BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ভয় দেখিয়ে দলীয় কর্মীর নাবালিকা মেয়েকে ‘ধর্ষণ’, কাঠগড়ায় বিজেপি জেলা সভাপতির ভাইপো

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: May 6, 2020 8:58 am|    Updated: May 6, 2020 9:50 am

An Images

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: দলীয় কর্মীর নাবালিকা মেয়েকে লাগাতার ধর্ষণের অভিযোগ উঠল পশ্চিম বর্ধমানের বিজেপির জেলা সভাপতি লক্ষ্মণ ঘড়ুইয়ের ভাইপোর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কাঁকসা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতার বাবা। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন লক্ষ্মণ ঘড়ুই।

কাঁকসার বাসিন্দা ওই নির্যাতিতার বাবা বিজেপির সক্রিয় কর্মী হিসেবেই এলাকায় পরিচিত। তিনি জানান, দলের কারণেই বিজেপির জেলা সভাপতি লক্ষ্মণ ঘড়ুইয়ের ভাইপো তথা সহদেব ঘড়ুই নিয়মিত তাঁর বাড়িতে যেত। সেই সূত্রে তাঁর মেয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় সহদেবের। অভিযোগ, সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই অভিযুক্ত সহদেব মাদক খাইয়ে ধর্ষণ করে ওই নাবালিকাকে। সেই সঙ্গে গোটা ঘটনাটি মোবাইলে রেকর্ড করে। এরপর সেই ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে লাগাতার চলে ধর্ষণ। প্রথম দিকে ভয়ে লজ্জায় বাড়িতে জানাতে না পারলেও পরে নির্যাতিতা বিষয়টি বাবা-মাকে জানায়। এরপরই কাঁকসা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তার বাবা। এই নারকীয় ঘটনার জন্য সহদেব ঘড়ুইয়ের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যরা।

[আরও পড়ুন: মর্মান্তিক! অজয় নদে স্নান করতে গিয়ে সলিলসমাধি ২ বোনের]

নাবালিকা জানিয়েছে, ভিডিও দেখিয়ে ধর্ষণের পাশাপাশি কাউকে জানালে বাবা-মার প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হত তাকে। এছাড়াও ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হত বলেও জানায় নির্যাতিতা। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশের ডিসি ১ পূর্ব অভিষেক গুপ্তা জানান, “অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পকসো আইনে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তল্লাশি চলছে।” এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সভাপতি তথা অভিযুক্তের কাকা লক্ষ্মণ ঘড়ুই বলেন যে, “আমি বিষয়টি শুনেছি। তবে এটি সত্যি না মিথ্যে তা আমার জানা নেই। অভিযোগকারী আমাদের দলের কর্মী, তাই তাঁর অভিযোগ খতিয়ে দেখব।”এই ঘটনা প্রসঙ্গে কাঁকসা ব্লকের তৃণমূল নেতা দেবদাস বকসি বলেন, “বিজেপি দলটি যে সমাজ বিরোধীতে ভরে গেছে এই ঘটনা তারই প্রমাণ। বিজেপি দলটি ভয়ংকর। চোর, গুণ্ডায় ভরে গিয়েছে। এটি নিন্দনীয় ঘটনা। আমরা চাই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।”

[আরও পড়ুন: ‘করোনা আক্রান্ত হওয়া কি অভিশাপের?’ যুদ্ধশেষে ঘরে ফিরে আক্ষেপের সুর জয়ীর কণ্ঠে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement