১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

পুলিশ এসে বিয়ে আটকাল নাবালিকার, তবু বউভাতের ভোজ খেল গোটা গ্রাম

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 28, 2018 8:42 am|    Updated: January 28, 2018 8:42 am

An Images

নন্দন দত্ত: বউ নেই । অথচ বউভাতের ভোজ হয়ে গেল। বর জানালেন, বিয়ের পর তাঁর বউ পিসির বাড়ি বেড়াতে গিয়েছে। এমনই আজব বউভাত হল ময়ূরেশ্বরের বান্দাহা গ্রামে। এদিকে বউ না দেখেই উপহার দিয়ে বউভাতের ভোজ খেয়ে বাড়ি ফিরলেন অভ্যাগতরা। বউ-হীন বউভাতের আসল কারণ অবশ্য জানালেন প্রশাসনের কর্তারা। নাবালিকার বিয়ের আগেই তা আটকে দেন তাঁরা। এদিকে আয়োজন করে সেই সামগ্রী ফেরায় কী করে! তাই বউ না থাক। বউভাতটা হয়ে গেল তাঁকে উদ্দেশ্য করে।

[অমানবিক! সম্পত্তির লোভে বৃদ্ধাকে বেদম মার বোনের, দেখুন ভিডিও]

ময়ূরেশ্বর-২ ব্লকের বান্দাহা গ্রামের সুকুমার বাগদির ছেলে জয়ন্ত বাগদির বিয়ের ঠিক হয়। লগ্ন মতে শুক্রবার সন্ধ্যায় ময়ূরেশ্বর এক ব্লকের আড়াল গ্রামে সে বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্ত দুই নাবালক নাবালিকার বিয়ে হচ্ছে বলে খবর আসে প্রশাসনের কাছে। দুই ব্লকের আধিকারিকরা দুই বাড়িতে হাজির হয়। সুকুমারবাবু জানান, প্রশাসনের কাছে ছেলের আধার কার্ড, ভোটার কার্ড দেখিয়ে আমরা জানিয়ে দিই জয়ন্তের বয়স ২২ বছর ছ’মাস। অন্যদিকে আড়াল গ্রামের কন্যার বয়স ১৬ বছর। স্থানীয় কাটিগ্রাম হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। ময়ূরেশ্বর এক ব্লকের বিডিও সুশান্ত বসু বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে ব্লকের আধিকারিকরা আড়াল গ্রামে যান। সেখানে নাবালিকার পরিবার বিয়ে না দেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে মুচলেকা দেয়।

OMG! উপর দিয়ে ছুটে গেল মালগাড়ি, তারপর কী হল এই ব্যক্তির? ]

অন্যদিকে ময়ূরেশ্বর দুই ব্লকের জয়েন্ট বিডিও সুখেন মুখোপাধ্যায় বলেন মোবাইলে একটি  মেসেজ দেখে আমরা জয়ন্তর বাড়িতে যাই। আধার দেখে সন্দেহ হয়। কিন্তু ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখে বুঝি জয়ন্ত সাবালক। যদিও আসার আগে আমরা বলে আসি তুমি সাবালক হলেও নাবালিকাকে বিয়ে করলে আইনি জটিলতায় পড়তে হবে। অন্যদিকে আড়াল গ্রামে মেয়ের পরিবার থেকে জানানো হয়, তিন মেয়ের মধ্যে পরিবারের বড় মেয়ের বিয়ে ছিল এদিন। কিন্ত পুলিশ এসে বারণ করায় আমরা বিয়ে বন্ধ করে দিয়ে পিসির বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছি। যদিও বান্দাহা গ্রামের প্রতিবেশীরা জানায় পুলিশ বিয়ে বন্ধ করে দিলেও এ দিনই সকলের চোখ এড়িয়ে কালী মন্দিরে দু’জনের বিয়ে দেওয়া হয়। তবে বর জয়ন্তের মা সুমিত্রা বাগদি বলেন, ‘বউভাতের সব সামগ্রী কেনা হয়ে গিয়েছিল। কী করব, বউমাকে ঘরে আনতে পারলাম না। কিন্ত আয়োজন তো আবার করতে পারব না, তাই বউ ছাড়াই বউভাতের আনন্দ করলাম আমরা। বউমা এখন তার আত্মীয়ের বাড়িতে আছে। বয়স হলে তাঁকে আমরা বাড়ি নিয়ে আসব।’

দেখুন ভিডিও:

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement