Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১১ জুলাই ২০২৬

পুরুলিয়ায় দেখা মিলল লোমশ মাকড়সার, ছড়াল ট্যারান্টুলা আতঙ্ক

মাকড়সা দেখলেই আতঙ্কে সিঁটিয়ে যাচ্ছেন জেলার বাসিন্দারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০১৮, ০৯:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ৯, ২০১৮, ০৯:৫১

options
link
পুরুলিয়ায় দেখা মিলল লোমশ মাকড়সার, ছড়াল ট্যারান্টুলা আতঙ্ক zoom

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: ট্যারান্টুলার আতঙ্ক পিছু ছাড়ছে না পুরুলিয়ার! আবার এই ট্যারান্টুলা গোত্রের মাকড়সা উদ্ধার হল পুরুলিয়ার বোরো ও রঘুনাথপুর বনাঞ্চল থেকে। বোরো,বান্দোয়ান, মানবাজার, পুঞ্চা, বলরামপুরের পর রঘুনাথপুর বনাঞ্চলে ওই ট্যারান্টুলা গোত্রের মাকড়সা উদ্ধার হওয়ায় গোটা জেলা জুড়ে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রঘুনাথপুর বনাঞ্চলের সাঁতুড়ি বিট এলাকায় সৌমেন মুখোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ওই মাকড়সা উদ্ধার হয়। তারপর তারাই ওই মাকড়সাটিকে কৌটো বন্দি করে শুক্রবার বনদফতরের হাতে তুলে দেয়। এদিকে গত বুধবার বোরো বনাঞ্চলের জামতোড়িয়া বিটের কোদগড়া থেকে ওই ট্যারেন্টুলা উদ্ধার হয়।

[সোশ্যাল মিডিয়ায় মুখ গুঁজে থাকা পছন্দ নয় উচ্চ মাধ্যমিকে নবম হওয়া অনুশ্রীর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বোরো বনাঞ্চলের জামতোড়িয়া বিটের আধিকারিক সমর মাহাতো ও সাঁতুড়ি বিটের আধিকারিক মনোজিৎ শেঠ বলেন, “আপাতত আমাদের কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ যা বলবে সেই মোতাবেক আমরা ব্যবস্থা নেব।” তবে প্রায় প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই আটপেয়ে মাকড়সা উদ্ধার হওয়ায় পুরুলিয়ার প্রায় সর্বত্রই ট্যারান্টুলা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে হিমশিম অবস্থা বনদপ্তরের। ওই মাকড়সার দেখা মিললেই তা উদ্ধার করতে বনকর্মীদেরকে যেতে হচ্ছে। তবে ওই আটপেয়ে লোমশ মাকড়সাগুলিকে সরাসরি ট্যারান্টুলা বলছে না বনদপ্তর। তাই এই লোমশ মাকড়সা দেখে যাতে সাধারণ মানুষজন উদ্বিগ্ন না হন তাই সচেতনতার প্রচার শুরু করেছেন তারা। কিন্তু তাতেও ট্যারান্টুলা আতঙ্ক থেকে মুক্ত হতে পারছে না এই জেলা। এই মাকড়সা দেখলেই আতঙ্কে সিঁটিয়ে যাচ্ছেন জেলার বাসিন্দারা।

সম্প্রতি চেন্নাই থেকে কলকাতায় ফেরার সময়ই এইরকম এক লোমশ মাকড়সার কামড়ে এক যাত্রীর মৃত্যু হয়। তারপরই এই মাকড়সার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে প্রায় সারা রাজ্যেই। কয়েকমাস আগে এই ধরনের মাকড়সা জেলার সাঁতুড়িতে পাওয়া গিয়েছিল। তারপর গত দশ দিনে এই জেলার সাত জায়গায় এই মাকড়সা দেখতে পাওয়া যায়। তবে বনদপ্তরের কথা অনুযায়ী এই মাকড়সা মূলত পাথুরে, শুষ্ক ও জঙ্গল এলাকায় দেখা মেলে।

[ঘূর্ণাবর্তের জেরে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে, কমতে পারে তাপমাত্রা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.