Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Malda

উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ

মানিকচক ঘাটে গঙ্গার জল চরম বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে। ইতিমধ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কমিউনিটি কিচেন খুলে তৈরি খাবার ও ত্রাণ সামগ্রী বিলির কাজ চলছে।

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ২৩:৫০

link
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬, ২৩:৫০

options
link
উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ zoom
ভাসলো মানিকচক ব্লকের ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম।
Advertisement

উথাল-পাথাল গঙ্গা। ভাসলো মানিকচক ব্লকের ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম। হাজার হাজার মানুষ জলবন্দি। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের তরফে আটটি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী মালদহ জেলা প্রশাসনের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে ক্ষয়ক্ষতি এবং বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মানিকচক ও রতুয়া এলাকায় ভাঙন রোধে এবং ত্রাণ বণ্টনে জোর দিয়েছেন। তবে এদিন পরিস্থিতি সরজমিনে খতিয়ে দেখতে কেশরপুর কলোনি এলাকায় যান রাজ্যের সেচ প্রতিমন্ত্রী জুয়েল মুর্মু, বিধায়ক গৌরচন্দ্র মন্ডল ও জেলা পুলিশ সুপার। দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে এলাকা পরিদর্শনের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে ত্রাণসামগ্রী ও খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন তাঁরা।

মালদহ জেলা প্রশাসনের কর্তারা জানান, ১৯টি গ্রাম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রায় ২ লক্ষ মানুষ নতুন করে জলবন্দি হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন। বহু ঘরবাড়ি ও চাষের জমি জলের নিচে তলিয়ে গেছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আটটি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। সেচ দপ্তর, পুলিশ ও প্রশাসন মিলে বালির বস্তা ফেলে জল আটকানোর এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে। স্থানীয় বিধায়ক ও জেলা প্রশাসন গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রেখেছেন। এবারের বন্যা ও ভাঙনে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিদর্শন শেষে সেচ প্রতিমন্ত্রী জানান, দুর্গতদের যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেজন্য প্রশাসন তৎপর রয়েছে। জলমগ্ন গ্রামগুলিতে নৌকা ও মেডিকেল টিমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বন্যা পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন সবরকমভাবে কাজ করছে। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মানিকচক ও রতুয়া ব্লক। মানিকচক ঘাটে গঙ্গার জল চরম বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে। ইতিমধ্যে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কমিউনিটি কিচেন খুলে তৈরি খাবার ও ত্রাণ সামগ্রী বিলির কাজ চলছে। সেচ দপ্তর সেখানে বালি ও বাঁশ দিয়ে অস্থায়ীভাবে বাঁধ মেরামতের চেষ্টা চালাচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে প্রবল জলোচ্ছ্বাসে ভূতনির কেশরপুর কালুটোনটোলা এলাকার নদী বাঁধ ও রিং বাঁধের একাংশ জলের তোড়ে ভেঙে যায়। বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে হু হু করে গঙ্গার জল ভূতনির সংরক্ষিত ও লোকালয় এলাকায় ঢুকতে শুরু করে। বিস্তীর্ণ এলাকার ঘরবাড়ি এবং চাষের জমি তলিয়ে যায়। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী জানান, গঙ্গা ভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধানের পথে হাঁটছে রাজ্য সরকার। এক থেকে দুই বছরের মধ্যে স্থায়ী সমাধান হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। বন্যা রোধ ও গঙ্গা ভাঙন রোধে এনডিএম (ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট) এবং রাজ্য তহবিলের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও অতিরিক্ত তহবিলের আবেদন জানানো হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.