷ মুম্বই ও দিল্লিতে দশেরি আম সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়৷ এছাড়াও উপসাগরীয় এলাকার দেশগুলিতে ও অন্যান্য দক্ষিণ-এশিয়ার দেশগুলিতে এই আম রফতানি করা হয়৷ লখনউ, মলিলহাবাদ, বক্সি-কা-তালাব, সাহারানপুর, সম্ভল, অমরোহা, মুজফফরনগর এই জায়গাগুলি ম্যাঙ্গো-বেল্ট বলে পরিচিত৷ দশেরি ছাড়াও উত্তরপ্রদেশের ল্যাংড়া, চোষা, আম্রপালী, মল্লিকা এই জাতের আমগুলিও বাজারে মিলবে সহজে৷
লখনউয়ের বেল্টটি প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর এলাকাজুড়ে অবস্থিত৷ বিশ্বের ৭৫ শতাংশ দশেরি আম এই এলাকায় উৎপাদন হয়৷ আম রফতানির ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের সাহায্য খুব কমই পাওয়া যায়, এমন অভিযোগও রয়েছে৷ রাজ্য সরকার প্রতি কিলোগ্রামে ২৬ টাকা ভরতুকি দিচ্ছে৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement