Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Khardah

বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে গিয়ে খড়দহে অস্বাভাবিক মৃত্যু যুবকের, বিষ খাইয়ে খুন? ঘনাচ্ছে রহস্য

তদন্ত শুরু করেছে রহড়া থানা ও নীলগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২৫, ১৩:৫৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২, ২০২৫, ১৩:৫৪

options
link
বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতে গিয়ে খড়দহে অস্বাভাবিক মৃত্যু যুবকের, বিষ খাইয়ে খুন? ঘনাচ্ছে রহস্য zoom
উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে চলছে বিক্ষোভ। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

অর্ণব দাস, বারাকপুর: সন্ধ্যাবেলা বাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়েছিলেন এক যুবক। পরে তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যু হল। বন্ধুরা তাঁকে ‘খুন’ করেছে বলে বাড়ির লোকের অভিযোগ। এই রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ-রহড়া এলাকায়। মৃতের নাম শেখ সমীর আলি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। দুই বন্ধুর খোঁজ চলছে বলেও খবর।

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যাবেলা বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন শেখ সমীর আলি। রাত হয়ে গেলেও তিনি বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের তরফে সমীরের ফোনে করা হয়েছিল। নীলগঞ্জ থানার পুলিশ তাঁর পরিবারের সদস্যদের জানায়, সমীরের পথ দুর্ঘটনা হয়েছে। তাঁকে বারাকপুরের বিএন বসু মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সেই কথা জেনে পরিবারের সদস্যরা ওই হাসপাতালে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা জানতে পারেন, সমীরকে সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়নি। দুশ্চিন্তা ক্রমশ বাড়তে থাকে। রাতে খড়দহের বাড়িতে অ্যাম্বুল্যান্স করে সমীরকে নিয়ে যান দুই বন্ধু। ঘটনায় সকলেই হতবাক হন।

Advertisement

সমীরকে দ্রুত বন্দিপুর উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সেখানে ডাক্তাররা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরিবারের অভিযোগ, উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে সমীরের। বিষ খাইয়ে তাঁকে খুন করা হয়েছে, এই অভিযোগ তুলেছেন পরিজনরা। বন্ধুরা এই খুন করেছে, বলে অভিযোগ উঠেছে। রাতেই উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে ঘটনা ঘিরে প্রবল উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে রহড়া থানার পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ ঘটনার যথাযথ তদন্তের আশ্বাস দেওয়ার পর বিক্ষোভ থামে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে রহড়া থানা ও নীলগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ। কেন সমীরকে প্রথমে বারাকপুরের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল না? বন্ধুরা সমীরকে হাসপাতালে না নিয়ে গিয়ে কেন বাড়িতে ফিরিয়ে এনেছিলেন? মাঝের সময় সমীরকে নিয়ে তাঁরা কোথায় ছিলেন? সেসব প্রশ্ন উঠেছে। ওই দুই বন্ধুকে জেরা করে তথ্য নেওয়া হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.