Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

‘মারামারি করলে ফার্স্ট হব’,সেরে উঠে নয়া চেহারায় বীরভূমে ফিরেই হুঙ্কার অনুব্রতর

দীর্ঘদিন পর প্রিয় নেতাকে কাছে পেয়ে স্ববাবতই খুশি বীরভূমের তৃণমূল নেতা-কর্মীরা৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৩, ১৮:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০২৩, ১৮:৩০

options
link
‘মারামারি করলে ফার্স্ট হব’,সেরে উঠে নয়া চেহারায় বীরভূমে ফিরেই হুঙ্কার অনুব্রতর zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২১শে জুলাইয়ের মঞ্চে ছিলেন না৷ বিতর্কিত মন্তব্যে দীর্ঘদিন ধরে খবরের শিরোনাম হতেও দেখা যায়নি তাঁকে৷ লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকে কার্যত বেপাত্তা হয়ে গিয়েছিলেন৷ কিন্তু অবশেষে ফিরলেন তিনি৷ এবং একদম নয়া লুকে বীরভূমের লালমাটিতে পুনরাবির্ভাব ঘটল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের৷ মেদ অনেকটাই ঝড়িয়ে ফেলেছেন৷ সুরও খানিকটা নরম৷ তবে মেজাজটা এখনও আগেরই মতো রয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর প্রিয় কেষ্টর৷

[ আরও পড়ুন: ‘জেঠুর স্বপ্ন সত্যি করলেন মোদি’,৩৭০ বিলুপ্তিতে প্রতিক্রিয়া শ্যামাপ্রসাদের ভাইপোর ]

Advertisement

জানা গিয়েছে, চিকিৎসা করিয়ে প্রায় ৩৪ দিন পর কলকাতা থেকে বীরভূমে ফিরেছেন অনুব্রত মণ্ডল৷ রবিবার  একদম নয়া লুকে বোলপুরের দলীয় অফিসে ঢোকেন তিনি৷ যে পাঞ্জাবি-পাজামা তাঁর ট্রেডমার্ক পোশাক ছিল, এদিন তাও দেখা যায়নি বীরভূমের এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতার গায়ে৷ বরং তাঁর পরনে ছিল আকাশি রঙের জামা, কালো প্যান্ট। শরীর কেমন? প্রশ্নের উত্তরে একগাল হেসে তিনি জানান, ‘‘শরীরের অবস্থা খুব ভাল। কারও সঙ্গে মারামারি করতে হলে ফার্স্ট হব। সকলের শুভেচ্ছায় ৩৪ দিন পর বোলপুর পার্টি অফিসে এলাম। বেশ ভালো লাগছে’’৷ এখানেই শেষ নয়, জোরকদমে দলের কাজে নামতে যে তিনি মুখিয়ে রয়েছেন, তাও জানান অনুব্রত৷ বলেন, ‘‘খুব তাড়াতাড়ি দলের কাজে নামব। দলের কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করব। সবার সঙ্গে কথা বলব।’’

[ আরও পড়ুন: সংসার পরিত্যক্ত হয়ে অর্ধোন্মাদ দশা, খিদের জ্বালায় পথে অসহায় বৃদ্ধা ]

উল্লেখ্য, গুরুতর অসুস্থ হয়ে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরই হাসপাতালে ভরতি হন অনুব্রত মণ্ডল৷ কার্বংকাল ধরা পড়ে তাঁর৷ রক্তে শর্করার পরিমাণও বেড়ে যায়৷ এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে ভরতি হন তিনি৷ চিকিৎসক দীপ্তেন্দ্রকুমার সরকারের নেতৃত্বে একটি মেডিক্যাল টিম গঠিত হয়৷ চিকিৎসকরা জানান, উচ্চ রক্তচাপ এবং সুগারের জন্য কার্বংকালের নিরাময়েও অসুবিধা হচ্ছিল তাঁরা৷ তৃণমূল নেতার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠেন দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা৷ প্রত্যেকদিনই হাসপাতালে ভিড় জমান তাঁরা৷ কিন্তু অবশেষে সমস্যার কাটিয়ে বীরভূমে ফিরলেন অনুব্রত৷ আর নেতার আগমনে স্বভাবতই খুশি জেলার তৃণমূল শিবির৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.