Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Neeraj Zimba Raju Bista

মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়ে ক্ষুব্ধ গোর্খারা! প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দার্জিলিংয়ের বিধায়কের

গোর্খাদের গুরুত্বই দিচ্ছে না বিজেপি, মত বিজেপিরই টিকিটে জিতে আসা বিধায়কের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২১, ১১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০২১, ১১:২৪

options
link
মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়ে ক্ষুব্ধ গোর্খারা! প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দার্জিলিংয়ের বিধায়কের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়ে এবার অসন্তোষ এরাজ্যেও। দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু সিং বিস্তাকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় শামিল না করায় গোটা গোর্খা জনজাতি হতাশ। এমনটাই দাবি বিজেপির টিকিটে জিতে আসা বিধায়ক নীরজ জিম্বার। ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) নিজের অসন্তোষ জানিয়ে চিঠি লিখেছেন নীরজ (Niraj Jimba)।

নীরজ জিম্মা আসলে জিএনএলএফের নেতা। লোকসভা ভোটের পরে ২০১৯ সালে দার্জিলিং আসনের উপনির্বাচনে বিজেপির টিকিটে লড়ে বিধায়ক হন নীরজ। এরপর ২০২১ সালেও বিজেপির টিকিটেই বিধায়ক হন তিনি। যদিও নীরজ এখনও গোর্খা ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট বা জিএনএলএফের হয়ে কাজ করেন। GNLF নেতা মন ঘিসিংয়ের ঘনিষ্ঠ তিনি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদল নিয়ে তাঁর অসন্তোষের মূল কারণ দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু সিং বিস্তাকে শামিল না করা। প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে জিম্বা বলছেন,”মন্ত্রিসভার রদবদলে রাজু সিং বিস্তার মতো যোগ্য প্রার্থীকে বাদ রাখায় দার্জিলিংয়ের মানুষের মনে ক্ষোভ জমেছে। সেই ২০০৯ থেকে দার্জিলিং থেকে বিজেপি সাংসদ পাচ্ছে। রাজু সিং বিস্তা (Raju Singh Bista) এই এলাকায় উন্নয়নের কাজ করছেন। দার্জিলিং জেলার সবকটি আসন তিনি BJP-কে জিতিয়েছেন। তাছাড়া তরাই-ডুয়ার্স অঞ্চলের আরও ১০টি আসনে তাঁর প্রভাব রয়েছে। এই ধরনের ব্যক্তিকে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়ায় গোর্খারা হতাশ।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: কে হবেন বিজেপির রাজ্যসভার দলনেতা? মন্ত্রিসভার রদবদলের পর শুরু জল্পনা]

নীরজ জিম্বার দাবি, আজ পর্যন্ত দার্জিলিংয়ের মানুষ বিজেপিকে পুরোপুরি বিশ্বাস করে এসেছে। অথচ, সংকল্প যাত্রার মাধ্যমে পাহাড়ের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা পূরণের লক্ষ্যে কোনও পদক্ষেপই করেনি। আমাদের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিতে ধুলো জমছে। কোথাও একটা রাজনৈতিক ইচ্ছার অভাব চোখে পড়ছে। জিম্বার এই চিঠি পাহাড়ের রাজনীতির প্রেক্ষিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে গোর্খারা বিজেপির উপর ভরসা রেখেছে। এখনও পৃথক রাজ্যের দাবি নিয়ে ‘টু’ শব্দ করেনি বিজেপি সরকার। পূরণ হয়নি অন্য বেশ কয়েকটি দাবিও। যার ফলে পাহাড়বাসীর মনে অসন্তোষ জমছে। তারই বহিঃপ্রকাশ এই চিঠি। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.