Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬
UCC

বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে আরও এক ধাপ, রঞ্জনা দেশাইয়ের নেতৃত্বে কমিটিতে কারা?

বঙ্গে ইউসিসি বিল আনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা আছে। সে কারণেই সরকারের সতর্ক পদক্ষেপ। সমাজের সম্প্রদায়ের মানুষের মতামত গ্রহণ করে তার ভিত্তিতে বিলটি পেশ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
মলয় কুণ্ডু
মলয় কুণ্ডু

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৩:২৬

link
মলয় কুণ্ডু
মলয় কুণ্ডু

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৬, ১৩:২৬

options
link
বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে আরও এক ধাপ, রঞ্জনা দেশাইয়ের নেতৃত্বে কমিটিতে কারা? zoom

আগস্টেই রাজ্য বিধানসভায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পেশের ভাবনা। তার আগে বাংলায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে আরও এক ধাপ। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জনা প্রসাদ দেশাইয়ের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতে রয়েছেন ৯ জন।

মুখ্যসচিব মনোজকুমার আগরওয়াল এই মর্মে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। রঞ্জনা প্রসাদ দেশাইয়ের নেতৃত্বে কারা রয়েছেন ওই কমিটিতে?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
  • তথাগত রায়, মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল
  • দ্যুষ্মন্ত নারিয়ালা, আইএএস, রেসিডেন্ট কমিশনার
  • শত্রুঘ্ন সিং, অবসরপ্রাপ্ত আইএএস
  • সংঘমিত্রা ঘোষ, প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি
  • ডঃ রত্না ভটাচার্য, বঙ্গবাসী কলেজের নৃতত্ত্ব বিভাগের প্রাক্তন প্রধান
  • গোপালচাঁদ মিশ্র, গৌরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন সহ উপাচার্য
  • ওসমান গনি মল্লিক, কলকাতা হাই কোর্টের আইনজীবী
  • নির্মাল্য ভট্টাচার্য, প্রাক্তন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, বেঙ্গল সম্ভাগ

এর আগে প্রথম রাজ্য হিসেবে উত্তরাখণ্ডে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করার সময়েও প্রাক্তন বিচারপতি রঞ্জনা দেশাইকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল খুঁটিনাটি পর্যালোচনার জন্য। পশ্চিমবঙ্গও হাঁটছে সেই পথে। এ রাজ্যের জনবিন্যাস, প্রেক্ষাপট বুঝে উপযোগী বিল তৈরি করার ক্ষেত্রে তাঁর পরামর্শ নেওয়া হতে পারে। আসলে বঙ্গে ইউসিসি বিল আনার ক্ষেত্রে বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা আছে। সে কারণেই সরকারের সতর্ক পদক্ষেপ। সমাজের সম্প্রদায়ের মানুষের মতামত গ্রহণ করে তার ভিত্তিতে বিলটি পেশ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ইউসিসি চালু হলে ফৌজদারির মতো দেওয়ানি আইনও সমান হয়ে যাবে। শরিয়ত আইনের বিলুপ্তি ঘটবে। আদিবাসীদের ক্ষেত্রে অবশ্য এই আইন প্রযোজ্য হবে না। তার আগে এই কমিটির সদস্যদের কাজ হবে অন্তত ৯টি বিষয়ে। মূল কাজ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে তাঁদের মতামত গ্রহণ। আলোচনা হবে বিয়ে, বিবাহবিচ্ছিন্নতা, উত্তরাধিকার, সম্পত্তি বণ্টন-সহ বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.