৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: বুধবার সকালেই প্রতিটি থানায় তাদের এলাকার ভিলেজ পুলিশদের ডেকে নেওয়া হল। দুপুর পর্যন্ত বসিয়ে রেখে, কোথাও কোথাও দুপুরে ভাত-মাছের ঝোল খাইয়ে তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হল। কিন্তু প্রাক পুজোয় থানার এত আদর যত্ন কেন! আসলে দুপুরে থানায় ডেকে বসিয়ে রেখে ভিলেজ পুলিশদের কালীঘাট অভিযান ভেস্তে দিল জেলা পুলিশ কর্তারা। থানায় ডাক পেয়ে সে কথা বুঝেছিল গ্রামীণ পুলিশরা। তাই আগামী অভিযান নিয়ে এবার তারা গোপনীয়তা বজায় রাখতে চাইছে। কারণ তাদের ছুটি দরকার। সঙ্গে নতুন বেতনক্রমের আবেদন করবে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে।

[আরও পড়ুন: খুন হওয়ার আগে প্রেমিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত কাটিয়েছিল রাজেশ, নদিয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য]

তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর পঞ্চায়েত ভিত্তিক একজন করে ভিলেজ পুলিশ নিয়োগ করে। সেই হিসাবে বীরভূমে ১৬৭ জনকে নিয়োগ করা হয়। তাদের প্রতিদিন ৩১০ টাকা করে সাম্মানিক দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন থেকেই একই সাম্মানিকে কাজ করে চলেছেন ভিলেজ পুলিশরা। তিন মাস অন্তর দুদিন করে চাকরির ছেদ। যাতে ভবিষ্যতে তাঁরা স্থায়ী পদের দাবি করতে না পারে। বেতন না পেলেও তাঁদের ছুটি মেলে না। তাই তলে তলে বুধবার কালীঘাটে গিয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে শুরু করে তাঁরা। সেই খবর আগাম পৌঁছে যায় গোয়েন্দা দপ্তরের হাতে। এরপরেই বুধবার সকালে জেলার প্রতিটি থানায় ভিলেজ পুলিশদের ডেকে থানায় বসিয়ে রাখা হয়। দুপুরের দিকে তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভিলেজ পুলিশকর্মী বলেন, “আমরা প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত গ্রামে গ্রামে ঘুরে খবর সংগ্রহ করে থানায় জানাই। এর ফলে গ্রামে অপরাধ অনেকাংশে কমেছে। কিন্তু আমাদের সাম্মানিক এক টাকাও বাড়ায়নি। মেলেনি ডিএ। তাই আমরা আন্দোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। ঠিক ছিল সরাসরি কালীঘাটে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বলার। কিন্তু কৌশলে আমাদের আটকে দেওয়া হল।” তবে থানায় ডাকলেও সারাদিন শেষে কোথাও কোথাও দুপুরে মাছভাতের আপ্যায়ণ করে ছেড়েছেন আইসি, ওসিরা।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং