রাজ কুমার, আলিপুরদুয়ার: মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সুকান্ত দেবনাথের ‘খুনে’র ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। ধৃতরা সম্পর্কে তার জ্যাঠা ও জেঠিমা। হামলার ঘটনার অভিযোগে মৃত ছাত্রের বাবাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে খবর। আলিপুরদুয়ারের ২ ব্লকের চালনিরপাক এলাকায় ওই ঘটনায় শোকের ছায়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জমি নিয়ে বিবাদের জেরে মৃত পরীক্ষার্থীর বাবা ও জ্যাঠা পরিবারের দীর্ঘদিন থেকে বিবাদ ছিল। শুক্রবার মৃত পরীক্ষার্থী সুকান্তের বাবা সজয় দেবনাথ প্রথমে দা নিয়ে তাঁর দাদা অরূপ দেবনাথকে আক্রমণ করতে যান। তারপর দুই পরিবারে মারামারি লেগে যায়। সেসময় ওই মারপিটে জড়িয়ে পড়ে পরীক্ষার্থী সুকান্তও। ঘটনায় দুই পরিবারের পাঁচ জন জখম হন। তাঁদের প্রত্যেককেই আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। শনিবার পরীক্ষার্থীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে কোচবিহার এম জে এন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে, পথেই মৃত্যু হয় পরীক্ষার্থীর। এই মুহূর্তে মৃত পরীক্ষার্থীর বাবা, মা, জ্যাঠা, জেঠিমা চারজনই আলিপুরদুয়ার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি আছেন। আলিপুরদুয়ারের পুলিশ সুপার ওয়াই রঘুবংশী বলেন, “এই ঘটনায় মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।”
মৃতের দাদু অবিনাশ দেবনাথ বলেন, “শুক্রবার সন্ধ্যায় মারপিটের সময় সুকান্তকে গাছে বেঁধে ফেলা হয়। সেসময় ওই ছাত্রের জ্যাঠা অরূপ দেবনাথ বাটাম দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। তাতেই মৃত্যু হয়েছে সুকান্তর। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি চাই আমরা।” জানা গিয়েছে, সুকান্ত ও তার বাবা সজয় দেবনাথ দুজনকেই গাছে বেঁধে মারা হয়। পুলিশ গিয়ে বাঁধন খুলে দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার দিন ঠিক কী হয়েছিল, তার তদন্ত করছে পুলিশ।
আগামী কাল সোমবার মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হবে বলে খবর। সুকান্তর সহপাঠীরা ঘটনার খবর পেয়ে মুষড়ে পড়েছে। স্কুলের শিক্ষকরাও এই ঘটনায় হতবাক।
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে