Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Rekha Patra

স্বাস্থ্যসাথী-লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়েও বিজেপির হয়ে লড়াই! ‘ভেবে দেখুন’, সন্দেশখালির রেখাকে বলল তৃণমূল

বিজেপি প্রার্থীর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৪, ১৫:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৪, ১৫:৩৫

options
link
স্বাস্থ্যসাথী-লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়েও বিজেপির হয়ে লড়াই! ‘ভেবে দেখুন’, সন্দেশখালির রেখাকে বলল তৃণমূল zoom
Advertisement

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায় ও গোবিন্দ রায়: ভোটের বাজারে ঝড় তুলেছেন বসিরহাটের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র (Rekha Patra)। রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহ’ ঘোষণা করেছেন তিনি। অথচ সেই রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা ভোগ করছেন রেখা। মাসে-মাসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেরও ভাতা পান তিনি। বিজেপি প্রার্থীর স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সেই ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন তৃণমূলের মিডিয়া সেলের কনভেনার দেবাংশু ভট্টাচার্য। কটাক্ষ করেছেন সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাতোও। তাদের পালটা দিয়েছেন বিজেপির মিডিয়া সেলের প্রধান অমিত মালব্য।

সন্দেশখালির শাহজাহান পর্বের পরই ফুঁসে ওঠেন মহিলারা। তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তারা। প্রকাশ্যে আসে, মহিলাদের উপর অত্যাচারের মর্মান্তিক কাহিনি। প্রতিবাদী মহিলাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। সেই প্রতিবাদী মহিলাদের মধ্যে থেকেই রেখা পাত্রকে বসিরহাটের প্রার্থী করে বিজেপি। সেই রেখা পাত্রই রাজ্যে সরকারের স্বাস্থ্যসাথীর কার্ড ও লক্ষ্মীর ভান্ডারের সুবিধা পায় বলে দাবি করেছে তৃণমূল।

Advertisement

 

[আরও পড়ুন: নোটের বিছানায় শুয়ে সুখনিদ্রা! অসমে বিজেপির শরিক দলের নেতার ছবি ভাইরাল]

রেখাদেবীর স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের ছবি সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেবাংশু লেখেন, “বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্রও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের স্বাদ পেয়েছেন।” সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাতো দাবি করেন, “লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের সুবিধা পায় রেখা পাত্র।” একইসঙ্গে তাঁর অনুরোধ, “যারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকল্পের সুবিধা পান, তাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে বলার আগে একবার ভাবুন। এটা অনুরোধ।” যদিও এনিয়ে বিজেপি প্রার্থীর কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে বিজেপির মিডিয়া সেলের প্রধান অমিত মালব্য বলেন, “বিজেপি প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করে নিম্নরুচির পরিচয় দিল তৃণমূল। নির্বাচন কমিশন নিশ্চিত করুক যাতে বাংলার মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ্যে না আসে।” উল্লেখ্য, বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের পরিবারও একাধিক সরকারি প্রকল্পের সুবিধা নেয় বলে খবর। 

[আরও পড়ুন: ‘স্বার্থন্বেষী গোষ্ঠী’র চাপে বিচার বিভাগ! প্রধান বিচারপতিকে চিঠি দেশের ৬০০ আইনজীবীর]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.