সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: ঝালদা পুরসভা হাতছাড়া হয়েছিল আগেই। এবার উপপুরপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা পূর্ণিমা কান্দুর। বৃহস্পতিবারই পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি। জানান, “নৈতিক কারণেই ইস্তফা দিলাম।”
ঝালদা পুরসভা (Jhalda Municipality) নিয়ে আইনি টানাপোড়েন চলছিলই। তার মাঝে কয়েকদিন আগে পুরপ্রধান শীলা চট্টোপাধ্যায়-সহ চার কংগ্রেস কাউন্সিলর তৃণমূলে যোগ দেন। দলবদলকারীদের মধ্যে ছিলেন নিহত তপন কান্দুর ভাইপো মিঠুন, বিজয় কান্দু, পিন্টু চন্দ্র ও সোমনাথ কর্মকার। বাঘমুণ্ডির তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতো তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। তার জেরে ঝালদা পুরসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারায় কংগ্রেস।
[আরও পড়ুন: বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ! CEC বিল নিয়ে বিরোধিতার ঝড় তোলার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর]
আর এবার ইস্তফা দিলেন পূর্ণিমা কান্দু। ঝালদা পুরভবনে এক্সিকিউটিভ অফিসার বিধান পাণ্ডের কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেন নিহত তপন কান্দুর স্ত্রী। তিনি জানান, কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছে। তাই এই পদে তাঁর থাকার কোনও যৌক্তিকতা নেই। নৈতিকতার কারণেই উপপুরপ্রধান পদ থেকে ইস্তফার সিদ্ধান্ত। উল্লেখ্য, গত ১০ ফেব্রুয়ারি কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ঝালদা পুরসভার উপপুরপ্রধানের দায়িত্ব পান পূর্ণিমা কান্দু। দায়িত্ব নেওয়ার প্রায় আট মাসের মাথায় ইস্তফা দিলেন।
[আরও পড়ুন: কারও ছেলের বয়স একমাস, কারও মেয়ে দুমাসের! শোকে পাথর কাশ্মীরে শহিদ ৩ নিরাপত্তারক্ষীর পরিবার]
সর্বশেষ খবর
-
বস যদি হয় এআই! সব রামপ্রসাদই হাবুডুবু খাবে উপায় খুঁজতে গিয়ে
-
‘এত্ত তামাশা কেন?’, ডিভোর্স মামলা তুলতেই সুনীতাকে ‘সংসারের পাঠ’ গোবিন্দার ম্যানেজারের
-
বদলের বাংলায় মোদি-শুভেন্দু রাখিই এবার হটকেক! পদ্মের চাহিদাও তুঙ্গে
-
‘স্বাধীনতা সংগ্রামে তিতুমীরের চেয়ে শ্যামাপ্রসাদের অবদান বেশি’, বারাসতে বদলে গেল ভবনের নাম
-
শাসকের ইচ্ছাই শেষ কথা ছিল গত তিন দশকে! ১৯৯১-এর পর বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, চলছে ভোট