Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

শেষ মুহূর্তে মিলেছে বোনাস, অর্থযোগে আসানসোলের পুজোয় বহরবৃদ্ধি

বাইরের চাঁদা নয়, কর্মীদের অর্থেই পুজোর আয়োজন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৮:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৮:১৮

options
link
শেষ মুহূর্তে মিলেছে বোনাস, অর্থযোগে আসানসোলের পুজোয় বহরবৃদ্ধি zoom

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: পুজো বলে কথা, তার আগে বোনাস মানে সবাই চাঙ্গা। কর্মচারীদের বাড়তি অর্থের কথা ঘোষণা হয়েছে সবেমাত্র। ঠিক হয়েছে বোনাস পাবেন ৫৭ হাজার টাকা করে। তাতে যেমন চাঙ্গা বাজার, তেমনই কোলিয়ারির পুজোর জাঁকজমকও বেড়ে গেল বহুগুণ। আসানসোলে ইসিএলের ৭৪টি খনি রয়েছে। কর্মীর সংখ্যা লক্ষাধিক। পুজোর মুখে মোটা অঙ্কের বোনাস এসে যাওয়ায় খনি শহরের পুজোর ছবিটা বদলে গিয়েছে।

ASL-BONUS-2

Advertisement

[মালদহে পুজোপাগলদের মাতিয়ে রেখেছে অসুররূপী ‘কাটাপ্পা’]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

পুজোর মুখে হাতে টাকা আসায় পুজোর বহর বেড়েছে। এই যেমন ইসিএলের সোদপুর এরিয়ার কোলিয়ারির দুর্গাপুজোগুলি। এখানকার ধেমোমেন কোলিয়ারি দুর্গাপুজোর বাজেট এবার ১৫ লক্ষ টাকা। বাইরের কোনও থিম মেকার নয়, স্থানীয় ডেকরেটরকে দিয়ে হংসমহল বানিয়ে চমক দিচ্ছে ধেমোমেন কোলিয়ারির পুজো। গোটা মণ্ডপটি তৈরি হয়েছে লেসের কাপড় দিয়ে, ভিতরে আছে স্পট লাইট। ৬০ থেকে ৭০টি হংসবলাকায় সাজানো হয়েছে মণ্ডপ। যা কাল্পনিক মন্দির আদলে গড়ে তোলা হয়েছে। প্রায় ৩৫ বছরের পুরনো এই পুজো। বিরাট মেলা বসেছে পুজো প্রাঙ্গন ময়দানে। মাঠ জুড়ে চন্দননগরের আলোর পরিবেশ বদলে দিয়েছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ফুটে উঠেছে আলোকসজ্জায়। পুজো কমিটির অন্যতম সদস্য খনিকর্মী বালেশ্বর গিরি জানান, মণ্ডপের মতো অভিনবত্ব রয়েছে প্রতিমাতেও।

[শুধু গঙ্গার তীরে নয়, উমার আগমন টেমসের ধারেও]

‘বাহুবলী’র মাহিষমতি রাজ্যের দৃশ্য তুলে ধরা হবে ধেমোমেন কোলিয়ারির মণ্ডপে। পুজো কমিটির সম্পাদক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায় জানান, কোলিয়ারিতে ৮০০ কর্মী রয়েছে। তাঁরা একদিনের হাজিরা চাঁদা হিসাবে তুলে দিয়েছেন। তাতেই পুজোর সমস্ত খরচ উঠে গিয়েছে। তাই বাইরের কোনও সাহায্যের প্রয়োজন পড়েনি। অন্যদিকে আসানসোলের চিনাকুড়ি তিন নম্বর কোলিয়ারির দুর্গাপুজো পড়ল দশ বছরে। এখানেও খনিকর্মীরা একদিনের বেতন ও অতিরিক্ত ২০০ টাকা করে চাঁদা দিয়েছেন। গত দেড় মাস ধরে নদিয়ার কৃষ্ণনগর থেকে শিল্পীরা এসে মণ্ডপ তৈরি করেছেন। শিল্পী মুজিবর শেখ জানান, মণ্ডপটি তৈরি হয়েছে কাশ্মীরের একটি মন্দিরের আদলে। মন্দির ছাড়াও পারিপার্শ্বিক দৃশ্য ভূস্বর্গের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.