ঘোষিত ডুরান্ড কাপের পূর্ণাঙ্গ সুচি। আর শুরুতেই কলকাতা ডার্বি। এবার একই গ্রুপে আছে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল। ডুরান্ডের উদ্বোধনের দিন, অর্থাৎ ২৫ জুলাই ‘এ’ গ্রুপে মুখোমুখি হবে কলকাতার দুই প্রধান। ডুরান্ডেই মরশুমের প্রথম কলকাতা ডার্বি হবে। এছাড়া মোট ৬টা গ্রুপের সবকটি ম্যাচ, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালের দিনক্ষণ-ভেন্যু চূড়ান্ত করা হয়েছে। ডার্বি বাদে আর কবে ম্যাচ মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলের?
ডুরান্ড কাপের ১৩৫তম সংস্করণের বল গড়াবে ২৫ জুলাই। প্রতিযোগিতা চলবে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। এবারের আসরে অংশ নেবে ২৪টি দল। টুর্নামেন্টের ম্যাচগুলি হবে কলকাতা, রাঁচি, গুয়াহাটি, ইম্ফল ও শিলং- এই পাঁচটি শহরে। ‘এ’ গ্রুপে রাখা হয়েছে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গলকে। ২৫ জুলাই, সন্ধ্যা ৫টায় যুবভারতীতে ক্রীড়াঙ্গনে কলকাতা ডার্বি। এছাড়া এই গ্রুপে আছে সিআইএসএফ প্রোটেক্টরস ও সাউথ ইউনাইটেড।
আরও পড়ুন:
ডার্বির পর মোহনবাগানের সূচি-
বনাম সাউথ ইউনাইটেড (৪ আগস্ট, সন্ধ্যা ৭টা, যুবভারতী)
বনাম সিআইএসএফ প্রোটেক্টরস (১০ আগস্ট, বিকেল ৪টা, কিশোর ভারতী)
ইস্টবেঙ্গলের সূচি-
বনাম সিআইএসএফ প্রোটেক্টরস (৩১ জুলাই, সন্ধ্যা ৭:৩০ টা, কিশোর ভারতী)
বনাম সাউথ ইউনাইটেড এফসি (৭ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা, যুবভারতী)
বি গ্রুপে আছে মহামেডান। তাদের ম্যাচগুলি হল বাঘপত এফসি (২৭ জুলাই, সন্ধ্যা ৭টা কিশোর ভারতী), সমলেশ্বরী স্পোর্টিং (২ আগস্ট, বিকেল ৪টে, যুবভারতী), ভারতীয় আর্মি (১২ আগস্ট, সন্ধ্যা ৭টা, কিশোর ভারতী)। ডুরান্ড কাপের সব ম্যাচ দেখা যাবে সোনি স্পোর্টস নেটওয়ার্কে। ছটা গ্রুপে এবার ২৪টা দল খেলছে। প্রতিটি গ্রুপজয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে যাবে। এছাড়া ছটা গ্রুপের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে থাকা দলগুলির মধ্যে পয়েন্ট তালিকায় সেরা দু’টি দলও সেরা আটে যাবে। ১৬ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টা ও ১৭ আগস্ট বিকেল ৪টেয় কলকাতায় দু’টি কোয়ার্টার ফাইনাল আছে। দু’টি সেমিফাইনালের মধ্যে একটি যুবভারতীতে, ১৯ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টায়। ফাইনাল ২৩ আগস্ট যুবভারতীতে। সময় এখনও চূড়ান্ত নয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ডিজে মামলায় আরও বিপাকে অভিষেক, সই জাল মামলায় কী জানাল হাই কোর্ট?
-
১১ বছর ধরে শরীরে রোগ পুষছেন দিলজিৎ, করছেন না অস্ত্রোপচারও! কেন উদাসীন অভিনেতা?
-
আর্জেন্টিনা ম্যাচের আগে কেপ ভার্দের অধিনায়কের ধর্ষণ-কাণ্ড নিয়ে প্রশ্ন, কী পদক্ষেপ ফিফার?
-
ডে-কেয়ারেও শিশুদের উপর নির্যাতন! নিশ্চিন্তি কোথায়?
-
যাদবপুর-প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরে ‘জিরো ইয়ার’, ব্যাপারটা কী?