Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৩ জুলাই ২০২৬
উপনির্বাচন

সোমবার রাজ্যের ৩ কেন্দ্রে উপনির্বাচন, তৃণমূল-বিজেপির লড়াইয়ে কাঁটা বাম-কং জোট

কোন আসনে কে এগিয়ে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০১৯, ১৭:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০১৯, ১৭:০৭

options
link
সোমবার রাজ্যের ৩ কেন্দ্রে উপনির্বাচন, তৃণমূল-বিজেপির লড়াইয়ে কাঁটা বাম-কং জোট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার রাজ্যের তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচন। নজর রয়েছে গোটা রাজ্যের। সমকালীন রাজনীতিতে এই উপনির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লোকসভা নির্বাচনে দুর্দান্ত ফলাফলের পর বিজেপির হাওয়া কতটা বজায় আছে? তৃণমূল কতটা কামব্যাক করতে পেরেছে? জোট করে কতটা প্রভাব ফেলতে পারল বাম-কংগ্রেস? যাবতীয় প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় গোটা রাজ্য। তাছাড়া আগামী বছর পুর নির্বাচনের আগে এই উপনির্বাচনের ফলাফলও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এখন প্রশ্ন হল কাদের ভাগ্যে শিঁকে ছিঁড়বে? কারা জিতবে আসনগুলি? কী বলছে তিন কেন্দ্রের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি?


কালিয়াগঞ্জ: কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। মাঝে কয়েকবার বামফ্রন্ট জিতলেও তৃণমূল বা বিজেপি কোনও দলই এখনও এই বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনে একবারও জেতেনি। ২০১৬ সালে এই কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জয়ী হন বাম-কংগ্রেস জোটপ্রার্থী প্রমথনাথ রায়। কিন্তু, বাম-কংগ্রেসের স্বর্ণযুগ এখন অতীত। গত লোকসভা নির্বাচনে এই কালিয়াগঞ্জ কেন্দ্রে প্রথম স্থান অধিকার করে বিজেপি। অনেকটা পিছিয়ে দ্বিতীয় স্থানে তৃণমূল। শাসকদলের প্রার্থীর থেকে ৫৭ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থী। তৃতীয় ও চতুর্থস্থানে ছিলেন বাম ও কংগ্রেস প্রার্থী। কিন্তু, লোকসভার পর বিজেপির সেই হাওয়া স্তিমিত। তাছাড়া, এনআরসির আতঙ্কও কিছুটা গ্রাস করেছে বাংলাকে। তাই এবারে আশায় বুক বাঁধছেন তৃণমূল প্রার্থী তপন দেব সিংহ। অন্যদিকে, এই এলাকার অধিকাংশ পঞ্চায়েত ও পুরসভা বিজেপির দখলে। তাই গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী কমলচন্দ্র সরকার কিছুটা এগিয়ে থেকেই শুরু করছেন। অন্যদিকে, প্রয়াত বিধায়ক প্রমথ রায়ের মেয়ে ধীতশ্রী রায়কে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। বাম সমর্থিত এই প্রার্থীর মূল ভরসা বাবার ইমেজ। বিজেপি-তৃণমূলের লড়াইয়ে কংগ্রেস প্রার্থী কতটা ভোট টানতে পারেন তা বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। ধীতশ্রী রায় কতটা সংখ্যালঘু ভোট টানতে পারেন, তার উপরও ভর করে আছে বিজেপি।
এই কেন্দ্রের উপনির্বাচনের প্রচারে নজর কেড়েছে তৃণমূল-বিজেপি-কংগ্রেস তিন শিবিরই। তৃণমূলের তরফে শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে অভিনেতা সাংসদ দেব পর্যন্ত প্রচার করেছেন। বিজেপির তরফে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব, সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরি-সহ রাজ্য নেতৃত্ব প্রচার করেছে। বাম-কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বও প্রচারে ছিল। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই কেন্দ্রে কিছুটা হলেও পাল্লা ভারী বিজেপির।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘নিঃসঙ্গ’ অজিত পওয়ার, একে একে এনসিপিতে ফিরলেন ৫২ বিধায়ক!]


করিমপুর: একসময় বামেদের শক্ত ঘাঁটি ছিল করিমপুর। ২০১৬ সালে প্রথমবার এই কেন্দ্রে জয়ী হন তৃণমূল প্রার্থী মহুয়া মৈত্র। এলাকায় মহুয়া বেশ জনপ্রিয়। তাঁর জনপ্রিয়তাতে ভর করেই নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে চাইছেন শাসকদলের প্রার্থী বিমলেন্দু সিংহরায়। অন্যদিকে, সদ্য গজিয়ে ওঠা সংগঠনের জোরে বাজিমাত করতে চাইছেন বিজেপি প্রার্থী তথা রাজ্যের সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। অন্যদিকে, সিপিএম ভরসা রাখছে তরুণ আইনজীবী গোলাম রাব্বির উপর।
এই কেন্দ্রের নির্বাচনের অন্যতম ফ্যাক্টর সংখ্যালঘু ভোট। মূলত সংখ্যালঘু ভোটই রাজ্যের শাসকদলকে এগিয়ে রাখছে। তবে, এক্ষেত্রে নজর রাখতে হবে গোলাম রাব্বির দিকে। সংখ্যালঘু প্রার্থী হওয়ায় রাব্বি কিছুটা ভোট কাটতে পারেন। আর সেদিকেই তাকিয়ে বিজেপি। লোকসভার নিরিখে এই কেন্দ্রে তৃণমূল ১৪ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিল। শাসকদলের দাবি, তাঁরাই এই কেন্দ্রে জিতবেন।

[আরও পড়ুন: ‘ব্যক্তিগত কাজে’ শরদ পওয়ারের সঙ্গে সাক্ষাৎ বিজেপি সাংসদের, জোর জল্পনা মহারাষ্ট্রে]

খড়গপুর: আরও একটি কেন্দ্র যেখানে কখনও জেতেনি তৃণমূল। এই কেন্দ্রে ৯ বার বিধায়ক ছিলেন কংগ্রেসের জ্ঞানসিং সোহনপাল। ২০১৬ সালে এই কেন্দ্রে জিতে চমকে দেন দিলীপ ঘোষ। এবারে দিলীপ ঘোষের ক্যারিশ্মাতে ভরসা রাখছেন বিজেপি প্রার্থী প্রেমচাঁদ ঝাঁ। অন্যদিকে, ‘চাচা’র আবেগে বাজিমাত করতে চাইছে কংগ্রেস। আবার তৃণমূলও বলছে, চাচা নমস্য ব্যক্তি। তাঁর অসম্পূর্ণ কাজ তৃণমূলই করতে পারে বলে দাবি শাসকদলের প্রার্থী প্রদীপ সরকারের। অন্যদিকে, লোকসভায় এই কেন্দ্রে ৪৭ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকলেও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জেরবার বিজেপি। আবার কংগ্রেস প্রার্থী তথা খড়গপুরের জনপ্রিয় মাস্টারমশায় চিত্তরঞ্জন মণ্ডলকেও লড়াই থেকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে বেশ কঠিন পরিস্থিতি খড়গপুরের। লোকসভার লিড ধরে রাখাটা এখন রীতিমতো চ্যালেঞ্জ দিলীপ ঘোষের জন্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.