৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘চোর কাহি কা’, বিজেপি নেতা রাহুল সিনহাকে কড়া আক্রমণ অনুব্রতর

Published by: Sayani Sen |    Posted: April 26, 2020 3:51 pm|    Updated: April 26, 2020 4:10 pm

An Images

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: কেন্দ্রের চাল অত্যন্ত নিম্নমানের তা কেউই খেতে পারবেন না। এবার এই অভিযোগে সুর চড়ালেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)। সেই চাল ফেরত পাঠানোরও বন্দোবস্ত করেন তিনি। নিজের বাড়ি থেকে করা সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্য এবং কেন্দ্রের দেওয়ার চালের ফারাক বুঝিয়ে রাহুল সিনহাকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন তৃণমূল নেতা।

বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডল শনিবার রাজ্যের এবং কেন্দ্রের দেওয়া চাল আলাদা দু’টি থালায় নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করতে বসেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলাপরিষদের মেন্টর অভিজিৎ সিংহ। দু’টি চাল দেখিয়ে সাংবাদিকদের সামনে পার্থক্য বিচার করেন তিনি। তাঁর দাবি, ছত্তিশগড় থেকে দুস্থদের দেওয়ার জন্য আসা কেন্দ্রের চাল বহু বছরের পুরনো। কমপক্ষে তা ২-৩ বছর তো হবেই। তাঁর দাবি, নিম্নমানের এই চাল সাধারণ মানুষ কেন গরুও খেতে পারবে না।

[আরও পড়ুন: যমে-মানুষে লড়াইয়ে জয়, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন করোনা আক্রান্ত ২ প্রৌঢ়া]

এদিন অনুব্রত বলেন, “কয়েক দিন ধরে বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলে যাচ্ছেন রাজ্যে রেশন নিয়ে ঝামেলা হচ্ছে, মারপিট হচ্ছে, বাজে চাল দেওয়া হচ্ছে। এরা মিথ্যা কথা বলছেন, মানুষ ধোঁকা দিচ্ছেন। তাঁরা বলছেন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে পদত্যাগ করতে হবে। কিন্তু কেন্দ্র যে চাল দিচ্ছে তার গুণগত মান কি তা আমরা দেখেছি। বীরভূমে যে চাল দেওয়া হচ্ছে তার মান এতটা খারাপ যে মানুষ না গরুও এই চাল খাবে না। কেন্দ্র ছত্তিশগড়ের রায়পুর এবং বিলাসপুর থেকে ২০১৭-২০১৮ সালের চাল পাঠিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। আমরা এফসিআইয়ের এরিয়া ম্যানেজারকে জানিয়ে দিয়েছি এই পচা চাল নেব না। এই চাল আমরা মানুষকে দিতে পারব না। এরা পাঁচ দিনের মধ্যে নতুন চাল দেবে বলেছে দেখা যাক। এই চাল আমরা নেব না। রাজ্য সরকার যে চাল দিচ্ছে তা উন্নতমানের। এমনকি ১৩টাকা কেজির চালও রাজ্যে বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে।” রাহুল সিনহাকে (Rahul Sinha) ‘চোর’ বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। 

অন্যদিকে জেলাপরিষদের মেন্টর অভিজিৎ সিংহ বলেন, “এসআরডিএ’র চেয়ারম্যান অনুব্রত মণ্ডল এই চালের প্রতিবাদ জানালে জেলাশাসক এড়িয়ে ম্যানেজারকে ডেকে পাঠান। এই চাল ১৭-১৮ সালের চাল। পরে যে গোডাউন থেকে চাল দেওয়া হচ্ছে সেখানে রাজ্য খাদ্যদপ্তর, জেলাশাসক এবং যারা এই চাল নেবে দেওয়ার জন্য তাদের পক্ষ থেকে দু’জন করে লোক বসানো হয়েছে। তারা চাল দেখে নেবে।”

দেখুন ভিডিও:

[আরও পড়ুন: বাজার বন্ধ থাকার আতঙ্কে রাতেই খুলল দোকানপাট, সংঘর্ষ-লাঠিচার্জে উত্তপ্ত বেলুড়]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement