রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: ঘুমিয়ে রয়েছে ভূপতিনগর। আচমকাই বাড়িতে হানা কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকদের। তাঁদের দরজা ধাক্কা দেওয়ার শব্দে ঘুম ভাঙে স্থানীয় তৃণমূল নেতা বলাইচরণ মাইতির স্ত্রীর। তল্লাশির নামে এনআইএ কার্যত হেনস্তা করেছে বলেই দাবি তাঁর।
বলাইচরণ মাইতি, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি। যিনি বর্তমানে এনআইএ-র জালে। তাঁর স্ত্রী জানান, কাকভোরে যখন সকলে ঘুমোচ্ছিলেন তখন দরজায় ধাক্কা দেয় এনআইএ। দরজা খোলার পর কিছু বোঝার আগেই ঘরে ঢুকে পড়েন আধিকারিকরা। অভিযোগ, ঘরে ঢুকে দরজায় খিল দেয় এনআইএ। কেড়ে নেওয়া হয় মোবাইল। ঘরের এককোণে বসিয়ে রেখে চলে জোর তল্লাশি। বাড়ির সর্বত্র এমনকী শৌচালয়েও চলছে তল্লাশি। আধঘণ্টা পর ছেড়ে দেওয়ার নাম করে বলাইকে এনআইএ নিয়ে চলে যায় বলেই দাবি তাঁর।
[আরও পড়ুন: বাম জমানার কেলেঙ্কারি তুলতেই বাধা কুণালকে]
ওই মহিলার দাবি, তল্লাশির সময় কাউকে কোথাও যেতে দেওয়া হয়নি। বাড়ি লাগোয়া পুকুর তো দূর, মেয়েকে স্কুলেও যেতে দেয়নি এনআইএ। কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর হামলার অভিযোগ উড়িয়ে দেন তিনি। বলেন, “মোবাইল কেড়ে নিয়েছে। ফোন না করতে পারলে কাউকে ডাকব কী করে? আর না ডাকলে কেউ আসবে কীভাবে? গাড়ি ভাঙা হয়নি।” তৃণমূল নেতাদের বাড়িতে ঢুকে মহিলাদের হেনস্তা করা হয়েছে, সে অভিযোগ অবশ্য আগেই করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সে কারণেই মহিলারা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন বলেই দাবি তাঁর।
এদিকে, এনআইএ বিবৃতিতে দাবি করেছে গ্রেপ্তার হওয়া তৃণমূল নেতারাই মূল অভিযুক্ত। তাঁরা সক্রিয়ভাবে ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কাণ্ডে যুক্ত। তবে সে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূল নেতার স্ত্রী। তিনি বলেন, “আমার স্বামী কিছু করেনি।” মহিলার এই দাবির পর রাজনৈতিক মহলে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, সত্যি কি ইচ্ছাকৃতভাবে ভোটের মুখে তৃণমূল নেতাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে? যদিও সে কথা সারবত্তাহীন বলেই দাবি NIA-র।
[আরও পড়ুন: ‘সরকার না দিলে কোথায় পেতেন?’, সন্দেশখালির রেখা পাত্রকে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’ খোঁচা খোদ মমতার]
সর্বশেষ খবর
-
সৌজন্য না দেখিয়ে বিতর্কে রোনাল্ডো, চাপের মুখে সিআর৭ বলছেন, ‘বিশ্বকাপ এখনও অনেক বাকি’
-
বাম বিধায়কদের ভোটে জয় বিজেপি সমর্থিত প্রার্থীর! কংগ্রেসের হারে অশান্তি INDIA জোটে
-
‘ফ্যাঙ্কেনস্টাইন রাষ্ট্র’, নিজের তৈরি জঙ্গিদের মার খেয়ে হতবাক, রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত
-
সাতসকালে বৃষ্টিতে ভাসছে কলকাতা, বিপর্যস্ত উত্তর, বিচ্ছিন্ন শিলিগুড়ি-মিরিক যোগাযোগ
-
ইস্তফার পথে গৌতম দেব, এবার উত্তরের ‘শেষ সম্বল’ শিলিগুড়ি পুরনিগমও হারাচ্ছে তৃণমূল?