Advertisement
Advertisement

সিঙ্গুরে প্রস্তাবিত কন্ডোম কারখানার দরজা খুলতে চায় কর্তৃপক্ষ

দিব্যেন্দু মজুমদার: টাটাদের গাড়ি কারখানার প্রক্রিয়া শুরু না হলে এতদিন উৎপাদন শুরু হয়ে যেত৷ সিঙ্গুরে প্রায় সাড়ে চার একর জমিতে কন্ডোম কারখানা গড়ার কাজ ৮৫ শতাংশ শেষ হয়ে গিয়েছিল৷ কিন্তু শেষমেশ আর আসেনি মালয়েশিয় সংস্থার মেশিন৷ বাস্তবের মুখ দেখেনি সে কারখানা৷ সুপ্রিম কোর্টের সিঙ্গুর রায়ের পর ফের কারখানা চালুর প্রস্তাব দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ৷ Advertisement প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক মানের […]

Authority of the the proposed condom factory willing to restart their project at singur
Published by: Sangbad Pratidin Digital
  • Posted:September 11, 2016 9:38 am
  • Updated:September 11, 2016 9:42 am

দিব্যেন্দু মজুমদার: টাটাদের গাড়ি কারখানার প্রক্রিয়া শুরু না হলে এতদিন উৎপাদন শুরু হয়ে যেত৷ সিঙ্গুরে প্রায় সাড়ে চার একর জমিতে কন্ডোম কারখানা গড়ার কাজ ৮৫ শতাংশ শেষ হয়ে গিয়েছিল৷ কিন্তু শেষমেশ আর আসেনি মালয়েশিয় সংস্থার মেশিন৷ বাস্তবের মুখ দেখেনি সে কারখানা৷ সুপ্রিম কোর্টের সিঙ্গুর রায়ের পর ফের কারখানা চালুর প্রস্তাব দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ৷

প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক মানের কন্ডোম কারখানা চালু করতে মুখ্যমন্ত্রী ও স্থানীয় বিধায়ক-মন্ত্রীদের চিঠি দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ৷ ফলে সরাসরি শ’খানেকের প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান যেমন হবে, তেমনই প্রচুর লোক নিয়োগ করা হবে মার্কেটিংয়ে৷ আসবে বিদেশি মুদ্রাও৷ কারখানা কর্তৃপক্ষের তরফে কৌশিক দাশগুপ্ত বলেছেন, “ওই জমিতে আমরা কারখানা গড়ে তুলতে ইচ্ছুক৷ ৯০ দিনের মধ্যে উৎপাদন শুরু হবে৷ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে খুব দ্রুত চিঠি দেওয়া হবে৷ আবেদন জানানো হবে গোপালনগর পঞ্চায়েত-সহ স্থানীয় বিধায়ক, জেলাশাসক, পঞ্চায়েতমন্ত্রী ও শিল্পমন্ত্রীর কাছেও৷” কৃষকরা জমি ফিরে পেলে যে আর কোনও সমস্যা থাকবে না, মানছেন তিনি৷

Advertisement

বাম সরকারের আমলে ২০০৬ সালে সিঙ্গুরে টাটার কারখানার জন্য জমি অধিগ্রহণের ফলে বেশ কয়েকটি শিল্পের ভবিষ্যৎও নষ্ট হয়েছিল বলে মনে করেন স্থানীয় মানুষ৷ অধিগৃহীত একটি জমিতে আগে থেকেই গড়ে উঠছিল আন্তর্জাতিক মানের কন্ডোম কারখানা৷ মালয়েশিয়া থেকে পাঁচটি মেশিন বসানোর পর মাস খানেকের মধ্যে উৎপাদন শুরু হওয়ার কথা ছিল৷ কিন্তু তার আগেই ওই কারখানা-সহ জমি অধিগ্রহণ করায় কন্ডোম কারখানার ভবিষ্যৎ অন্ধকারে চলে যায়৷ মালয়েশিয়ার রিখটার রবার টেক লিমিটেড কোম্পানির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে সেখানে কৈলাস রিখটার রবার টেক প্রাইভেট লিমিটেড কারখানা গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়৷ পাঁচটি মেশিন বসিয়ে উৎপাদনের অপেক্ষায় ছিল কারখানা কর্তৃপক্ষ৷ প্রস্তাবে ছিল, মাসে প্রায় ৬০ লক্ষ উন্নতমার কন্ডোম তৈরি হবে৷ ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকায় তা রফতানি করার কথা ছিল৷ সরকারিস্তরে দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ, ড্রাগ কণ্ট্রোল, পঞ্চায়েত দফতরের কাছ থেকে আইনমাফিক অনুমোদনও নেওয়া ছিল বলে কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর৷ জমি অধিগ্রহণের পর কর্তৃপক্ষ জেলা সিপিএম নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করে৷ কাজ হয়নি৷ শিল্পোন্নয়ন নিগম বিকল্প হিসাবে ফলতা, রিষড়া, শ্রীরামপুরে জমি দেখায়৷ কিন্তু আন্তর্জাতিক মানের কন্ডোম কারখানা গড়তে দূষণমুক্ত অঞ্চল জরুরি৷ কর্তৃপক্ষের দাবি, নিগমের তরফ থেকে ঠিক করে দেওয়া দালাল লক্ষাধিক টাকা প্রতারণা করে৷ সেই দালালের বিরু‌দ্ধে মামলা চলছে আদালতে৷ এর আগে জমিতে পাঁচিল দেওয়ার সময়ও এক বর্গাদারকে মোটা অঙ্কের টাকা ক্ষতিপূরণ হিসাবে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ৷

Advertisement

 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ