সঞ্জিত ঘোষ, নদিয়া: বাংলা বাঁচাও যাত্রার (Bangla Bachao Yatra) প্রচারে বেরিয়ে আক্রান্ত সিপিএম কর্মীরা। ভাঙচুর চালানো হল গাড়িতে। এমনকী বাম পতাকা, ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। শুধু তাই নয়, বামকর্মীদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। যা নিয়ে রবিবার রাতে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল শান্তিপুরের হরিপুর অঞ্চল। অভিযোগ, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা জড়িত। যদিও শাসকদলের তরফে এহেন অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। তৃণমূলের নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে বলেও দাবি স্থানীয় নেতৃত্ব। ইতিমধ্যে শান্তিপুর থানায় সিপিআইএমের (CPIM) এরিয়া কমিটির পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ, প্রচার অভিযান চলাকালীন হঠাৎ করেই তাঁদের গাড়ির সামনে একাধিক টোটো দাঁড়িয়ে পড়ে। যার প্রতিবাদ করতেই শুরু হয় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ। শুধু তাই নয়, টোটোর চালকরা হঠাৎ করেই ড্রাইভারের উপর হামলা করে বলে অভিযোগ। ভাঙচুর চালানো হয় গাড়িতেও। খুলে দেওয়া হয় গাড়িতে লাগানো ব্যানার থেকে শুরু করে দলীয় পতাকাও। বাধা দিতে গেলে বামকর্মীদেরও বেধড়ক মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। যা নিয়ে পরিস্থিতি একেবারে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। এই অবস্থায় আশেপাশের বাড়িতে কোনরকমে বামকর্মীরা পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন বলে বলে দাবি।
সিপিএমে দাবি, রাজ্য এবং কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার জন্যেই এই ঘটনা। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এর সঙ্গে যুক্ত বলেও দাবি। যদিও তৃণমূল টোটো চালক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। এহেন ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল কোনওভাবেই যুক্ত নয় বলেও দাবি। নেতৃত্বের কথায়, যেকোনো দলের পতাকা ছেঁড়া কিংবা প্রচারে বাধা দেওয়া অন্যায়। কারা এর সঙ্গে যুক্ত খতিয়ে দেখুক পুলিশ। অন্যদিকে স্থানীয় তৃণমূল বুথ সভাপতিও বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি নিছক পথ চলতি গাড়ি চালকদের বিষয়। এর মধ্যে রাজনৈতিক কোন যোগ নেই।
সর্বশেষ খবর
-
পাঁশকুড়া ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পাচার! দুর্নীতিদমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার দালাল, কতদূর ছড়িয়ে জাল?
-
জেরায় একাধিক অসঙ্গতি, তারাপীঠ অগ্নিকাণ্ডে গ্রেপ্তার হোটেল মালিকের ছেলে
-
মুসলিমদের জন্য কেন আলাদা বেসিন! মার্কিন বিমানবন্দরের প্রস্তাব পত্রপাঠ খারিজ টেক্সসের গভর্নরের
-
আশিসের মৃত্যুর তদন্তে ফরেনসিক টিম-তৎপর সিআইডি, নজরে টিআরডিএ-র পুরনো দুর্নীতির অভিযোগও
-
‘হাম দো হামারে দো’, এবার দু’য়ের বেশি সন্তান ঠেকাতে আইন আনছে স্বাস্থ্যদপ্তর!