২২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বেলঘরিয়া থানা সংলগ্ন এলাকায় বসেই এটিএম জালিয়াতি শুরু করেছিল ৪ যুবক। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। মুম্বই পুলিশ সূত্রে খবর পেয়ে কয়েকদিনের মধ্যেই জালিয়াতি চক্রের পর্দাফাঁস করল বেলঘরিয়া থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা অভিযুক্ত ৪ যুবককে। ধৃতদের মধ্যে দু’জন বাংলাদেশ ও বাকিরা তুরস্কের বাসিন্দা।

জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ১৪ তারিখ উত্তর ২৪ পরগনার বেলঘরিয়া থানা সংলগ্ন একটি আবাসনের একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিল ওই ৪ যুবক। আবাসনের কারও সঙ্গে কোনও যোগাযোগ ছিল না তাদের। নিজেদের মতোই থাকত তারা। এনিয়ে আবাসনের কারও মনে সন্দেহও জাগেনি। এরপর মুম্বই পুলিশের তরফে বেলঘরিয়া থানায় যোগাযোগ করা হলে যুবকদের খোঁজে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। চারজনের মোবাইলের লোকেশন ট্র্যাক করে অভিযুক্তদের সন্ধান পায় তদন্তকারীরা। হদিশ মিলতেই ফ্ল্যাট থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ওই চার যুবককে। তাদের থেকে উদ্ধার হয়েছে ৭৫ লক্ষ টাকা। ধৃতদের সঙ্গে যোগ রয়েছে এই অনুমানে ওই আবাসনের নিরাপত্তারক্ষীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

[আরও পড়ুন: আকাশছোঁয়া দাম, ডিসেম্বরের শেষেই মধ্যবিত্তের পাত থেকে উধাও হতে পারে আলু]

সূত্রের খবর, ধৃতরা এটিএম জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত। ধৃত দুই বাংলাদেশি যুবক বিভিন্ন ছোট, বড় রেস্তরাঁ, শপিং মলে ঘুরে বেড়াতো। তাদের কাজ ছিল ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের নম্বর জোগাড় করা। নম্বর জোগাড় করে কার্ডের নম্বর তারা দিত তুর্কি যুবকদের। এরপর ওই যুবকরা সেই কার্ডের নম্বর ব্যবহার করে বিশেষ একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিত। দ্রুতই সেই টাকা বদলে ফেলা হত ডলারে। এভাবেই চলছিল তাঁদের ব্যবসা। শুধু এ রাজ্য নয়, বিভিন্ন রাজ্যে জাল বিছিয়েছিল অভিযু্ক্তরা। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দ্রুতই এই জালিয়াতি চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের হদিশ মিলবে।

[আরও পড়ুন: পড়ুয়াদের বিক্ষোভে উত্তাল দক্ষিণেশ্বরের হীরালাল কলেজ, দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকলেন অধ্যাপকরা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং