শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের এটিএম ভেঙে লক্ষ লক্ষ টাকা লুট করল দুষ্কৃতীরা। খবর পেয়ে পুলিশ গাড়ি নিয়ে ৪০ কিমি দুষ্কৃতীদের পিছু ধাওয়া করেছিল। কিন্তু দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। গভীর জঙ্গলের মধ্যে দুষ্কৃতীরা ওই দামি গাড়ি রেখে পালিয়ে যায় বলে খবর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ি এলাকায়। কত টাকা লুট হয়েছে? সেই প্রশ্ন উঠেছে। ওই রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের তরফে বিষয়টি খতিয়ে দেখে লুট হওয়া টাকার অঙ্ক জানানো হবে বলে খবর।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর, ময়নাগুড়ি ও লাটাগুড়ি জাতীয় সড়কের পাশে বোলবাড়ি বাজার এলাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাঙ্কের এটিএম আছে। সেখানে টাকা তোলার দুটি মেশিন আছে। গতকাল, শুক্রবার গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা সেখানে হানা দেয় বলে অভিযোগ। ওই এটিএমে কোনও প্রহরী ছিল না। সেই সুযোগে দুষ্কৃতীরা এটিএম ভাঙে। তিন থেকে চার জন দুষ্কৃতী এই হানা দিয়েছিল বলে খবর। প্রায় আধঘণ্টা ধরে চলে এই অপারেশন। এটিএমে দুষ্কৃতীরা হানা দিয়েছে, অনুমান করেন ওই বাড়ির মালিক।
তিনিই ময়নাগুড়ি থানায় খবর দেন। দ্রুত ময়নাগুড়ি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ততক্ষণে লক্ষ লক্ষ টাকা লুট করে গাড়ি নিয়ে চম্পট দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। বৈকুণ্ঠপুরের দিকে দুষ্কৃতীদের গাড়ি গিয়েছে বলে পুলিশ জানতে পারে। দুষ্কৃতীদের ধরতে পুলিশও পিছু ধাওয়া করে। গজলডোবার জঙ্গলে দুষ্কৃতীদের গাড়িটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশের অনুমান, দুষ্কৃতীরা পুলিশের তাড়া খেয়ে গভীর জঙ্গলে ওই গাড়িটি ফেলে রেখে পায়ে হেঁটে পালিয়েছে। পুলিশ দুষ্কৃতীদের ধরতে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে। দুষ্কৃতীরা কি ভিনরাজ্য থেকে হানা দিয়েছিল? সেই প্রশ্নও উঠেছে। ওই এটিএমে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতিদিন ট্রানজাকশন হয় বলে খবর। স্থানীয়দের অনুমান, মোটা অঙ্কের টাকা লুট হয়েছে। ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
সর্বশেষ খবর
-
তাইল্যান্ড-কলকাতা মাদক চালান! পর্যটক সেজে মারাত্মক ‘মলি’ পাচারে এসে গ্রেপ্তার দুই বিদেশিনী
-
দিনেদুপুরে যুবককে গাড়িতে তুলে চম্পট! সল্টলেকে ‘ফিল্মি কায়দা’য় অপহরণের কিনারা পুলিশের
-
‘ছাত্রক্ষোভ রাজনৈতিক ফায়দা তোলার হাতিয়ার’, রাহুল গান্ধীকে তোপ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
-
স্বাস্থ্য ভবনে পদোন্নতির ঝড়, মুখ্যমন্ত্রীর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের বড় প্রমোশন
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার