Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৫ জুন ২০২৬
Banglar Durga Puja

দুর্গাপুজোয় সম্প্রীতির বার্তা দেবে দিঘার জগন্নাথ ধামের আদলে তৈরি টাকির মণ্ডপ

পুজোর ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন টাকি পুরসভার উপপুরপ্রধান ফারুক গাজি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ১০:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ১০:৪৭

options
link
দুর্গাপুজোয় সম্প্রীতির বার্তা দেবে দিঘার জগন্নাথ ধামের আদলে তৈরি টাকির মণ্ডপ zoom
নিজস্ব ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্গাপুজোয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাতাবরণ তৈরি করে নজির টাকিতে। যেখানে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মানুষ এক হয়ে মেতেছেন অকালবোধনে। একাধিক জায়গায় মানুষের মধ্যে হানাহানি, যুদ্ধ লেগেই রয়েছে। ঠিক সেই সময়ই সম্প্রীতির সুরে মাতল ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী শহর টাকি।

এই ছবি দেখা যাচ্ছে বসিরহাটের ইচ্ছামতী নদীর পাশে ছোট্ট শহর টাকিতে। টাকি পুরসভার পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডে পুজোর আয়োজন করেছে মধুসূদন মন্দির কমিটি। তাঁদের উদ্যোগে এটাই প্রথম বছরের দুর্গাপুজো। সেই পুজোয় এবারের থিম দিঘার জগন্নাথ ধাম। সেখানেই দেখা যাচ্ছে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক দৃষ্টান্তমূলক ছবি। মন্দির কমিটির পুজো হলেও সমগ্র পুজোর ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন টাকি পুরসভার উপপুরপ্রধান ফারুক গাজি। তাঁর নেতৃত্বেই টাকিতে দিঘার জগন্নাথ ধামের আদলে তৈরি হওয়া মণ্ডপে ভিড় জমাতে চলেছেন দর্শকরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Banglar Durga Puja taki pandal to show communal harmony
দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের আদলে তৈরি টাকির পুজো মণ্ডপ

পুজো কমিটিতে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের পাশাপাশি, মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। এই বিষয়ে ফারুক গাজি বলেন, “আমি টাকি পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান। আমার কাছে সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষই এক। আমি নিজে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ হওয়া সত্ত্বেও টাকির সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমি বদ্ধপরিকর। কারণ দিকে দিকে যেভাবে সাম্প্রদায়িক হানাহানির ছবি উঠে আসছে, তার থেকে মানুষকে সরিয়ে রেখে সুস্থ সমাজ গড়ার লক্ষ্যেই এই প্রচেষ্টা।” তিনি আরও বলেন, এই মধুসূদন মন্দিরটি তিন থেকে চারশ বছর পুরনো। পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ভগ্নপ্রায় দশায় পরিণত হয়েছিল। আমি নিজে উদ্যোগী হয়ে এই মন্দিরটিকে সংস্কার করি।”

অন্যদিকে, মধুসূদন মন্দির ও পুজো কমিটির সভাপতি কান্তি রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অন্যতম পীঠস্থান এই টাকি। যেখানে এক মুসলিম সম্প্রদায়ের ভাইস চেয়ারম্যানের ব্যবস্থাপনায় দীঘার জগন্নাথ ধামের আদলে তৈরি করা মন্ডপে পুজিত হবেন মা দুর্গা। আমরা এই পুজোর মধ্য দিয়ে মানুষকে শান্তির বার্তা দিতে চাই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.