Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬

কংগ্রেসের হাত ধরতে ইয়েচুরির পাশেই বঙ্গ সিপিএম

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে এপ্রিলে হায়দরাবাদের পার্টি কংগ্রেসে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ১১:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০১৯, ১১:৩৭

options
link
কংগ্রেসের হাত ধরতে ইয়েচুরির পাশেই বঙ্গ সিপিএম zoom

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠকে কারাটপন্থীদের কাছে গোহারার পরেও রাজ্য সম্মেলনের শুরুতেই জোটের সুরই বেঁধে দিলেন সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। গোটা দেশের সাম্প্রতিক সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি উল্লেখ করে সীতারাম সাফ জানিয়েছেন, “বিজেপিকে ঠেকাতে জোটই একমাত্র রাস্তা।” রাজ্য সম্মেলনের প্রতিনিধিদের তিনি বলেন, “জোট অনিবার্য।” তবে এই বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে এপ্রিলে হায়দরাবাদের পার্টি কংগ্রেসে।

[‘আমরাও সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি, কিন্তু মূর্তি ভাঙিনি’]

সীতার বেঁধে দেওয়া সুরেই উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। সম্মেলনে বীরভূমের প্রতিনিধি বলেন, “রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের জানা উচিত, কংগ্রেসের সঙ্গে জোট না হলে ভোটই করতে দিত না। কোনওরকম প্রচার হত না। সম্মিলিত শক্তি দেখানো গিয়েছিল। শাসক দল কিছুটা হলেও ভয় পেয়েছিল।” উত্তর ২৪ পরগনার উত্তর দমদমের বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য সম্মেলনে জোটের পক্ষে জোরদার সওয়াল করে বলেন,“আমি অস্বীকার করতে পারি না, আমার জয়ের পিছনে কংগ্রেসের অবদান নেই। বাম সমর্থকদের পাশাপাশি কংগ্রেসের ভোট ছিল বলেই আমি বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছি।” এই জয়ের কৃতজ্ঞতা স্বরূপ কংগ্রেসের মিছিলে গিয়েছিলাম। সেই জন্য পার্টির রাজ্য নেতৃত্ব আমার সমালোচনাও করেছিল। ঝাড়গ্রামের প্রতিনিধি পার্থ যাদব সম্মেলনে ত্রিপুরার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে বলেন, “ইতিমধে্যই বিজেপির বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই দেওয়ার জন্য তৃতীয় বা চতুর্থ ফ্রন্ট তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলও তৃতীয় ফ্রন্ট গঠনের পক্ষে কাজ শুরু করেছে। তবে তার মানে এই নয় যে সিপিএমকেও এখনও এই ইসু্যতে কাজ শুরু করতে হবে। কিন্তু বিজেপিকে ঠেকাতে সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে চলতে হবে।” পার্থ যাদবের প্রশ্ন পার্টিকে এখনই ঠিক করতে হবে কে প্রধান শত্রু?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[ত্রিপুরায় খান খান লেনিনের মূর্তি, টুইট করে বিতর্কে রাজ্যপাল তথাগত রায়]

সম্মেলনে প্রায় সব প্রতিনিধি সীতার দেখানো জোটের পক্ষে বক্তব্য রাখলেও উল্টো সুরে যুক্তি সাজিয়েছেন বর্ধমানের অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়। অপূর্ববাবুর যুক্তি, “জোট হলেও অনেক জায়গায় কংগ্রেসের ভোট পার্টির প্রার্থীরা পাননি। তাঁরা জোটের প্রার্থীকে ভোট না দিয়ে তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন। নিজেদের শক্তি না বাড়িয়ে জোট করায় যা হওয়ার তাই হয়েছে।” জোট নিয়ে আলোচনার মাঝেই আসন্ন পঞ্চায়েত ভোটে কী করে ‘টিকে’ থাকা যায় তা নিয়েও বির্তক হয়েছে। বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিদের বক্তব্যের সারবত্তা হল, পার্টি থেকে নিষ্ক্রিয় সদস্য খানিকটা সরানো সম্ভব হলেও পঞ্চায়েত ভোটে সব জায়গায় সব স্তরে প্রার্থী দেওয়ার মতো অবস্থা এখনও তৈরি হয়নি। ফলে পার্টির শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি এখন থেকেই প্রার্থী বাছাইয়ের কাজও শুরু করা দরকার। তবে সিপিএমের মাথাব্যথা ‘দলবদলুরা’। পার্টির চিহ্নে জিতলেও তাঁরা যদি দলবদল করে তবে কী ভাবে সামাল দেওয়া যাবে তা নিয়েই চুলচেরা বিতর্ক চলছে রাজ্য সম্মেলনে।

ছবি- আশুতোষ পাত্র

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.