Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬

হায়দরাবাদে কাজে গিয়ে রহস্যমৃত্যু বাঙালি যুবকের, পরিকল্পনামাফিক খুনের অভিযোগ

তিন বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে সুদীপের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৮, ১০:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০১৮, ১০:৫২

options
link
হায়দরাবাদে কাজে গিয়ে রহস্যমৃত্যু বাঙালি যুবকের, পরিকল্পনামাফিক খুনের অভিযোগ zoom

নিজস্ব সংবাদদাতা, বারাকপুর: ভিন রাজ্যে কাজ করতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল ঘোলার বাসিন্দা এক যুবকের। তাঁর নাম সুদীপ শিকদার (২৯)। বাড়ি ঘোলা থানার পানিহাটি পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়া কালীতলায়। মৃতের পরিবারের তরফে সুদীপবাবুকে পরিকল্পনামাফিক খুনের অভিযোগ করা হয়েছে।

[গর্ভপাতে রক্তক্ষরণের জেরে মৃত্যু গৃহবধূর, হাসপাতালে উত্তেজনা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

মৃতের বাবা প্রদীপ শিকদার পেশায় চাল বিক্রেতা। মা রানুদেবী গৃহবধূ। ২০১৪ সালে সুদীপের বিয়ে হয়েছিল। স্ত্রীর নাম নীপা শিকদার। তাঁদের তিন বছরের কন্যা সন্তানের নাম সোহিনী। মৃতার ভাই তপন শিকদার মুরগির মাংস বিক্রেতা। বাসিন্দারা জানান, সোদপুরের ডালমিয়া কারখানার ঠিকাকর্মী ছিলেন সুদীপ। কিন্তু অল্প বেতনে সুদীপ ঠিকমতো সংসার চালাতে পারছিল না। হুগলির কোন্নগরের বাসিন্দা সম্পর্কে মেসোমশাই সাব-কন্ট্রাক্টর সৌমেন বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে গত লক্ষ্মী পুজোর দু’দিন বাদে হায়দরাবাদে নিয়ে গিয়েছিল একটি ঠিকাদারি সংস্থায় ছাদের সিলিং ও শেড তৈরির কাজের জন্য। ওই কাজের মূল ঠিকাদার চন্দন মুখোপাধ্যায় হুগলির রিষড়ার বাসিন্দা।

সুদীপবাবুর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে তাঁর বাড়ি আসার কথা ছিল। ২১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে আটটা নাগাদ সুদীপ পরিবারের লোকজনের সঙ্গে ফোনে কথাও বলেছিল। ওইদিন রাত ১০ টার পর তাঁর মাসতুতো ভাই অভিজিৎ (সৌমেন বাবুর ছেলে ) হায়দরাবাদ থেকে সুদীপের বাবা প্রদীপবাবুকে ফোন করে জানায়, “বসে গল্প করছিলাম। সুদীপ হঠাৎ দরজার কাচে ঘুসি মারে। তাতে ওঁর হাতের শিরা কেটে যায়।” ২২ ফেব্রুয়ারি অভিজিৎ ফের প্রদীপবাবুকে ফোন করে জানান যে সুদীপের দুর্ঘটনা ঘটেছে। হাতের শিরা কেটে গিয়েছে। তাঁকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।

[বহুজাতিক সংস্থার পানীয় জলের বোতলে কলিফর্ম, নোটিস পাঠাচ্ছে পুরসভা]

শুক্রবার সকাল সাড়ে ন’টা নাগাদ অভিজিৎ ফোন করে বলেন, সড়ক পথে মরদেহ আনা হচ্ছে। তখন তাঁরা ওড়িশার ভুবনেশ্বরে। সোদপুর ট্রাফিক মোড় থেকে মৃতের পরিবারের লোকজনকে সুদীপের মরদেহ নিতে হবে। কী কারণে মাসতুতো ভাইয়ের দেহ বাড়িতে পৌঁছে দিতে চাইছে না অভিজিৎ, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। প্রতিবেশীরা বলেন, ছেলের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে ওঁর বাবা ঘোলা থানার দ্বারস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু থানা থেকে বলা হয়েছে হায়দরাবাদ পুলিশের পক্ষ থেকে মৃত্যুর বিষয়ে কোনও মেসেজ মেলেনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.