Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
ঝড় বৃষ্টি

আমফান বিদায় নিলেও মুক্তি নেই , উত্তরের জেলাগুলিতে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা

ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে পাহাড়েও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২১, ১১:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২১, ১১:২১

options
link
আমফান বিদায় নিলেও মুক্তি নেই , উত্তরের জেলাগুলিতে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমফান রাজ্যের সীমানা ছাড়িয়েছে ঠিকই, তবে এখনই কিন্তু ঝড়-বৃষ্টি থেকে মুক্তি মিলছে না রাজ্যবাসীর। বৃহস্পতিবার গোটা দিনই বাংলায় ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। মূলত দুপুরের পর থেকেই উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা ও শহরতলীর আকাশ মেঘলা। দক্ষিণের জেলাগুলিতে সেভাবে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা না থাকলেও নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। হাওয়ার গতি থাকবে ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টায়। এমনকি পাহাড়েও ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে সিকিমে।

Advertisement

এই মুহূর্তে বাংলাদেশের উপরে অবস্থান করছে এই অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। তবে বৃহস্পতিবার ভোরে সাইক্লোনের তকমা হারিয়ে আমফান নিম্নচাপের আকার নিয়েছে। যার ফলে, নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে। আর তারই প্রভাব পড়বে উত্তরের জেলাগুলিতে। এমনটাই জানা গিয়েছে হাওয়া অফিস সূত্রে। ২২ তারিখ, শুক্রবার থেকে পরিচ্ছন্ন আকাশ দেখা যেতে পারে। ঝড় কমে গেলেও জলীয়বাষ্প থাকবে বাতাসে। তার ফলে বৃহস্পতিবার সারাদিনই রাজ্যজুড়ে বৃষ্টির সম্ভাবনা।

[আরও পড়ুন: উড়ল ব্যাঘ্র প্রকল্পের ফেন্সিং, আমফানের মাঝেই বাঘের হানার আতঙ্কে কাঁটা সুন্দরবন]

হাওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল, ২১ তারিখ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড় তার সাইক্লোন স্ট্যাটাস ধরে থাকবে। তাণ্ডব চলবে। ধীরে ধীরে উত্তর-পূর্ব দিকে বাংলাদেশে যাবে সেটি। অতিগভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হবে বাংলাদেশে। এর ফলে বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি বাড়বে উত্তরবঙ্গে। ভারী বৃষ্টিতে ভিজবে বাংলাদেশের একাধিক জেলাও।

বুধবার কয়েক ঘণ্টায় দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা প্রায় তছনছ করে দিয়েছে এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। আবহবিদদের কথায়, গতিতে আমফান আয়লাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। কলকাতায় ঘণ্টায় ১৩৩ কিলোমিটার গতিবেগ ছিল আমফানের। ঝড়ের দাপটে শহরের বিভিন্ন প্রান্তে গাছ পড়েছে। বিচ্ছিন্ন হয়েছে বিদ্যুৎ পরিষেবাও। তছনছ হয়ে গিয়েছে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরের একাংশ। কীভাবে রাজ্যকে দ্রুত স্বাভাবিক ছন্দে ফেরানো যায়, তারই চেষ্টা চালাচ্ছে রাজ্য প্রশাসন। উদ্ধার কাজে নেমে পড়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরা শুরু করলেও এখনই যে ঝড়-বৃষ্টি থেকে মুক্তি মিলছে না পশ্চিমবঙ্গবাসীর সেকথা জানিয়ে দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।

[আরও পড়ুন: রাজ্যে আমফানের প্রথম বলি হাওড়ার কিশোরী, প্রাণহানি বসিরহাটেও]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.