Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬

জলপাইগুড়িতে ছেলেধরা সন্দেহে মহিলাকে গণপিটুনি, অভিযুক্ত বিজেপি নেত্রী

ঘটনার পর থেকেই পলাতক তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৮, ১৭:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৮, ১৭:০২

options
link
জলপাইগুড়িতে ছেলেধরা সন্দেহে মহিলাকে গণপিটুনি, অভিযুক্ত বিজেপি নেত্রী zoom
Advertisement

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি:  ফের ছেলেধরা আতঙ্ক জলপাইগুড়িতে। ধূপগুড়িতে স্রেফ সন্দেহের বশে এক ভবঘুরে মহিলাকে গণপিটুনি দিলেন গ্রামবাসীরা। ঘটনায় আবার নাম জড়িয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেত্রী তারাময়ী রায়ের। ঘটনার পর থেকেই পলাতক তিনি। পাঁচজন গ্রামবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদিকে বিজেপি জলপাইগুড়ি জেলা সভাপতি দেবাশিস চক্রবর্তীর দাবি, ‘আক্রান্ত মহিলাকে বাঁচানো চেষ্টার করছিলেন তারাময়ী রায়। ঘটনাটি অন্যভাবে প্রচার করা হচ্ছে।’

[বঙ্গোপসাগরে এখনও নিখোঁজ ১৯ মৎস্যজীবী, উদ্ধার একটি ডুবন্ত ট্রলার]

Advertisement

সোমবার রাতে ধূপগুড়ি ব্লকের বারোঘরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ঘুরছিলেন ওই ভবঘুরে মহিলা। গ্রামবাসীদের সন্দেহ হয়। প্রথমে ওই মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তাঁরা। এরপর শুরু হয় গণপিটুনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ওই মহিলার কাছ থেকে চকোলেট পাওয়া গিয়েছে। চকোলেটের প্রলোভন দেখিয়ে বাচ্চা চুরির করার ছক কষেছিলেন তিনি। ধুপগুড়ি থানার পুলিশ যখন আক্রান্ত মহিলাকে উদ্ধার করে, তখন তাঁর মাথা থেকে গলগল করে রক্ত পড়ছে। আপাতত হাসপাতালে ভরতি তিনি।

এদিকে ওই ভবঘুরে মহিলাকে মারধরের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পুলিশের দাবি, ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে, স্থানীয় বিজেপি নেত্রী তারাময়ী রায়ও ওই মহিলাকে মারধর করছেন। ঘটনার পর থেকে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বুধবার পাঁচজন গ্রামবাসীকে গ্রেপ্তার করেছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, আক্রান্ত মহিলা স্বামী পরিত্যক্তা। হুগলির বলাগড়ে বাসিন্দা তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত বাচ্চার চুরির কোনও প্রমাণ মেলেনি বলে দাবি করেছেন তদন্তকারীরা। স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা রুজু করে তদন্তে নেমেছে ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। এদিকে অভিযুক্ত নেত্রী তারাময়ী রায়ের পাশে দাঁড়িয়েছে বিজেপির জলপাইগুড়ি জেলা নেতৃত্ব। জেলা সভাপতি দেবাশিস চক্রবর্তীর দাবি, ‘আক্রান্ত মহিলাকে বাঁচানোর চেষ্টাই করছিলেন তিনি। ঘটনাটি অন্যভাবে প্রচার করা হচ্ছে।’

[পণের দাবিতে পুড়িয়ে মারা চেষ্টা স্বামীর, প্রতিবেশীদের তৎপরতায় রক্ষা পেলেন গৃহবধূ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.