Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

বিজেপির প্রার্থীদ্বন্দ্বে ব্যতিক্রম বীরভূম, বিরোধিতা ভুলে দলের জন্য একজোট জেলা নেতৃত্ব

দলের অন্দরে ক্ষোভ দমন করেই বিজেপি প্রার্থীর পাশে সবাই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০১৯, ১৮:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০১৯, ১৮:৩০

options
link
বিজেপির প্রার্থীদ্বন্দ্বে ব্যতিক্রম বীরভূম, বিরোধিতা ভুলে দলের জন্য একজোট জেলা নেতৃত্ব zoom

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: একেই অনেক দেরি করে প্রার্থীতালিকা প্রকাশ৷ তারউপর রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে প্রার্থী বাছাই নিয়ে তীব্র বিরোধ৷ দিলীপ ঘোষদের কথায় বিশেষ গুরুত্ব না দিয়ে কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব রাজ্যের ২৮ টি আসনে লোকসভার প্রার্থী ঘোষণা করেছে৷ জেলায় জেলায় বিক্ষোভ চরমে৷ ভোটের আগে চূড়ান্ত গোষ্ঠী সংঘর্ষ৷

মানসের অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে ভোট প্রচারে কৌশলী দিলীপ

এই পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ উলটো ছবি বীরভূমে৷ সেখানকার বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন জেলা সভাপতি দুধকুমার মণ্ডল৷ তাঁর সঙ্গে বর্তমান জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়ের সম্পর্ক একেবারেই ভাল নয়৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও এই কেন্দ্রে কোনওভাবেই তাঁরা সামনে আসতে দিলেন না অন্তর্দ্বন্দ্ব৷ প্রার্থী দুধকুমার মণ্ডলকে পাশে বসিয়ে বীরভূমের বিজেপি জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় বললেন, ‘আমরা বীরভূমকে কোচবিহার হতে দেব না। যা বিরোধ ছিল, সব ভুলে এখন দলকে জেতাতে হবে।’ আর দুধকুমার মণ্ডলের কথায়, ‘সংসারে ছোটখাটো অশান্তি থাকতে পারে। তবে আমি বীরভূম কেন্দ্রে রামকৃষ্ণদার নেতৃত্বেই লড়ব।’ দলের বিস্তারকদের কথায় গুরুত্ব দিয়ে বীরভূম কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী করা হয়েছে দুধকুমার মণ্ডলকে। তাই বিরোধকে সরিয়ে রেখে নির্বাচনের স্বার্থে সমঝোতাকে গুরুত্ব দিলেন বিজেপি জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় ও প্রার্থী দুধকুমার মণ্ডল। বীরভূমের ভোট ময়দানে বিজেপির রামকৃষ্ণ-দুধকুমারের মহামিলনই এই মুহূর্তে রাজ্যের গেরুয়া রাজনীতিতে দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ৷

Advertisement

জমি বিবাদের জেরে গোষ্ঠী সংঘর্ষ, উত্তেজনা ওদলাবাড়িতে

তবে অন্দরের খবর অন্য৷ বৃহস্পতিবার সিউড়িতে প্রার্থী দুধকুমারকে নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করে বিজেপি জেলা কমিটি। সেখানে কিছুটা শোরগোল হয়। উত্তেজনা ছড়ায়। কিন্তু জেলা সভাপতি বললেন, এটা কর্মীদের উত্তেজনা,উন্মাদনা। বললেন, ‘ইনি ভূমিপুত্র৷ লড়াই যাঁর জীবনের মন্ত্র৷ এলাকায় কর্মী থেকে জনসাধারণের কাছে পরিচিত। তাই প্রথম দফায় তিনি অনেক এগিয়ে’৷ আর আত্মবিশ্বাসী প্রার্থী দুধকুমার মণ্ডল সরাসরিই নিশানা করলেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে৷ বললেন, ‘এবার ভোটে আর অনুব্রতর নকুলদানা,পাঁচনের ওষুধ আর কাজ করবে না।আর দু’বারের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায় তো মরশুমি পাখী৷ এলাকার সমস্যার কথা নরেন্দ্র মোদির কাছে পৌঁছাতে তাঁদের দলকে জয়ী করতে হবে।’ প্রাক্তন জেলা সভাপতি দুধকুমার মণ্ডলকে প্রার্থী হিসেবে জেলা কমিটি মেনে নিলেও অনেক কর্মীই ক্ষুব্ধ৷ গত দু’বছর ধরে সংগঠন থেকে কিছুটা দূরে এই প্রার্থী। বর্তমানে যাঁরা বুথ সভাপতি, মণ্ডল সভাপতি, তাঁরা অনেকেই রামকৃষ্ণপন্থী এবং দুধকুমার বিরোধী। তাঁদের সঙ্গে দুধকুমার কতটা মানিয়ে নিতে পারবেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে৷ তবে দলের প্রাক্তন এবং বর্তমান জেলা সভাপতির এই মিলনের ছবি কতটা উজ্জীবিত করে কর্মীদের, তার উপর নির্ভর করছে বিজেপির ভোটভাগ্য।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.