Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
CPM

জেলায় বাম-কংগ্রেস-ISF জোট জটিলতা আরও প্রকট, বাড়ছে বামেদের শরিকি দ্বন্দ্বও

দক্ষিণবঙ্গের আসন নিয়ে কিছুটা রফা হলেও মাথাব্যথা উত্তরবঙ্গে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২১, ০৮:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২১, ০৮:৫৫

options
link
জেলায় বাম-কংগ্রেস-ISF জোট জটিলতা আরও প্রকট, বাড়ছে বামেদের শরিকি দ্বন্দ্বও zoom

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: জট কাটছেই না। দুই শরিকের কথা কাটাকাটি, আসন দাবি করে আলিমুদ্দিনকে চিঠি শরিক নেতৃত্বের। জোটের জট ছাড়াতে রাতে হুগলির বৈদ্যবাটিতে বৈঠকে বসল সিপিএম (CPM), কংগ্রেস (Congress) ও ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (ISF)। এদিন তিনপক্ষ দ্বিতীয় দফায় মুখোমুখি বসেও জট কাটাতে ব্যর্থ হল। আর এই ঘটনাক্রমই স্পষ্ট করে দিচ্ছে জোটের জটিলতা। যদিও দক্ষিণবঙ্গে জট কিছুটা ছাড়ানো গিয়েছে। এবার উত্তরবঙ্গ নিয়ে রবিবার সন্ধেবেলা ফের আলিমুদ্দিনে বৈঠক হবে বলে সূত্রের খবর।
 

নিজের ঘরেই জ্বলছে আগুন। তা নেভানোর চেষ্টা দূরঅস্ত। কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের ঘরের আগুন নেভাতে ব্যস্ত আলিমুদ্দিন। শহরে এসে বৈঠক করতে সমস্যা হচ্ছে। অসুবিধার কথা জানাচ্ছেন মূলত আইএসএফ নেতৃত্ব ও বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান। দু’পক্ষের অসুবিধা বুঝে কিছুটা আগে বাড়িয়ে হুগলির বৈদ্যবাটিতে শনিবার রাতে বৈঠকে বসে সিপিএম,কংগ্রেস,আইএসএফ – তিন পক্ষই। বৈঠক শেষে জোট নেতৃত্বের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে জটিলতা কাটেনি এখনও। জট ছাড়াতে আরও কয়েকদফা বসতে হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তবে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট ও কংগ্রেসের মধ্যে আসন নিয়ে যে দড়ি টানাটানি চলছে, তার মধ্যে দক্ষিণবঙ্গের অনেকটাই সমাধান করা গিয়েছে বলে দাবি সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিমের (Md. Selim)। মুর্শিদাবাদ, মালদহে নিয়ে অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায়নি এখনও। ফলে এবার আলোচনার কেন্দ্রে উত্তরবঙ্গের আসন বণ্টন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘খেলা হবে নয়, খেলা হয়ে গিয়েছে’, তৃণমূলের স্লোগানের পালটা বাবুল সুপ্রিয়র]

এদিকে, জোটের বল জেলায় গড়াতেই শরিকদের দ্বন্দ্ব প্রকট হচ্ছে। বাঁকুড়ার (Bankura) ওন্দা আসনটি আব্বাস সিদ্দিকির দল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টকে ছেড়ে দেয় আলিমুদ্দিন। ঘুণাক্ষরেও তা জানতেন না ফরওয়ার্ড ব্লকের শীর্ষ নেতারা। ‘বাঘে’র গলায় কাটা ফুটতেই শুরু হয় তর্জন-গর্জন। সিপিএমের এক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যের সঙ্গে ফোনে কথা কাটাকাটিতে জড়িয়ে পড়েন ফরওয়ার্ড ব্লকের এক শীর্ষ নেতা। কেন তাদের অন্ধকারে রেখে এমন সিদ্ধান্ত? জানতে চান তিনি। ওন্দা আসনে সংখ্যালঘু জনসংখ্যা হাতেগোনা। তা সত্বেও কেন আসনটি আব্বাসদের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, তার জবাব চান ফরওয়ার্ড ব্লকের ওই নেতা। ফোনে দুই নেতার মধ্যে কথা তুমুল কাটাকাটি হয় বলেও সূত্রের খবর।

[আরও পড়ুন: ঘুটিয়ারি শরিফ চত্বর থেকে গ্রেপ্তার এক রোহিঙ্গা, কীভাবে অনুপ্রবেশ? তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ]

অন্যদিকে, প্রথম থেকেই পুরুলিয়া (Purulia) নিয়ে কংগ্রেস ও বামেদের মধ্যে মতপার্থক্য চরমে পৌঁছেছিল। পুরুলিয়াতে কংগ্রেস একটি আসনও বামেদের দিতে নারাজ ছিল। বিধানভবন তা জানিয়ে দেয় আলিমুদ্দিনকে। বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্ররা কংগ্রেসের সঙ্গে কথা বলে বিবাদ মীমাংসা করলেও ফের জটিলতা তৈরি হয়েছে বাগমুন্ডি ও জয়পুর আসনকে কেন্দ্র করে। বাঘমুন্ডি থেকে গতবার জয়ী হন কংগ্রেসের নেপাল মাহাতো। এবার ফরওয়ার্ড ব্লকের ঝুলিতে থাকা জয়পুর আসনটিও ছিনিয়ে নিতে চায় কংগ্রেস। বিষয়টি জানতে পেরে শনিবার রাতে ফ্রন্ট চেয়ারম্যানকে চিঠি দেন নেতাজির দলের রাজ্য সম্পাদক নরেন চট্টোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি স্পষ্ট লেখেন, জয়পুর আসন কংগ্রেসকে ছাড়া হলে বাঘমুন্ডি তাঁদের চাই। এখন ফ্রন্ট চেয়ারম্যান কী করেন, সেদিকেই তাকিয়ে ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতারা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.