Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Baidyabati

‘বিস্ফোরণ হলে যদি ও বাইরে আসে’, প্রেমিকার সাক্ষাৎ পেতে ইউটিউব দেখে বোমা বানালেন যুবক!

বোমা মারার অভিযোগে চরজনকে গ্রেফতার করল শ্রীরামপুর থানার পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০২৫, ১৪:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩১, ২০২৫, ১৪:৫২

options
link
‘বিস্ফোরণ হলে যদি ও বাইরে আসে’, প্রেমিকার সাক্ষাৎ পেতে ইউটিউব দেখে বোমা বানালেন যুবক! zoom
ছবি: স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ

সুমন করাতি, হুগলি: মনোমালিন্যে ফোন তুলছেনা প্রেমিকা। দেখা করতে নতুন ফন্দি প্রেমিকের। বোমার শব্দে প্রেমিকা যদি বেরিয়ে আসে বারান্দায়,তাহলে কথা হবে। এমনই আশায় ইউটিউব দেখে বোমা বেঁধে পুলিশের জালে এক যুবক এবং তাঁর তিন বন্ধু। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে শ্রীরামপুর থানা।

গত ২৮ অক্টোবর ছটপুজোর মধ্যরাতে বৈদ্যবাটির মালির বাগান এলাকায় এক্তি বাড়ীর দেওয়ালে বোমা ছোঁড়া হয়। সিসিটিভি ক্যামেরায় সেই ছবি ধরা পরে। বোমার আঘাতে ভেঙে যায় জানালার কাঁচ। ঘটনার তদন্তে নামে শ্রীরামপুর থানার পুলিশ। যে বাড়ির দেওয়ালে বোমা মারা হয়েছিল সেখানকার বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। কিন্তু কোনও সূত্র পাওয়া যায়নি। এরপরেই এলাকার লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। পাশাপাশি, সিসিটিভির ফুটেজে একটি বাইকের ছবি দেখে তার সন্ধান শুরু করে পুলিশ।

Advertisement

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,মালিরবাগানের যে এলাকায় বোমাবাজি হয় সেখানেই এক তরুণীর সঙ্গে চাঁপদানীর যুবক সাগর মালিকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্কে অবনতি হওয়ায় বেশ কিছুদিন ধরেই দু’জনের মধ্যে বন্ধ ছিল দেখা-সাক্ষাৎ। পাশাপাশি, সাগরের ফোন ধরা বন্ধ করে দেয় ওই তরুণী। এরই মাঝে বন্ধুদের মারফত সাগর জানতে পারে অন্য এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে প্রেমিকার।

সম্পর্কে থাকার সময় ভিডিও কলে প্রেমিকার বাড়ির এলাকা দেখে নেয় সাগর। সেই সূত্রেই প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টায় নতুন ফন্দি আঁটে সে। বন্ধুদের সঙ্গে আলোচনা করে ইউটিউব দেখে বোমা বানানো শেখে সাগর। ইচ্ছা ছিল, বোমা ফাটার আওয়াজে তরুণী বারান্দায় এলে তাঁর সঙ্গে কথা হবে। এরপরেই ছট পুজোর রাতে চার বন্ধু পৌঁছে যায় মালির বাগান এলাকায়। এতটাই জোরে বোমা ফাটার শব্দ হয় তাঁরা নিজেরাই ভয়ে পালিয়ে যায় এলাকা ছেড়ে।

ওই তরুণীর সঙ্গে সাগরের সম্পর্কের কথা জানতে পেরে খোঁজ শুরু করে পুলিশ। পাশাপাশি বাইকের নম্বর দেখে শুরু হয় তল্লাশি। সাগর এবং তাঁর বন্ধুদের বাড়ি গিয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। জানা যায়, ঘটনার পর থেকেই পলাতক তাঁরা। মোবাইল টাওয়ারের সূত্র ধরে ব্যারাকপুর থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, ঘটনার পরে চার বন্ধুই কল্যাণীতে পালায়। পুলিশ জানিয়েছে ধৃত সাগর মালিক, প্রিন্স যাদব, প্রণীত পাল এবং আয়ুস যাদবের বয়স ১৮ থেকে ২০ বছরের মধ্যে। শুক্রবার তাঁদের শ্রীরামপুর আদালতে পেশ করা হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.