Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ৮ জুলাই ২০২৬

ট্রেড লাইসেন্স নবীকরণে নয়া পদক্ষেপ বাঁকুড়া পুরসভার

সিদ্ধান্তে খুশি ব্যবসায়ীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০১৮, ২০:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৮, ২০১৮, ২০:০৩

options
link
ট্রেড লাইসেন্স নবীকরণে নয়া পদক্ষেপ বাঁকুড়া পুরসভার zoom

টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: হয়রানি কমিয়ে এবার থেকে তিনি বছরে একবার ট্রেড লাইসেন্স ফি নেবে বাঁকুড়া পুরসভা। জুতোর শোল খোয়ানোর দিন শেষ হতে চলেছে এই পুরসভা এলাকার ব্যবসায়ীদের। ২৫ দিন নয় এখন থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে ট্রেড লাইসেন্স রিনিউয়াল করবে বাঁকুড়া পুরসভা। অন্তত এমনটাই দাবি বাঁকুড়া পুরসভার উপ-পুরপ্রধান দিলীপ আগরওয়ালের। তার কথায়, তৃণমূল সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন নাগরিক পরিষেবার মতই পুরসভা এলাকার ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স পাওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি কমানোর উদ্যোগ নেয়। সেই উদ্যোগগুলির মধ্যে অন্যতম হল তিনবছরে একবার ট্রেড লাইসেন্স ফি নেওয়ার নির্দেশ।

[অ্যাকাউন্টে নেই মিনিমাম ব্যালেন্স, কন্যাশ্রী ভাতার টাকাই কাটছে ব্যাংক]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালে রাজ্যের পুর ও নগর উন্নয়ন দপ্তর, একটি নির্দেশ জারি করে পুরসভাগুলিকে জানিয়ে ছিল যে ছোট ছোট পুরসভাগুলিতেও নানান লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে হয়রানি কমাতে হবে, নিয়ম সরল করতে হবে। সেই নির্দেশিকা মেনে চলতি বছর এপ্রিল মাস থেকেই এই বাঁকুড়া পুরসভা এলাকার ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে তিন বছরের একসাথে ট্রেড লাইসেন্স ফি নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই এই পুরসভা এলাকার ব্যবসায়ী সংগঠনগুলিকে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। শহরজুড়ে মাইকিং করা হয়েছে। পুরসভার এই সিদ্ধান্তে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন এই পুর এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের একাংশ। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ ব্যবসায়ী পুরসভার এই সিদ্ধান্তে খুশি। তারা বলছেন মান্ধাতা আমলের নিয়ম বদলে সরলীকরণ করছে সরকার। এতে হয়রানি কমবে ব্যবসায়ীদের। জুতোর তলা আর খোয়াতে হবে না আমাদের।

পরিসংখ্যান অনুসারে ২০১৫-১৬ আর্থিক বর্ষে বাঁকুড়া পুরসভায় ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ সংখ্যা ছিল ২৪২২। নতুন করে তালিকা ভূক্ত করা হয়েছিল তার সংখ্যা ছিল ৭১২। ২০১৬-১৭ আর্থিক বর্ষে নবীকরণের সংখ্যা ২৪৬৮। নতুনকরে তালিকা ভূক্ত হয়েছিলেন ৫৪৩ জন। ২০১৭-১৮ আর্থিক বর্ষে ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করার আগ্রহ বেড়েছে কয়েক গুণ। এই আর্থিক বর্ষে এই পুরসভায় ২৭০০ ট্রেড লাইসেন্স রিনিউ করা হয়েছে। নতুন করে তালিকা ভূক্ত হয়েছেন ৬০০ জন। এতে করে এক্ষেত্রে আয় বাড়ছে । দিলীপ বাবু বলছেন এক্ষেত্রে ২০১৬-১৭ আর্থির বর্ষে পুরসভার আয় হয়েছিল সাড়ে ২৭ লক্ষ টাকা। ২০১৭-১৮ আর্থিক বর্ষে তা বেড়ে দাড়িয়েছে ৩৩ লক্ষ টাকায়। ২০১৮-১৯ আর্থিক বর্ষে এপ্রিল মাস থেকে ছোট দোকানের ক্ষেত্রে ফি নেওয়া হবে ৩০০-৫০০ টাকা, নার্সিংহোম, ওষুধের দোকান, প্যাথলজি ল্যাবগুলির ক্ষেত্রে এই ফি নেওয়া হবে ৪৫০০ থেকে ৬০০০ টাকা, বিভিন্ন কোম্পানির শো-রুমের ক্ষেত্রে এই ফি বাবদ নেওয়া হবে ২৫০০ টাকা।

[রাম নবমীতে রায়গঞ্জে অস্ত্র মিছিল, গ্রেপ্তার বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.