Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

ফিরিয়ে আনুন মুখ্যমন্ত্রী, কাশ্মীরে ধসে আটক পর্যটকদের করুণ আর্তি

এখন মমতাই আশাভরসা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০১৮, ১১:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০১৮, ১১:৪৪

options
link
ফিরিয়ে আনুন মুখ্যমন্ত্রী, কাশ্মীরে ধসে আটক পর্যটকদের করুণ আর্তি zoom

দিব্যেন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়: উপত্যকায় ধসে আটকে পড়া পর্যটকরা মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্য চাইলেন। অভিযোগ, দুদিন ধরে ধসে আটকে থাকলেও ভূস্বর্গের পুলিশ প্রশাসনের তরফে কোনওরকম সাহায্য মেলেনি। খাবারের পাশাপাশি পানীয় জলের আকাল দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কাশ্মীর প্রশাসনের উপরে আস্থা রাখতে পারছেন না এই রাজ্যের পর্যটকরা। তাঁদের একমাত্র আশাভরসা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল-এর মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেই সাহায্যের দাবি জানিয়েছেন হুগলির কোন্নগরের বাসিন্দা অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়।

[৭ পয়সা কমল পেট্রলের দাম, খুশি হতে পারছেন না গ্রাহকরা]

land-slide

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ঘটনাস্থল থেকে ফোনে নিজেদের দুর্গতির কথা জানিয়েছেন অভিজিৎবাবু। ভূস্বর্গ ভ্রমণের ইচ্ছেয় পরিবার নিয়ে গত ২২ তারিখ দিল্লি পৌঁছান তাঁরা। তাঁদের ছ’জনের দলে একজন বাচ্চাও রয়েছে। দিল্লি থেকে রওনা দিয়ে ২৩ তারিখে পৌঁছে যান লেহ-তে। সেখান থেকে মঙ্গলবার ভোরে ইনোভা গাড়ি চড়ে শ্রীনগরের উদ্দেশে রওনা হয়ে যায় বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবার। এরপরেই ঘটে বিপত্তি। দুপুরেই ধস নেমে বন্ধ হয়ে গিয়েছে এক নম্বর জাতীয় সড়ক। ঘটনাস্থল জাতীয় সড়কের উপরে সোনমার্গ ও দ্রাসের মাঝে সাইতান নালা। অন্যদিকে ভোরবেলা বেরিয়ে ইনোভা চড়ে কিছুটা এগোতেই আটকে যায় বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের গাড়ি। ততক্ষণে অভিজিৎবাবুরা দ্রাস সেক্টরের একেবারে শেষ প্রান্তে চলে এসেছেন। সোনমার্গ তখন ১২ কিলোমিটার দূরে। সামনে সার বেঁধে দাড়িয়ে গাড়ি। বেশ কিছুক্ষণ বসে থাকার পর স্থানীয় একটি হোটেলে পরিবার নিয়ে ওঠেন। তবে সেখানে খাবার জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। অভিযোগ, হোটেলের কর্মচারীদের ব্যবহারও অত্যন্ত খারাপ। সেদিনের রাত কোনওমতে হোটেলে কাটিয়ে পরেরদিনই ফের ইনোভা চড়ে বসেন। এই আশায় যে, এবার অন্তত রাস্তা খুলবে। তবে অভিজিৎবাবুর এইচ্ছে অচিরেই অন্ধকারে পর্যবসিত হল। রাস্তা খুলল না, উলটে গাড়িতে আটকে পড়ে থাকতে হল। গোটা বুধবার কাটিয়ে বৃহস্পতিবারেও অবস্থার কোনওরকম উন্নতি হয়নি। সঙ্গে থাকা মোবাইলের চার্জও প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। এখন একটাই ভরসা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি কোনওরকম পদক্ষেপ করেন। তাহলেই এ যাত্রায় রক্ষে পায় বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবার।

[ভরা মরশুমেও শিমলায় পর্যটকদের না যেতে অনুরোধ স্থানীয়দের, কিন্তু কেন?]

একইভাবে সাহায্যের আশায় বুক বেঁধেছেন বেলঘড়িয়ার বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য। প্রায় ১৭ জনের দল নিয়ে তাঁরা কাশ্মীরে বেড়াতে গিয়েছেন। মঙ্গলবার কার্গিল থেকে সোনমার্গের উদ্দেশে রওনা দেন। পথেই আটকে পড়েন। সেই থেকে গাড়ির মধ্যেই দুঃসহ প্রহর গুনছেন। সঙ্গে পাঁচজন মহিলা ও চারজন শিশু রয়েছে। বাচ্চারাই সবথেকে বেশি কষ্ট পাচ্ছে। বিদেশবিভুঁইয়ে স্বজনহীন দিন কাটাচ্ছেন। খাবার পানীয়জলের অভাবে প্রায় দিশেহারা অবস্থা। বাচ্চাদের বুঝিয়ে রাখাই দায় হয়েছে। দেখেও দেখছে না স্থানীয় প্রশাসন। এখন মুখ্যমন্ত্রী চাইলেই একমাত্র তাঁদের বাঁচাতে পারেন। এমনটাই মনে করছেন অভিজিৎবাবু। তাই সংবাদ মাধ্যমের সাহায্যে তাঁর কাছেই করুণ আর্তি জানিয়েছেন তিনি। এদিকে ইতিমধ্যেই রাজ্যের পর্যটকদের দ্রুত উদ্ধারে সচেষ্ট হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের তরফে গোটা প্রক্রিয়া তরান্বিত করার জন্য কাশ্মীর প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টাও করা হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.