Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬

‘ক্ষমতা থাকলে আমাকে গ্রেপ্তার করুক পুলিশ’, হুঙ্কার গুরুংয়ের

শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে লড়াই চালানোর হুমকি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০১৭, ১০:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৩, ২০১৭, ১০:২৪

options
link
‘ক্ষমতা থাকলে আমাকে গ্রেপ্তার করুক পুলিশ’, হুঙ্কার গুরুংয়ের zoom

ব্রতীন দাস: পুলিশের ক্ষমতা থাকলে গ্রেপ্তার করুক। অন্তরাল থেকে বেরিয়েই ফের হুঙ্কার মোর্চা সুপ্রিমো বিমল গুরুংয়ের। একইসঙ্গে শুক্রবার জিটিএ-র চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে পাহাড়ে আরও বড় আন্দোলনের ডাক দিল গুরুং। সাফ জানিয়ে দিল, শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাবে সে। বেশ কয়েকদিন অজ্ঞাতবাসে থাকার পর এদিনই পাতলেবাসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয় গুরুং। জিটিএ-র ৪৩ জন সভাসদ নিজেদের ইস্তফাপত্র গুরুংয়ের কাছে জমা দিয়ে দিয়েছেন। তারপরই তার হুঁশিয়ারি, জিটিএ চ্যাপ্টার ক্লোজ। গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে বনধ চলবে পাহাড়ে। পাশাপাশি জিটিএ ভোট করতে না দেওয়ার হুমকি দিয়েছে গুরুং।

[১২ ঘন্টার জন্য পাহাড়ে বনধ শিথিল মোর্চার, সমতলে ফিরল স্কুল পড়ুয়ারা]

প্রসঙ্গত, ১৭ জুন সিংমারিতে মোর্চার মিছিল ঘিরে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে রণক্ষেত্রর চেহারা নেয় দার্জিলিং। সেদিন পুলিশের বিরুদ্ধে গুলিচালনার অভিযোগ ওঠে। গুলিতে তিন সমর্থকের মৃত্যু হয় বলে দাবি করেন মোর্চা নেতা বিনয় তামাং। সেদিনের ঘটনার জন্য প্রশাসনকেই কাঠগড়ায় তুলেছে গুরুং। পুলিশের গুলিচালনার জন্য সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে সে। এদিন তার বক্তব্য, ‘আমি কিষেনজির মতো পালায়নি। পুলিশের ক্ষমতা থাকলে আমায় গ্রেপ্তার করুক।’ জানা গিয়েছে, পাহাড় নিয়ে আন্দোলনের রূপরেখা ঠিক করতে মোর্চার বৈঠক পিছিয়ে গিয়েছে। ২৯ জুন হবে সেই বৈঠক। তার আগে ২৭ তারিখ জিটিএ প্রতিলিপি পোড়াবেন মোর্চা নেতারা। মোর্চার জিটিএ ছাড়া এবং গুরুংয়ের আন্দোলনের ডাকের জেরে পাহাড়ে নতুন করে অশান্তির সৃষ্টি হতে পারে বল মনে করছে প্রশাসন। সূত্রের খবর, আরও বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে সর্বত্র। উল্লেখ্য, বহুদিন পর এই প্রথম দলীয় পতাকা নিয়ে পাহাড়ে মিছিল করতে দেখা যায় প্রয়াত সুবাস ঘিসিংয়ের দল জিএনএলএফকে। নেতৃত্বে ছিলেন ঘিসিং পুত্র মন ঘিসিং। প্রসঙ্গত, সিংমারির ঘটনার পর থেকেই আত্মগোপন করে গুরুং। তার অনুপস্থিতিতে হরকাবাহাদুর ছেত্রীর জন আন্দোলন পার্টি, জিএনএলএফ-সহ পাহাড়ের একাধিক পার্টি এবং একাধিক রাজনৈতিক মুখ গোর্খাল্যান্ড ইস্যুতে আন্দোলন শুরু করে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তা কোনওভাবে চিন্তা বাড়িয়েছে গুরুংয়ের। তাই অজ্ঞাতবাস ভেঙে বেরিয়ে এসেছে মোর্চা সুপ্রিমো।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[চাল ও ডিমের পর এবার আটাও প্লাস্টিকের! রাজ্যে তীব্র চাঞ্চল্য]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.