জাতীয় শিক্ষানীতি মেনে দু’বছরের স্নাতকোত্তর পাঠ্যক্রম বদলে এক বছর করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যার জেরে যাদবপুর এবং প্রেসিডেন্সির মতো স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে কলা ও বিজ্ঞান বিভাগে চলতি শিক্ষাবর্ষটি ‘জিরো ইয়ার’ হতে চলেছে। অর্থাৎ, এ বছর এই দুই বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তরের প্রথম বর্ষে কাউকে ভর্তি নেওয়া হবে না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৩ সালে যে শিক্ষার্থীরা চার বছরের স্নাতক কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন, তাঁরা ২০২৭ সালে ডিগ্রি সম্পূর্ণ করবেন। জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, বর্তমানে এই চার বছরের স্নাতক কোর্সের শেষ বর্ষের পড়ুয়ারা পুরনো ব্যবস্থার স্নাতকোত্তরের প্রথম বর্ষের সমতুল্য। ফলে, এই মুহূর্তে নতুন করে স্নাতকোত্তরে ভর্তি নেওয়ার মতো কোনও ব্যাচ নেই।
ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। যে সব শিক্ষার্থী চার বছরের স্নাতক কোর্সের মাঝপথে, অর্থাৎ তিন বছর পর ‘এক্সিট অপশন’ বা বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিচ্ছেন, তাঁদের জন্য রবীন্দ্রভারতীতে দুই বছরের স্নাতকোত্তর কোর্সটি চালু রাখা হচ্ছে। আগস্ট থেকে সেখানে কলা, চারুকলা ও দৃশ্যকলা শাখায় মাস্টার্স কোর্সের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে।
আরও পড়ুন:
প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, যে বিভাগগুলিতে চার বছরের স্নাতক কোর্স চলছে, সেখানে এ বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে স্নাতকোত্তরে ‘জিরো ইয়ার’ থাকবে। আগামী বছর থেকে শুরু হবে এক বছরের স্নাতকোত্তর পর্ব। তবে বায়োটেকনোলজি বা ভাইরোলজির মতো কিছু আন্তঃবিষয়ক কোর্স, যাতে কোনও স্নাতক স্তর নেই, সেসবে দু’বছরের স্নাতকোত্তরে ভর্তি চালু থাকবে।
অন্যদিকে যাদবপুর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, ৪+১ শিক্ষানীতির কারণে এবার দিবা ও সান্ধ্যকালীন কোনও কোর্সেই স্নাতকোত্তরে ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং শাখার স্নাতকোত্তর ভর্তি প্রক্রিয়া জুন মাসের মাঝামাঝি থেকে যথারীতি শুরু হবে। ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। যে সব শিক্ষার্থী চার বছরের স্নাতক কোর্সের মাঝপথে, অর্থাৎ তিন বছর পর ‘এক্সিট অপশন’ বা বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ নিচ্ছেন, তাঁদের জন্য রবীন্দ্রভারতীতে দুই বছরের স্নাতকোত্তর কোর্সটি চালু রাখা হচ্ছে। আগস্ট থেকে সেখানে কলা, চারুকলা ও দৃশ্যকলা শাখায় মাস্টার্স কোর্সের ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হবে। ২০২০ সালে মোদি সরকার জাতীয় শিক্ষানীতি চালু করলেও সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তা লাগু করেনি। যাদবপুর, প্রেসিডেন্সি-সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের বাম ছাত্র সংগঠন এর বিরোধিতা করলেও পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় নীতি মেনে জাতীয় শিক্ষানীতি লাগু হয়েছে। এবার রাজ্যে বিজেপি সরকার আসার পর তা আরও সুস্পষ্ট হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘আমরা আসছি’, ভারত সফরের আগে সোশাল মিডিয়ায় বিশেষ বার্তা ব্রাজিল দলের
-
প্রোমোটারের কাছ থেকে ১ লক্ষ টাকা ঘুষ! কনস্টেবলকে হাতেনাতে ধরল দুর্নীতি দমন শাখা
-
বাংলার পর অসমের মামলাতেও জামিন, ১৩ বছর পর বিরাট স্বস্তিতে সারদা কর্তা সুদীপ্ত সেন
-
পুকুরে ভেসেই কাটছিল জীবন! অনন্ত আম্বানির হস্তক্ষেপে মুম্বইয়ে চিকিৎসা পাচ্ছে মুর্শিদাবাদের সেই ইকবাল
-
এবার রাজ্য ও জাতীয় টেবিল টেনিস দলকে স্পনসর করবে রাজ্যের পর্যটন দপ্তর! বড়সড় ইঙ্গিত মন্ত্রীর