Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Laxmir Bhandar

‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নেওয়া মহিলাদের ঘরবন্দি রাখুন’, বিজেপি নেতার ‘তালিবানি ফতোয়া’য় বিতর্ক

বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্যের বিতর্কিত বক্তব্য পোস্ট করে নিন্দা তৃণমূলের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৬:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১৬:২৯

options
link
‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নেওয়া মহিলাদের ঘরবন্দি রাখুন’, বিজেপি নেতার ‘তালিবানি ফতোয়া’য় বিতর্ক zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে এখন থেকেই তপ্ত বঙ্গের রাজনৈতিক লড়াই। গরমাগরম বাকযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছে। এবার বিজেপি নেতাদের নিশানায় রাজ্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক প্রকল্প ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন আর জনপ্রিয়তার সঙ্গে পাল্লা দিতে পদ্মনেতার বিতর্কিত দাবি, ”লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নেওয়া মহিলাদের ঘরবন্দি রাখুন। তাঁরা বেরিয়ে তো জোড়াফুলে ভোট দিতে যাবেন। না, জোড়াফুলে ভোট দেওয়া যাবে না। ভোটটা দিতে হবে পদ্মেই।”

দাসপুরের নেতা, বিজেপি রাজ্য কমিটির সদস্য কালীপদ সেনগুপ্ত। তাঁর মুখেই শোনা গেল এমন বিতর্কিত মন্তব্য। বিজেপি নেতার সেই বক্তব্যের ভিডিও নিজেদের ফেসবুকে পোস্ট করেছে তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল। কালীপদ সেনগুপ্তর সেই বক্তব্যের ভিডিও এখন ভাইরাল। এটা বিজেপির জনবিরোধী, নারীবিরোধী নীতি এবং জঘন্য নির্বাচনী রণকৌশল বলে পালটা খোঁচা দিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

ঠিক কী বলেছেন বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য কালীপদ সেনগুপ্ত? ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে শোনা যাচ্ছে তিনি বিজেপির এক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলছেন, ”এখন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিচ্ছেন মা-বোনেরা। এই মহিলারাই তো জোড়াফুলকে ভোট দেবেন। আমি তাঁদের স্বামীদের বলছি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাওয়া মহিলাদের ঘরে বন্দি করে রাখুন। ভোট দিতে বেরিয়ে তাঁদের জোড়াফুলে ভোট দেওয়া চলবে না। পদ্মেই ভোট দিতে হবে।” তাঁর এই মন্তব্য জেলার অন্দরেই বিজেপিকে অস্বস্তিতে ফেলেছে নিঃসন্দেহে।

রাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক প্রকল্প ‘লক্ষ্ণীর ভাণ্ডার’। এর আওতায় বাংলার প্রত্যেক নারী মাসে ১০০০ টাকা পান সরকারের তরফে। তফসিলি জাতি-উপজাতি ভুক্ত মহিলারা পান ১২০০ টাকা। এতে উপকৃত হন রাজ্যের সর্বস্তরের মহিলারা। তাঁদের স্বনির্ভর করার জন্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই প্রকল্প। এহেন এক উপযোগী প্রকল্প নিয়ে বিজেপি নেতা কালীপদবাবুর এহেন মন্তব্য নিন্দনীয় তো বটেই। এনিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পোস্ট করে লিখেছেন, ‘বিজেপি আগে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের উপভোক্তাদের অপমান করে বলত ৫০০ টাকার ভিক্ষা গ্রহণ করছে। আর এখন তারা সরাসরি এই সরকারি সুবিধা পাওয়া মহিলাদের ঘরবন্দি করার কথা বলছে! দুর্ভাগ্যজনক ও জঘন্য রাজনীতি!’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.