Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬

জল জীবন মিশন প্রকল্পে সাড়ে ১৪ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ, চাঞ্চল্য দার্জিলিংয়ে

দার্জিলিং পাহাড়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘হর ঘর জল’ (জল জীবন মিশন) প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ! এই বিষয়ে সরব হয়েছেন ইন্ডিয়ান গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্টের প্রধান অজয় এডওয়ার্ড। তিনি প্রকল্পগুলোর নিরপেক্ষ কারিগরি ও আর্থিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ২১:২৮

link
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ২১:২৮

options
link
জল জীবন মিশন প্রকল্পে সাড়ে ১৪ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ, চাঞ্চল্য দার্জিলিংয়ে zoom
জল জীবন মিশন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ।
Advertisement

দার্জিলিং পাহাড়ে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘হর ঘর জল’ (জল জীবন মিশন) প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় সাড়ে ১৪ কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ! এই বিষয়ে সরব হয়েছেন ইন্ডিয়ান গোর্খা জনশক্তি ফ্রন্টের প্রধান অজয় এডওয়ার্ড। তিনি প্রকল্পগুলোর নিরপেক্ষ কারিগরি ও আর্থিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এডওয়ার্ড বলেন, “দার্জিলিং, কার্শিয়াং ও মিরিক পরিদর্শনের সময় তাঁর দল এমন বেশ কিছু জল সরবরাহ প্রকল্প দেখতে পেয়েছে, যেখানে জলের কল শুকনো। ওভারহেড ট্যাঙ্ক খালি। পাইপলাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং পরিকাঠামোর কাজ অসম্পূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।” এরপরই তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, এই অচল প্রকল্পগুলোর জন্য ‘পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ’-এর কাজের আদেশ (ওয়ার্ক অর্ডার) জারি করা হয়েছে। সেটা কেমন করে সম্ভব?

তিনি নথি দেখিয়ে জানান, প্রায় ১৪.৪২ কোটি টাকার চারটি প্রকল্পের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত কাজের আদেশ জারি করা হয়। নথিতে এক ঠিকাদারের নাম পাওয়া গিয়েছে। তার দাবি, হিসাবের তালিকা অনুযায়ী মোট ৪৫৭ জন কর্মী নিয়োগের কথা ছিল। যার মধ্যে দার্জিলিংয়ে ২০৭ জন এবং কার্শিয়াং ও মিরিকে ২৫০ জন। এজন্য প্রায় ৯.৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। এডওয়ার্ডস প্রশাসনের কাছে জানতে চেয়েছেন, ওই ৪৫৭ জন টেকনিশিয়ান ও কর্মীকে আদৌ নিয়োগ করা হয়েছিল কি? করা হয়ে থাকলে তাঁদের কোথায় মোতায়েন করা হয়? নিয়োগপত্র, হাজিরা খাতা, বেতনের নথি, ইপিএফ এবং ইএসআই-এর মতো বিষয়গুলোর হিসাব রাখা হয়েছিল কি?

Advertisement

তিনি বলেন, “প্রকল্পগুলোর কাজ যদি অসম্পূর্ণ থেকে থাকে, তবে কীসের ভিত্তিতে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে!” তিনি আরও বলেন, “কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সরাসরি বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অর্থাৎ জিটিএ-র ভূমিকা নাও থাকতে পারে। কিন্তু যে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে সেটার ব্যাপকতা বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীজনদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।” এখানেই শেষ নয়। তাঁর দাবি, অসম্পূর্ণ প্রকল্পগুলোর কাজ শেষ হয়েছে বলে পঞ্চায়েত বোর্ডগুলো যদি শংসাপত্র দিয়ে থাকে, তবে তাঁদেরও কৈফিয়ত তলব করা উচিত। এডওয়ার্ডের মতে, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বাবদ পরবর্তী অর্থ প্রদানের আগে প্রতিটি জল সরবরাহ প্রকল্পের সরেজমিনে যাচাই, বাড়ি বাড়ি গিয়ে জল সরবরাহের বিষয়টি নিশ্চিতকরণ, নিয়োগ ও পারিশ্রমিক প্রদানের নথিপত্র প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.