BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ছাত্ররা গিনিপিগ নয়, আগে বিধানসভা খোলা হোক পরে স্কুল, দাবি সুজনের

Published by: Paramita Paul |    Posted: July 29, 2020 9:09 pm|    Updated: July 29, 2020 9:09 pm

An Images

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: শিক্ষক দিবসে পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে একদিন অন্তর স্কুল খোলার ভাবনাচিন্তা করছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিরোধিতা করল বামেরা। আগে বিধানসভা (Bidhan Sabha) খোলা হোক। তারপর স্কুল খোলার চিন্তাভাবনা করুক রাজ্য। দাবি বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তীর (Sujan Chakrabarty)। আবার রাজ্যে বিনামূল্যে কোভিড চিকিৎসা হচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর দাবির বিরোধিতা করেছেন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে শাসকদলের নেতারই কোভিড (Corona Virus) চিকিৎসা করিয়েও প্রাণে বাঁচতে পারছেন বলে জানান তিনি।

পুরো আগস্ট মাস স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকবে। সেপ্টেম্বরে শিক্ষক দিবসে পরিস্থিতি অনুকূল থাকলে স্কুল খোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তবে তা হবে একদিন অন্তর একদিন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী (Mamata Bannerjee)। রাজ্যের এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে বাম পরিষদীয় দলনেতা দাবি করেন, বিধায়করা অনেক সুযোগ-সুবিধা পায়। তাছাড়া তাঁরা নেতৃস্থানীয়। আগে বিধানসভা খোলা হোক। তারপর স্কুল খোলার কথা ভাবা হোক বলে দাবি করেন তিনি। বাম পরিষদীয় দলনেতা বলেন, “ছাত্ররা গবেষণার গিনিপিগ নয় যে তাদের নিয়ে পরীক্ষানিরিক্ষা করা হবে।”

[আরও পড়ুন : ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহস জোগাচ্ছেন করোনাজয়ীরা, রাজ্যে সুস্থতার হার প্রায় ৬৮%]

আবার রাজ্যে বিনামূল্যে কোভিড (Corona Virus) চিকিৎসা হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি করে তা বিশ্বের দরবারে জানানোর দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারের এই দাবি নস্যাৎ করে বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নানের অভিযোগ, হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে অনেকে রাস্তাতেই মারা যাচ্ছেন। তিনি বলেন, “আগে হাসপাতালে জায়গা পাক আক্রান্তরা, তারপর বিনামূল্যে চিকিৎসার দাবি জানাবেন মুখ্যমন্ত্রী।” আর বেসরকারি হাসপাতালে লাগামহীন খরচ দাবি করা হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, “বিনামূল্যে চিকিৎসা যদি হয়ে থাকে তাহলে সকলকে উনি বলুন কোভিড চিকিৎসার জন্য বেসরকারি হাসপাতাল যে বিল করছে তা নবান্ন থেকে মিটিয়ে দেওয়া হবে।” এই প্রসঙ্গে শ্রীরামপুর পুরসভার এক প্রাক্তন তৃণমূ্ল কাউন্সিলরের কোভিড চিকিৎসার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি জানান ওই কাউন্সিলরের পরিবার একটি বেসরকারি হাসপাতালে প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা খরচে করেও তাঁকে বাঁচাতে পারেনি। ঘটনা সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রীর খোঁজখবর করা উচিৎ বলে মনে করেন তিনি।

[আরও পড়ুন : সংক্রমণে লাগাম পরাতে মরিয়া পুরসভা, কলকাতায় ১৬টি পয়েন্টে শুরু হচ্ছে অ্যান্টিজেন টেস্ট]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement