Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Arjun Singh

পুর-দুর্নীতির তদন্তে অর্জুনের ডেডলাইন! ৭ দিনে FIR না হলে আধিকারিকদের বিরুদ্ধে মামলার হুঁশিয়ারি

অর্জুনের দাবি, পুরসভায় 'প্রায় ১০০ জন বিনা কাজেই বেতন নিচ্ছে। কাউন্সিলরদের পরিবারের সদস্যদের নামেও কাজ না করে বেতন তোলা হয়।'

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২৬, ১৪:১৭

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২৬, ১৪:১৭

options
link
পুর-দুর্নীতির তদন্তে অর্জুনের ডেডলাইন! ৭ দিনে FIR না হলে আধিকারিকদের বিরুদ্ধে মামলার হুঁশিয়ারি zoom
ফাইল ছবি।

গারুলিয়া পুরসভা থেকে মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত-সোমবার একদিনে পরপর দুই প্রশাসনিক দপ্তরে গিয়ে দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম ও স্বজনপোষণের বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন নোয়াপাড়ার বিজেপি বিধায়ক অর্জুন সিং (Arjun Singh)। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “দুর্নীতিতে যারা যুক্ত, তাদের জেল হবেই। সাত দিনের মধ্যে তদন্ত করে এফআইআর করতে হবে। না হলে আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও মামলা হতে পারে।”

বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই কার্যত অচল গারুলিয়া পুরসভা। সেই পরিস্থিতিতেই সোমবার চেয়ারম্যান, ইও, ফিনান্স অফিসার ও ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে বৈঠক করেন অর্জুন সিং। বৈঠকের পর তাঁর দাবি, পুরসভায় “প্রায় ১০০ জন বিনা কাজেই বেতন নিচ্ছে।” কাউন্সিলরদের পরিবারের সদস্যদের নামেও কাজ না করে  বেতন তোলার অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “কাজ না করলে টাকা ফেরত দিতেই হবে।” পুরসভার আর্থিক লেনদেন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিজেপি বিধায়ক। তাঁর অভিযোগ, বাড়ি বাড়ি বর্জ্য সংগ্রহের নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হচ্ছে, যদিও সেই খরচ মূল ট্যাক্সের মধ্যেই রয়েছে। পাশাপাশি একাংশ কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে সরাসরি ঠিকাদারি যোগের অভিযোগ তুলে বলেন, “কোথাও কাউন্সিলর নিজে ঠিকাদার, কোথাও তাঁর স্ত্রী বা ছেলে। এই সব লিকেজ বন্ধ করতেই হবে।”

Advertisement

এরপর মোহনপুর গ্রাম পঞ্চায়েত পরিদর্শনে গিয়ে আরও তীব্র আক্রমণ শানান অর্জুন সিং। তাঁর অভিযোগ, “হাই ড্রেনের মাটি কেটে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে, খাল বুজিয়ে জলনিকাশি ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে। ফলে মোহনপুর ও বারাকপুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় জল নামার স্বাভাবিক পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গিয়েছে।” মোহনপুর পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে ওবিসি সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে পদ দখলের অভিযোগও তোলেন তিনি। দাবি করেন, এই ঘটনায় এফআইআর দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। একইসঙ্গে তাঁর বার্তা, “যারা চুরি করেছে, তাদের জেলে ঢোকাতেই হবে। আমার দলের লোক চুরি করলেও বরদাস্ত করা হবে না।” পাশাপাশি পুকুর ভরাট ও অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ না নিলে প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নেবে। বারাকপুর পুরসভায় এসে দাবি করলেন অর্জুন। উত্তর বারাকপুর পুর এলাকার জঞ্জাল সমস্যা সমাধান ও স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে নজর দেওয়া হবে বলেও দাবি তাঁর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.