১৫  আষাঢ়  ১৪২৯  শুক্রবার ১ জুলাই ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

গ্রাম পঞ্চায়েতের হাত ধরে বিশ্বসেরার তকমা বাংলার মুকুটে

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: March 6, 2017 6:39 am|    Updated: March 6, 2017 7:00 am

Bengal tops World Bank's chart of Panchayat based developmental work

ছবি: ফাইল

ক্ষীরোদ ভট্টাচার্য এবার বিশ্বসেরার শিরোপা বাংলার মাথায়। রুটিনমাফিক কাজের বাইরে গিয়েও গ্রামের মানুষের উন্নয়নে এ রাজ্যের পঞ্চায়েতগুলি যে কাজ করেছে, তার নিরিখেই বিশ্ব ব্যাঙ্ক পশ্চিমবঙ্গকে এই সম্মান দিয়েছে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের কথায়, ই-গভর্ন্যান্স, পরিচালনা ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নজির তৈরি করার জন্যই বাংলার এই সম্মান। বিশ্ব ব্যাঙ্কের মতে, সক্ষমতা, সাবলীলতা ও স্বচ্ছতায় বিশ্বের যে কোনও প্রতিষ্ঠানের শীর্ষে রয়েছে এরাজ্যের পঞ্চায়েতগুলি। আর গত ৬ বছর ধরে এই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে এ রাজ্যে।

বেপরোয়া গাড়ি, প্রতিবাদ করায় প্রহৃত টলিউড অভিনেতা

সামগ্রিকভাবে এক্ষেত্রে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে বাংলার পঞ্চায়েতকে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের ভাইস প্রেসিডেণ্ট অ্যানিটি ডিক্সন সম্প্রতি রাজ্য সরকারকে চিঠি দিয়ে নিজেদের অভিমত স্পষ্ট করেছেন৷  রাস্তাঘাট, পানীয় জলের জোগান বা নিকাশির মতো দৈনন্দিন কাজ তো রয়েছেই। কিন্তু গ্রামের মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নতিতে বাংলার গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি কেমন কাজ করছে, তা বিস্তারিত জানতে সমীক্ষা করেছিল বিশ্ব ব্যাঙ্ক৷ পঞ্চায়েত দফতরের এক যুগ্ম সচিবের কথায়,“তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় সমীক্ষা হয়েছিল৷ রিপোর্ট জমা পড়েছিল বিশ্ব ব্যাঙ্কের দফতরে৷ রিপোর্ট খতিয়ে দেখেই এই স্বীকৃতি৷” পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় বিশ্ব ব্যাঙ্কের এই সার্টিফিকেটে খুশি৷ তিনি বলেন, “এখনও অনেক কাজ বাকি৷ এই সম্মান সেই কাজে আরও উৎসাহ জোগাবে৷”

সীমান্তে উচ্চতম তেরঙ্গা ওড়াল ভারত, ‘চরবৃত্তি’ মনে করছে পাকিস্তান

পঞ্চায়েত দফতর সূত্রে খবর, শুধু এদেশের অন্যান্য রাজ্যই নয়। এশিয়ার বিভিন্ন দেশের থেকেও তথ্য সংগ্রহ করেছিল বিশ্ব ব্যাঙ্ক। রাজ্যের অন্তত এক হাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের উপর টানা সমীক্ষা চালানো হয়েছিল৷ দৈনন্দিন কাজের বাইরে গিয়ে গ্রামবাসীদের অর্থনৈতিক মানোন্নয়ন, মহিলাদের আর্থিক উন্নতি, ই-গভর্ন্যান্স, পঞ্চায়েত পরিচালনায় স্বচ্ছতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল৷ সেই সমীক্ষায় বিশ্ব ব্যাঙ্ক এ রাজ্যের পারফরম্যান্সকে ‘অত্যন্ত সন্তোষজনক’ বলে জানিয়েছে। বিশ্ব ব্যাঙ্কের তথ্য বলছে, লক্ষ্যমাত্রা যদি ১০০ শতাংশ ধরা হয়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গের গ্রামপঞ্চায়েতগুলি ২৩৫ শতাংশ কাজ করেছে৷ যা কার্যত রেকর্ড।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে