Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Fake passport

ভুয়ো পাসপোর্ট মামলা: দিনভর তল্লাশি ইডির, গভীর রাতে বিরাটিতে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি ‘এজেন্ট’

এর আগে নদিয়ার গেদে থেকে ধৃত ব্যক্তি তাঁর হয়ে কাজ করতেন বলে অভিযোগ ইডির।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৫, ১১:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০২৫, ১১:০৬

options
link
ভুয়ো পাসপোর্ট মামলা: দিনভর তল্লাশি ইডির, গভীর রাতে বিরাটিতে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি ‘এজেন্ট’ zoom
ফাইল ছবি।

অর্ণব আইচ: ভুয়ো পাসপোর্ট মামলায় মঙ্গলবার দিনভর রাজ্যজুড়ে তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। গভীর রাতে ইডির জালে ধরা পড়লেন বিরাটির এক ‘এজেন্ট’। ইডি সূত্রে খবর, বিরাটি থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে আজাদ মল্লিক নামে এক ব্যক্তি। এছাড়া মঙ্গলবার নদিয়ার গেদে থেকে অলোক নাথ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে ইডি। ভুয়ো পাসপোর্ট তৈরির কাজে তিনি আজাদের সহযোগী বলে প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে। দু’জনকে জেরা করে বিশদে সমস্ত তথ্য জানতে চায় তদন্তকারী সংস্থা। সেই কারণে তাদের নিজেদের হেফাজতে চেয়ে বুধবার আদালতের আবেদন জানাতে পারেন তদন্তকারীরা।

ইডি সূত্রে প্রাথমিকভাবে খবর, বিরাটি বাঁকড়া এলাকার বাসিন্দা আজাদ মল্লিক বাংলাদেশি। ২০২২ সালে ফরেনার্স অ্যাক্টে একবার পুলিশের জালে ধরা পড়েছিলেন। পরে জামিন পেয়ে যান। আজাদ নিজে জাল পাসপোর্ট তৈরি করে সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে এসেছিলেন বলে অভিযোগ। আর এই চক্রের খুঁটিনাটি সম্পর্কে সমস্ত তথ্য তাঁর হাতের মুঠোয়। সেই ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে ভুয়ো পাসপোর্ট বানাতেন। গেদে থেকে ধৃত অলোক নাথ তাঁকে এই কাজে সাহায্য করতেন বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা।

Advertisement
ED arrests kingpin of fake passport from Nadia
গেদে থেকে ইডির হাতে গ্রেপ্তার অলোক নাথ। নিজস্ব চিত্র।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, আজাদ মল্লিকের বাংলাদেশে যাতায়াত ছিল। মঙ্গলবার যখন ইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যান, তার আগেই আজাদ বাংলাদেশ থেকে ফিরেছিলেন। তাঁর কাছ থেকে কোনও সূত্র মিলতে পারে, এই অনুমানে ইডি বিরাটি পৌঁছয়। গভীর রাতে গ্রেপ্তার করা হয় আজাদকে। তার আগে অবশ্য গেদের অলোক নাথকে গ্রেপ্তার করে আজাদ সম্পর্কে বেশ কিছু তথ্য হাতে পান তদন্তকারীরা। জানা যায়, অলোকও একাধিকবার জেলে গিয়েছিলেন। ভুয়ো পাসপোর্ট তৈরির এই চক্রে অলোক মূলত কাজ করতে আজাদের নির্দেশ মেনে। এই চক্রে আরও অনেকেই জড়িত বলে অলোক ইডিকে জানায়। তাতে আজাদের গ্রেপ্তারির বিষয়টি আরও সহজ হয়ে যায়। এদের হেফাজতে নিয়ে জেরায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা চক্রের অন্যান্য সদস্যদের হদিশ পেতে চাইছে। তবে আজাদ-অলোকের গ্রেপ্তারিতে তদন্তকারীরা প্রায় নিশ্চিত, ভারতে বাংলাদেশিদের আনাগোনা যথেষ্ট সন্দেহজনক এবং বিপজ্জনক হয়ে উঠছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.