Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Krishnanagar

হাসপাতাল থেকে সদ্যোজাত চুরি! ‘গর্ভে কোনও সন্তানই ছিল না’, চিকিৎসকের দাবিতে হইচই

সদ্যোজাত চুরির অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল জেলা সদর হাসপাতালে। এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই তরুণীর গর্ভে কোনও সন্তানই ছিল না! চিকিৎসকের দাবি, এই ঘটনা আসলে ‘ফ্যান্টম প্রেগন্যান্সি'।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১২:৫২

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ১২:৫২

options
link
হাসপাতাল থেকে সদ্যোজাত চুরি! ‘গর্ভে কোনও সন্তানই ছিল না’, চিকিৎসকের দাবিতে হইচই zoom

সদ্যোজাত চুরির অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল জেলা সদর হাসপাতালে। এদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই তরুণীর গর্ভে কোনও সন্তানই ছিল না! চিকিৎসকের দাবি, এই ঘটনা আসলে ‘ফ্যান্টম প্রেগন্যান্সি’। ঘটনাটি ঘটেছে, নদিয়ার কৃষ্ণনগরের (Krishnanagar) জেলা সদর হাসপাতালে। ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য, উত্তেজনা ছড়ায় হাসপাতাল চত্বরে। বিক্ষোভ দেখানো হয় হাসপাতাল চত্বরে। পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে খবর।

কিন্তু ঘটনাটি কী? নবদ্বীপ ব্লকের চরকাষ্ঠশালীর বাসিন্দা মাম্পি খাতুন। তিনি গর্ভবর্তী ছিলেন বলে পরিবার সূত্রে খবর। তাঁর চিকিৎসাও চলছিল বলে খবর। প্রসব বেদনা নিয়ে তিনি বুধবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু পরে জানা যায়, তিনি সন্তানসম্ভবা ছিলেন না! তাই নিয়েই শুরু হয় তুমুল বিবাদ। সদ্যোজাত চুরির অভিযোগে উত্তেজনা জেলা সদর হাসপাতালে, চিকিৎসকের দাবি ‘ফ্যান্টম প্রেগন্যান্সি। অভিযোগ ১০ মাস ধরে গর্ভবতী থাকার পর প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে বুধবার কৃষ্ণনগরের (Krishnanagar) জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন নবদ্বীপ ব্লকের চরকাষ্ঠশালীর বাসিন্দা মাম্পি খাতুন।

Advertisement

পরিবারের দাবি, প্রসবের পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, তাঁর গর্ভে কোনও সন্তান ছিল না! সদ্যজাতকে চুরির অভিযোগ তুলে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন প্রসূতির পরিবারের লোকজন। প্রসূতির বাবা সাহার শেখ জানান, প্রায় ১০ মাস ধরে গর্ভবতী ছিলেন মাম্পি খাতুন। নিয়মিত তিনি জেলা সদর হাসপাতালের বহির্বিভাগে স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ২৮ জানুয়ারি তাঁর প্রসবের সম্ভাব্য দিন ধার্য ছিল। প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে বুধবার সকালেই তাঁকে কৃষ্ণনগর জেলা সদর হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ভর্তি করানো হয় মাম্পিকে। তাঁর কথায়, “দুপুরে মেয়ের সন্তান প্রসব হয়। এখনও পর্যন্ত সেই সন্তানের কোনও খোঁজ পাচ্ছি না।”

যদিও কর্তব্যরত চিকিৎসক ভবতোষ ভৌমিকের দাবি, ওই যুবতী আদৌ গর্ভবতী ছিলেন না। চিকিৎসকদের মতে, তিনি মানসিকভাবে নিজেকে গর্ভবতী বলে মনে করছিলেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই অবস্থাকে বলা হয় ‘ফ্যান্টম প্রেগন্যান্সি’। প্রসূতির আত্মীয় শরিফুল শেখের অভিযোগ, দুপুর নাগাদ মাম্পি সন্তান প্রসব করেন। কিন্তু পরে পরিবারের লোকজনকে জানানো হয়, তাঁর গর্ভে আদৌ কোনও সন্তানই ছিলই না। এই কথায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন পরিবারের সদস্যরা। সদ্যোজাতকে দেখতে দেওয়ার দাবি জানাতে থাকেন তাঁরা। তাঁদের আরও অভিযোগ, সন্তানকে চুরি করা হয়েছে। এই দাবি তুলে হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ দেখানো হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কোতোয়ালি থানার পুলিশ। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিশ ঘটনার উপর নজর রাখছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.