Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
West Bengal Assembly Elections BJP

মোদি ম্যাজিকেই ভরসা! নিজেদের বুথ ফেরত সমীক্ষায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার আশায় বিজেপি

‘কমফর্ট মেজরিটি’ থাকবে, বলছেন দলের রাজ্য নেতারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২১, ১৩:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২১, ১৩:০৭

options
link
মোদি ম্যাজিকেই ভরসা! নিজেদের বুথ ফেরত সমীক্ষায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার আশায় বিজেপি zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বাংলার ভোটের ফলাফলে বাজিমাত করবে বিজেপিই। মোদি (Narendra Modi) ম্যাজিকই কাজ করবে। এমনই আশা বঙ্গ বিজেপির। মোদির মুখকে সামনে রেখেই এবার বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছিল রাজ্য বিজেপি। ভোটপর্ব শেষ, কাল ফলাফল। আর সেই ফলাফলে দু’শোর কাছাকাছি আসন পাবে দল। এমনটাই মনে করছেন রাজ্য নেতারা। একেবারে শেষ পর্যন্ত বুথ ফেরত সমীক্ষা থেকে আসা রিপোর্ট অনুযায়ী, একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে বিজেপি। এমনই দাবি শীর্ষ নেতৃত্বের।

গত লোকসভা নির্বাচনের সময় অমিত শাহ (Amit Shah) বলেছিলেন, রাজ্যে ২৩টি আসন জিতবে বিজেপি (BJP)। তাঁর তথ্য অনেকটাই মিলে গিয়েছিল। ১৮টি লোকসভা আসন জিতে রাজ্য রাজনীতির সমীকরণ বদলে দিয়েছিল বিজেপি। গত লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় ১৭টি জনসভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। আর এবার বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মোট ২০টি সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর একটি ভারচুয়াল সভা করেছিলেন দিল্লি থেকে। মোদির বাংলায় এসে ২০টি সভা রেকর্ড বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। কারণ, তামিলনাড়ু, অসম (Assam) কিংবা কেরলে ভোটপ্রচারে বাংলার মতো এত সংখ্যক সভা করেননি প্রধানমন্ত্রী। ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পর ৭ মার্চ ব্রিগেড থেকে যদি ধরা হয়, তাহলে ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত মোদি সভা করেছেন ১৮টি। এরপর ২৩ এপ্রিল চারটি জায়গার সভার বদলে একটি ভারচুয়াল সভায় ভাষণ দিয়েছিলেন দিল্লি থেকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বহরমপুুরে অক্সিজেন প্লান্ট, রোগীদের জন্য আসবে বিশেষ অ্যাম্বুল্যান্স, উদ্যোগ অধীরের]

নবান্ন অভিযানের লক্ষ্যে মোদির বাংলা সফর শুরু হয়েছিল গত ফেব্রুয়ারিতেই। আর সেই থেকে হিসাব বলছে, মোদি ২০টি সভা করেছেন এবার। প্রথম সভাটি ছিল ৭ ফেব্রুয়ারি হলদিয়ায়। সেবার সরকারি কর্মসূচিতে এসেছিলেন। কিন্তু তিনি একটি দলীয় সভাও করেন। সেইমতো ২২ ফেব্রুয়ারি হুগলির সাহাগঞ্জেও একটি সরকারি কর্মসূচি থেকে নোয়াপাড়া-দক্ষিণেশ্বর মেট্রো রেল চলাচলের সূচনা করেন। ডানলপের মাঠে একটি জনসভাও করেন। তারপর ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর ৭ মার্চ ব্রিগেড থেকে অফিসিয়ালি নির্বাচনী সফর শুরু হওয়ার পর টানা ১৮টি জায়গায় জনসভা করেছেন মোদি। যা এককথায় রেকর্ড। দাবি দলেরই একাংশের। আর মোদির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথরা (Yogi Adithyanath) মিলেও প্রায় একশো সভা ও রোড শো করেছেন। এর ফল ভোটবাক্সে পড়েছে। মানুষ বিজেপির উপরই যে আস্থা রেখেছে, তার প্রমাণ কাল ফলাফলেই পাওয়া যাবে, দাবি বিজেপির এক রাজ্য নেতার।

[আরও পড়ুন: টিকিট না পাওয়ায় খুনের পরিকল্পনা! মালদহের বিজেপি প্রার্থীকে গুলির ঘটনায় ধৃত দলীয় নেতা]

বাংলার নির্বাচনে এবার বিজেপি কাউকে মুখ করেনি। মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীও কেউ ছিল না। মূলত নরেন্দ্র মোদির মুখকে সামনে রেখেই চলেছে ভোটপ্রচার। মোদির জনপ্রিয়তা আর মোদি ম্যাজিকেই দলের ফল নজরকাড়া হবে বলেই মনে করছে গেরুয়া শিবির। আর তার পাশাপাশি দলের বুথস্তরের সংগঠন মজবুত হয়েছে। প্রায় ৯০ শতাংশ বুথে সংগঠন গড়ে উঠেছে। দলের একাধিক শীর্ষনেতা বুথ বুথে মানুষের কাছে গিয়ে প্রচার চালিয়েছেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা বাড়ি বাড়ি মধ্যাহ্নভোজ করেছেন। আবার দলের বিস্তারকরা বুথ সংগঠন মজবুতের কাজ করে গিয়েছেন গত এক বছর ধরে। এর পাশাপাশি দলের শক্তিশালী আইটি সেল সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ঘরে ঘরে বিজেপির বক্তব্যকে তুলে ধরেছে। নানা ইস্যুকে তুলে ধরা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে। সব মিলিয়ে কাল দলের ফলাফল ‘মিরাকল’ হবে বলেই দাবি করছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, দু’শোর কাছাকাছি আসন পাব। ‘কমফর্ট মেজরিটি’ থাকবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.