Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভূত চতুর্দশী

বছরভর গাছে বন্দি, ভূত চতুর্দশীর রাতে এই শ্মশানে ‘মুক্ত’ পিশাচের দল

কালীপুজোর রাতে ফের মন্ত্রবলে বেঁধে ফেলা হয় তাদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৯, ১২:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০১৯, ১২:১৭

options
link
বছরভর গাছে বন্দি, ভূত চতুর্দশীর রাতে এই শ্মশানে ‘মুক্ত’ পিশাচের দল zoom
Advertisement

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: সারা বছর বন্দি থাকেন তেনারা। মাত্র একদিন, ভূত চতুর্দশীতে তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয় আসানসোলের পিয়ালবেড়ায়। উদরপূর্তি করতে রাতে তাঁদের ভোগও দেওয়া হয়। কালীপুজোর রাতে ফের মন্ত্রবলে বেঁধে ফেলা হয় তাঁদের। এমনই বিশ্বাস মহিশীলা কলোনির বাসিন্দাদের। গত ৭০ বছর ধরে এই পরম্পরা চলছে।

আসানসোলের মহিশীলা ১ নম্বর কলোনিতে পিয়ালবেড়া শ্মশানের বটগাছে নাকি ভূতদের বেঁধে দিয়ে গিয়েছিলেন বামাক্ষ্যাপার অন্যতম প্রধান শিষ্য বনমালী ভট্টাচার্য। সেই বনমালীবাবু আজ আর জীবিত নেই। কিন্তু গাছে নাকি ভূতেদের দল রয়ে গিয়েছে। ভূত চতুর্দশীর রাতে তাঁদের কিছু সময়ের জন্য মুক্তি দেওয়া হয়। আর কালীপুজোর রাতে ফের অপদেবতাদের বন্দি করা হয়।
বহু বছর আগে আসানসোলের রায় পরিবারের জমিদার তান্ত্রিক বনমালী ভট্টাচার্যকে জমি দান করেছিলেন। নদিয়া নিবাসী বনমালী ভট্টাচার্য বামাক্ষ্যাপার শিষ্যত্ব নিয়েছিলেন মাত্র সাত বছর বয়সে। সেই তান্ত্রিক বনমালী ভট্টাচার্যকে আশ্রম করে সাধনা করার জন্য মহিশীলার পিয়ালবেড়া শ্মশানে জমি দান করা হয়েছিল। তখন পিয়ালবেড়া শ্মশান ছিল জঙ্গলে ভরা নির্জন এক স্থান। জনশ্রুতি, ভূতদের খুব উপদ্রব ছিল। রাতে কারওর মৃত্যু হলে ভয়ে শ্মশানে নিয়ে যেতে পারতেন না বাসিন্দারা। সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হত। সেই নির্জন স্থানেই সাধনা শুরু করতেন বনমালীবাবু। শুধু তাই নয়, এলাকায় যাতে অনিষ্ট করতে না পারে তাই সমস্ত ভূতেদের একটি গাছে তিনি বেঁধে রেখে দিয়েছিলেন।
সময় বদলেছে। পিয়ালবেড়া থাকলেও, আর শ্মশান নেই। সেই আশ্রমের মন্দির রয়ে গিয়েছে। আজও আছে পঞ্চমুণ্ডির আসন। বনমালিবাবুল মারা গিয়েছেন বহু বছর হল। বর্তমানে তাঁর ছেলে শম্ভুনাথ ভট্টাচার্য এই পুজোর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। তিনি বলেন, “কার্তিক অমাবস্যার আগের দিন ভূত চতুর্দশীতে সেখানে কালীপুজো করা হয়। মায়ের বীজমন্ত্র পড়ে পুজো হয়। শিবাভোগ ও ভৈরব ভোগ দেওয়া হয় পুজোর পরে। সেই ভোগ থাকে মদ ও মাংস। কালীপুজোর পরে সেই ভূতেদের মন্ত্র বলে বেঁধে দেওয়া হয় গাছের সঙ্গে।” ভূত চতুর্দশীতে এটাই নাকি পরম্পরা এখানকার।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ছবি: মৈনাক মুখোপাধ্যায়

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.