Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Birbhum

কাজলের পরে জেলা পরিষদের চেয়ারে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ! নেপথ্যে বিজেপি? নজরে বীরভূমের রাজনীতি

বিজেপি নেতার বক্তব্য, ''পরিষদে বিজেপির কোনও সদস্য নেই। তৃণমূলের সদস্যরাই অনাস্থা এনেছেন এবং নতুন সভাধিপতিও তাঁরাই নির্বাচন করবেন। তবে জেলা পরিষদ যেহেতু সরকারের অঙ্গ, তাই সরকারই সেটি পরিচালনা করবে।''

সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ২০:১৪

link
সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০২৬, ২০:১৪

options
link
কাজলের পরে জেলা পরিষদের চেয়ারে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ! নেপথ্যে বিজেপি? নজরে বীরভূমের রাজনীতি zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সভাধিপতির পদ থেকে ফাইজুল হক ওরফে কাজল শেখের সরে দাঁড়ানোর পর বীরভূম জেলা পরিষদকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। তলবি সভার ঠিক আগের এই পদত্যাগের জেরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, পরবর্তী সভাধিপতি কে হতে চলেছেন? শুধু জেলা তৃণমূলের অন্দরেই নয়, এই প্রশ্ন ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। এমনকী বেশ কয়েকটি নাম নিয়েও শুরু হয়েছে চর্চা।

রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, ঝাড়খণ্ডের একটি গেস্ট হাউসে তৃণমূলের ১৮ জন জেলা পরিষদ সদস্যের সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্ব বৈঠক করেছিলেন। সেখানে দলের জেলা সভাপতি উদয়শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধায়ক ধ্রুব সাহা ও কৃষ্ণকান্ত সাহা উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি।

জেলা পরিষদের ৫২টি আসনের মধ্যে দুবরাজপুরের সদস্য অরুণ চক্রবর্তীর মৃত্যুর পর কার্যকর সদস্য সংখ্যা এখন ৫১। তাঁদের মধ্যে কংগ্রেসের এক জন ছাড়া বাকি সকলেই তৃণমূলের। ফলে সংখ্যার বিচারে নতুন সভাধিপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে তৃণমূলের সদস্যদের ভূমিকাই নির্ণায়ক হওয়ার কথা। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে সেই অঙ্কের পাশাপাশি অন্য রাজনৈতিক প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছে জেলার রাজনৈতিক মহল। গত ৪ আগস্ট কাজল শেখের বিরুদ্ধে জেলা পরিষদের ১৯ জন তৃণমূল সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্রমশ চাপে পড়েন কাজল। শেষ পর্যন্ত তলবি সভার ২৪ ঘণ্টা আগে তাঁর ইস্তফায় নাটকীয় পর্বের অবসান ঘটে। এরপর থেকেই নতুন সভাধিপতি নির্বাচন নিয়ে একাধিক নাম ঘুরছে। 

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত বিকাশ রায়চৌধুরীকে সভাধিপতির পদে আনার চেষ্টা হয়েছিল। তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই প্রস্তাব নিয়ে আপত্তি রয়েছে বলেই খবর। অনাস্থা প্রক্রিয়ার অন্যতম মুখ নবগোপাল বাউরীর নামও আলোচনায় রয়েছে। পাশাপাশি খয়রাশোল, লাভপুর এবং ময়ূরেশ্বর-২ এলাকার কয়েকজন সদস্যের নাম নিয়েও আলোচনা চলছে। যদিও এর মধ্যে বিজেপির সঙ্গে জেলা পরিষদের সদস্যদের যোগাযোগ নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, ঝাড়খণ্ডের একটি গেস্ট হাউসে তৃণমূলের ১৮ জন জেলা পরিষদ সদস্যের সঙ্গে বিজেপি নেতৃত্ব বৈঠক করেছিলেন। সেখানে দলের জেলা সভাপতি উদয়শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিধায়ক ধ্রুব সাহা ও কৃষ্ণকান্ত সাহা উপস্থিত ছিলেন বলেও দাবি। বিজেপির পছন্দের বাইরে কোনও নামকে সভাধিপতি করা হবে না, বৈঠকে এমন বার্তা দেওয়া হয়েছিল বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।

তবে বিজেপি সরাসরি সেই দাবি মানেনি। উদয়শঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, ‘‘জেলা পরিষদে বিজেপির কোনও সদস্য নেই। তৃণমূলের সদস্যরাই অনাস্থা এনেছেন এবং নতুন সভাধিপতিও তাঁরাই নির্বাচন করবেন। তবে জেলা পরিষদ যেহেতু সরকারের অঙ্গ, তাই সরকারই সেটি পরিচালনা করবে।’’ এই মন্তব্যের পরই নতুন জল্পনা, সভাধিপতির পাশাপাশি জেলা পরিষদ পরিচালনায় কোনও ‘মেন্টর’ আনা হবে কি না। বিজেপির কোনও প্রাক্তন জেলা সভাপতিকে সেই ভূমিকায় বসানোর সম্ভাবনা নিয়েও চর্চা চলছে। ফলে কাজল শেখের বিদায়ের পর জেলা পরিষদের ক্ষমতার কাঠামো শেষ পর্যন্ত কোন রূপ নেয়, আপাতত সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.