Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

লাইসেন্স ছাড়াই চলছে হোটেল-রেস্তরাঁ, বালুরঘাট পুরসভার বিরুদ্ধে ক্ষোভ আধিকারিকদের

খাদ্যসুরক্ষা আধিকারিকরা সতর্ক করলেন হোটেল-রেস্তরাঁর মালিকদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৮, ১৫:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৮, ১৫:২১

options
link
লাইসেন্স ছাড়াই চলছে হোটেল-রেস্তরাঁ, বালুরঘাট পুরসভার বিরুদ্ধে ক্ষোভ আধিকারিকদের zoom

রাজা দাস, বালুরঘাট: পরিকাঠামোহীন বালুরঘাট শহরের অধিকাংশ রেস্তরাঁ ও হোটেলের রান্নাঘর। অধিকাংশর নেই প্রয়োজনীয় লাইসেন্স। মাংসের নমূনা সংগ্রহ করতে গিয়ে পুরসভার বিরুদ্ধে ক্ষোভ খাদ্যসুরক্ষা আধিকারিকের। সতর্ক করা হল রেস্তরাঁ ও হোটেল মালিকদের।

[প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে কিশোরীকে ‘অপহরণ’, পাশে দাঁড়িয়ে গ্রেপ্তার প্রতিবেশী]

সম্প্রতি ভাগাড় কাণ্ড সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে খাদ্যসুরক্ষা দপ্তর। দেরিতে হলেও দক্ষিণ দিনাজপুরে শুরু হয়েছে হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অভিযান। জেলার সদর শহর বালুরঘাটে প্রথম অভিযান চালানো হচ্ছে। বালুরঘাট পুরসভা ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরকে নিয়ে এই অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিন জেলা, মালদা, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের দায়িত্বে থাকা খাদ্যসুরক্ষা আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না। ইতিমধ্যে শহরের বেশ কয়েকটি রেস্তোরাঁতে হানা মারেন তিনি। প্রাইভেট বাসস্ট্যান্ড এলাকার কয়েকটি হোটেল রেস্তরাঁতে মাংসের নমূনা সংগ্রহ করতে গিয়েই চক্ষু চড়কগাছ আধিকারিকের। সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ রয়েছে সেখানকার রান্নাঘরগুলির। নেই সুস্থ পরিকাঠামো। পাশাপাশি, প্রয়োজনীয় ফুড সেফটি লাইসেন্স মেলেনি অধিকাংশদের। অথচ বছরে, যে সমস্ত রেস্তরাঁ ১২ লক্ষ টাকার বেশি কারবার করে তাদের ২ হাজার টাকা ব্যয়ে ফুড সেফটি লাইসেন্স নেওয়া আবশ্যিক। এরপরেই ক্ষোভে ফেটে পরেন খাদ্যসুরক্ষা আধিকারিক। পুরসভার নজর এড়িয়ে কিভাবে এই হোটেল ও রেস্তরাঁ পরিকাঠামোহীন রান্নাঘরে রান্নাবান্না করে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। এই ব্যাপারে পুরসভা কর্তৃপক্ষ তথা চেয়ারম্যান রাজেন শীল ও অনান্যদের প্রতিনিয়ত নজর রাখতে বলেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[প্রকাশ্যে ধূমপান নিষিদ্ধ মুর্শিদাবাদে, ধরা পড়লেই জরিমানা ২০০ টাকা]

তিন জেলার দায়িত্বে থাকা খাদ্যসুরক্ষা আধিকারিক বিশ্বজিৎ মান্না জানান, রান্নাবান্না, বাসন পরিষ্কার, এঁটো আবর্জনা ফেলার জায়গা সম্পূর্ণ অস্বাস্থ্যকর। নেই অন্যান্য পরিকাঠামো। এমনকি যাঁদের বড় হোটেল ও রেস্তরাঁ রয়েছে, তাঁদের নেই ফুড সেফটি লাইসেন্স। তারা শুধূমাত্র ১০০ টাকার রেস্টিস্ট্রেশন দিয়েই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। তাই সঠিক পরিকাঠামো এবং সরকারি নিয়মানুসারে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে রেস্তরাঁ ও হোটেলগুলিকে। তিন জেলার দায়িত্ব একসঙ্গে পালন করতে তাদের কিছুটা সমস্যা রয়েছে। স্থানীয় পুরসভা যাতে প্রতিনিয়ত এখানকার সমস্ত রেস্তরাঁ ও হোটেলে নজর রাখে, তা বলা হয়েছে। এখন থেকে তাঁরা নিয়মিত হানা দেবেন বলে জানান আধিকারিক। বালুরঘাট প্রাইভেট এলাকার একটি নামকরা হোটেলের মালিক বাপ্পা সাহা বলেন, এই ব্যাপারে কি নিয়ম আছে তা তিনি জানতেন না। তবে খাদ্যসুরক্ষা আধিকারিকের নির্দেশ অনুযায়ী পরিকাঠামো ও অন্যান্য সরকারি নিয়মকানুন মানবেন। বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান রাজেন শীল জানান, মানুষের খাদ্য সুরক্ষায় তারা এখন থেকে নিয়ম করে হানা মারবেন হোটেল রেস্তরাঁয়। এই ব্যাপারে কথা হয়েছে খাদ্যসুরক্ষা দপ্তরের সঙ্গে।

[‘তুচ্ছ’ কারণে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রকে বেধড়ক মার শিক্ষকের, জ্ঞান হারাল পড়ুয়া]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.