Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

বাড়বাড়ন্ত ইভটিজিংয়ের, ছাত্রীদের নিরাপত্তায় আজব নিদান এই স্কুলের

বাধ্য হয়েই সিদ্ধান্ত, সাফাই স্কুল কর্তৃপক্ষর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৭, ১৪:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০১৭, ১৪:১৯

options
link
বাড়বাড়ন্ত ইভটিজিংয়ের, ছাত্রীদের নিরাপত্তায় আজব নিদান এই স্কুলের zoom

নন্দন দত্ত, বীরভূম: তিন দিন ছেলেরা ক্লাস করবে। তিন দিন মেয়েরা। একসঙ্গে কোনওভাবে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস নয়। স্কুলের উঁচু ক্লাসের উচ্ছৃঙ্খল ছাত্রদের একাংশকে  বাগে আনতে এমন আজব নিদান বীরভূমের খয়রাশোলের বড়রা হাইস্কুলে। গত ২ সপ্তাহ ধরে সপ্তাহে তিন দিন ক্লাস করার জন্য একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়ারা বেজায় সমস্যায় পড়েছেন। সিলেবাস কতদিনে শেষ হবে তা নিয়ে পড়ুয়ারা অন্ধকারে। স্কুলের প্রধান শিক্ষকের দাবি, বাধ্য হয়েই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। পড়ুয়াদের সমস্যা হচ্ছে বোঝা গেল অন্য কিছু ভাবা হবে।

[মুখে পোড়া দাগ, নববধূকে বিবস্ত্র করে বেধড়ক মারধর শ্বশুরবাড়িতে]

বীরভূম-ঝাড়খণ্ড সীমানায় অবস্থিত খয়রাশোল। এই ব্লকের বড়রা হাইস্কুল পরিচিত নাম। ১৮৫৮ সালে এই স্কুলের সূচনা। বহু প্রাচীন স্কুলের বিদ্যালয়ে এবার বিতর্কের কালি। স্কুলের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রদের একাংশের আচরণ নিয়ে বিব্রত ছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। ক্লাসে অশ্লীল ভিডিও, সহপাঠিনীদের কটূক্তি, ছবি তোলা, হল্লা করা। এইসব দিনের পর দিন চলছলি। নানা শাসনেও তাদের সামলানো যায়নি। তাদের বাগে আনতে শেষ পর্যন্ত অদ্ভুত সিদ্ধান্ত নিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। ঠিক হয়েছে ক্লাস ইলেভেন ও টুয়েলেভের ছেলেমেয়েদের একসঙ্গে ক্লাস করতে দেওয়া যাবে না। সোম, বুধ ও শুক্রবার ক্লাস করছে ছাত্ররা। মঙ্গল, বৃহস্পতি ও শনি মেয়েদের জন্য বরাদ্দ। গত ১৫ দিন ধরে এমন অদ্ভুত নিয়ম চলছে স্কুল। যা নিয়ে বিরক্ত পড়ুয়া থেকে অভিভাবরা। কারও  বক্তব্য, এভাবে চললে সিলেবাসে শেষ হবে না। সপ্তাহে ৬ দিন ক্লাস ফেরানোর দাবি তুলেছেন অনেকেই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[OMG! বন্ধুত্ব পাতাতে না পেরে এ কী করলেন যুবক?]

এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে হইচই শুরু হওয়ায় মুখ খুলেছেন প্রধান শিক্ষক কাঞ্চন অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, পরীক্ষামূলকভাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দিনকয়েক যাওয়ার পর পড়ুয়াদের উপস্থিতি বদলালে প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত বদল করা হতে পারে। তবে তিনি জানিয়েছেন, পরিস্থিতির চাপে বাধ্য হয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বড়রা হাইস্কুলে কলাবিভাগে প্রচুর পড়ুয়া। সেই নিরিখে শিক্ষকসংখ্যা বেশ কম। তবে অভিভাবকদের একাংশের মতে পর্যাপ্ত শিক্ষক না থাকাও এই সিদ্ধান্তের অন্যতম কারণ। কারও মতে এই স্কুলে আগে পড়ুয়াদের বোঝানো হত। এখন তেমন হচ্ছে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.