Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Anubrata Mandal

Anubrata Mandal: আসানসোল সংশোধনাগারে অনুব্রত, জেলে কী কী পাবেন তৃণমূল নেতা?

আগামী ৭ সেপ্টেম্বর ফের আদালতে তোলা হবে অনুব্রতকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২২, ২১:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২২, ২১:৫২

options
link
Anubrata Mandal: আসানসোল সংশোধনাগারে অনুব্রত, জেলে কী কী পাবেন তৃণমূল নেতা? zoom
ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বীরভূমের বেতাজ বাদশা। জেলা তৃণমূল সভাপতি হওয়ায় শক্ত হাতে সামলেছেন সংগঠন। এহেন অনুব্রত মণ্ডলকে গরু পাচার মামলায় গ্রেপ্তার করে সিবিআই। আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতের নির্দেশে আপাতত ১৪ দিনের জেল হেফাজতে দাপুটে তৃণমূল নেতা। বোলপুরের নিচুপট্টির দাপুটে তৃণমূল নেতার ঠিকানা আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগার। আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়ায় জেলের হাসপাতাল ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে তাঁকে।

বুধবার অনুব্রত মণ্ডলের সিবিআই হেফাজত শেষ হয়। নিজাম প্যালেস থেকে আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। তোলা হয় আদালতে। তাঁর এবং সিবিআই আইনজীবীদের মধ্যে প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে চলে যুক্তি এবং পালটা যুক্তির লড়াই। ঘণ্টাখানেক সওয়াল জবাব শোনার পর রায় দেন বিচারক। ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন তিনি। আগামী ৭ সেপ্টেম্বর ফের আদালতে পেশ করা হবে তৃণমূল নেতাকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘আবার বাড়ি!’, কেন অনুব্রতকে একথা বললেন আসানসোল সিবিআই আদালতের বিচারক?]

আদালতে ঢোকার সময় সাদা পাঞ্জাবি পরে দেখা যায় অনুব্রতকে। 

Anubrata Mandal sent to jail for 14 days in cattle smuggling case

তবে রায়ের পর আদালত থেকে বেরনোর সময় নীল রংয়ের পাঞ্জাবি পরে দেখা যায় তাঁকে। প্রিজন ভ্যান নয় পুলিশের গাড়িতে চড়ে আদালতে পৌঁছন অনুব্রত। 

Here is how CBI judge reacted to Anubrata Mandal's request

করোনা কাল থেকে সংশোধনাগারে ঢোকার সময় প্রত্যেক বন্দির কোভিড টেস্ট বাধ্যতামূলক। সেই অনুযায়ী আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে ঢোকার পর প্রথমে আইসোলেশন সেলে রাখা হয় তাঁকে। করানো হয় র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট। রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এরপর তাঁকে একটি আলাদা সেলে রাখা হয়। ওই সেলে কার্যত ২ শয্যার মিনি হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে। দু’জন থাকার বন্দোবস্ত রয়েছে। তবে থাকবেন একা অনুব্রতই। ঘর লাগোয়া শৌচালয়। সেখানেই স্নানের বন্দোবস্তও রয়েছে। একটি সরকারি হাসপাতালের মতো লোহার খাট রয়েছে। তাতে নীল-সাদা ডোরাকাটা চাদর পাতা। তিনটি কম্বল দেওয়া হয়েছে অনুব্রতকে। এছাড়াও ওই ঘরে রয়েছে একটি চেয়ার ও টেবিল।

একাধিক শারীরিক সমস্যা রয়েছে অনুব্রতর। দিনে প্রায় ৩২-৩৩টি ওষুধ খেতে হয় তাঁকে। গতবারই আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতকে অনুব্রত জানিয়েছিলেন, তিনি এসএসকেএম হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ওষুধ খাচ্ছেন। সেই মতো সমস্ত ওষুধপত্র কারা কর্তৃপক্ষের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। নানা বিধিনিষেধ মেনে খাওয়াদাওয়া করতে হয় অনুব্রত মণ্ডলকে। সেই অনুযায়ী ডায়েট চার্টও কারা কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সিবিআইয়ের আরজিতে সাড়া দিয়ে অনুব্রতকে জেলে গিয়ে জেরার অনুমতি দিয়েছেন বিচারক। তবে সেক্ষেত্রে তড়িঘড়ি চিকিৎসার বন্দোবস্ত থাকা আবশ্যক বলেই জানানো হয়েছে।

দেখুন ভিডিও:

[আরও পড়ুন: আসানসোল আদালতে যাওয়ার পথে শক্তিগড়ে প্রাতঃরাশ সারলেন অনুব্রত মণ্ডল, কী খেলেন?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.