Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৭ জুন ২০২৬

মিমি-নুসরতের পালটা রূপা-লকেট! বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থীতালিকায় একাধিক চমক

লোকসভায় এবার নজর কাড়বে তরকার লড়াই৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০১৯, ১৯:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০১৯, ১৯:৫৯

options
link
মিমি-নুসরতের পালটা রূপা-লকেট! বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থীতালিকায় একাধিক চমক zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: ইতিমধ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস৷ বরাবরের মতো এবারের প্রার্থী তালিকাতেও চমক রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বাদ দিয়েছেন গতবারের বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখকে৷ প্রার্থী তালিকায় স্থান দিয়েছেন মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহানের মতো জনপ্রিয় সিনে তারকাদের৷ পাশাপাশি, রয়েছেন গতবারের তারকা প্রার্থী অভিনেতা দীপক অধিকারী (দেব), মুনমুন সেন ও শতাব্দী রায়৷ রাজনৈতিক মহলের মতে, রাজ্যের ভোট ময়দানে বাম-কংগ্রেস থাকলেও, এবার মূলত লড়াইটা হবে দ্বিমুখী৷ এবারের নির্বাচনে সরাসরি লড়াই হবে ‘তৃণমূল বনাম বিজেপি’৷ সেক্ষেত্রে রাজ্যের ৪২টি লোকসভার মধ্যে নজরকাড়া কেন্দ্রগুলিতে তৃণমূলের প্রতিপক্ষ হিসাবে গেরুয়া শিবির কাদের বেছে নেবে, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চা তুঙ্গে৷ সূত্রের খবর, কয়েকদিনের মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের ৪২ লোকসভা আসনের প্রার্থী ঘোষণা করবে গেরুয়া শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব৷ তার আগে দেখে নেওয়া যাক, এরাজ্যের নজরকাড়া আসনগুলিতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা৷

[ইসলামপুরে আক্রান্ত বিজেপি নেতা, অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এবারের লোকসভা নির্বাচনে সবচেয়ে চর্চিত কেন্দ্রগুলির তালিকায় উপরের দিকে রয়েছে যাদবপুর৷ যেখানে ইতিমধ্যে অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীকে প্রার্থী করেছে ঘাসফুল শিবির৷ জনপ্রিয় এই নতুন মুখের উপর ভর করেই এবারও যাদবপুর দখলে রাখতে চেয়েছেন তৃণমূল নেত্রী৷ সূত্রের খবর, এই আসনে এবার তৃণমূলকে কড়া টক্কর দিতে চাইছে বিজেপি৷ সেকারণে এক অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে আরও এক অভিনেত্রীকে এই আসনে প্রার্থী করতে চাইছে গেরুয়া শিবির৷ চর্চায় রয়েছে রাজ্যসভার সাংসদ রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম৷ যাদবপুরের মতোই এবারের আরও একটি চর্চিত কেন্দ্র হল বসিরহাট৷ সূত্রের খবর, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই কেন্দ্রে কোনও সংখ্যালঘু মুখকেই প্রার্থী করতে পারে বিজেপি৷ যদি তা না হয়, সেক্ষেত্রে হিন্দু ভোট ব্যাংককে কাছে টানার জন্য প্রার্থী করা হতে পারে সেখানকারই প্রাক্তন বিধায়ক শমীক ভট্টাচার্যকে৷ এরপরেই চর্চায় রয়েছে অনুব্রতর গড় বীরভূমের নাম৷ ওই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে অভিনেত্রী শতাব্দী রায়কে৷ সূত্রের খবর, ওখানেও অভিনেত্রী বনাম অভিনেত্রী লড়াই দেখা যেতে পারে৷ কারণ, গেরুয়া শিবিরের একটা বড় অংশ ওই কেন্দ্র থেকে অভিনেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী করতে চাইছে৷ তবে অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, বীরভূম থেকে প্রার্থী হতে চাইছেন না খোদ লকেট৷ অন্য কোনও আসনে লড়তে চাইছেন তিনি৷ বোলপুরে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হচ্ছেন তৃণমূল ছেড়ে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া অনুপম হাজরাই৷ রাজনৈতিক মহলের নজরে রয়েছে নদিয়ার কৃষ্ণনগর আসনটিও৷ যেখানে করিমপুরের বিধায়ক তথা লড়াকু নেত্রী মহুয়া মৈত্রকে প্রার্থী করেছে শাসকদল৷ গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, এই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হতে পারেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়৷ একান্তই যদি তিনি বয়সের কারণে সরে দাঁড়ান, তবে ওই কেন্দ্র বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী জয়প্রকাশ মজুমদার৷

[ঐতিহাসিক ১৪ মার্চে শ্রদ্ধা জানিয়ে নন্দীগ্রাম থেকে প্রচার শুরু তৃণমূলের]

ঠাকুরবাড়ির সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই সুসম্পর্ক বজায় রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এতদিন ধরে মতুয়া ভোট ব্যাংকে একচ্ছত্র রাজত্ব ছিল তৃণমূলের৷ এবার সেদিকে নজর পড়েছে বিজেপির৷ ঠাকুরনগরে জনসভা করে গিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ এবারও বনগাঁ থেকে মমতাবালা ঠাকুরকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল৷ বিজেপির একটা সূত্র বলছে, তাঁর প্রতিপক্ষ হিসাবে ভাবা হচ্ছে ঠাকুরবাড়িরই আরও এক সদস্য শান্তনু ঠাকুরকে৷ এবং অন্য একটা অংশ বলছে, প্রার্থী করা হতে পারে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া বাগদার বিধায়ক দুলাল বরকে৷ একই ভাবে মালদা উত্তরে বিজেপির প্রার্থী নিয়েও জল্পনা রয়েছে৷ ওই কেন্দ্রে তৃণমূলের তরফে প্রার্থী করা হয়েছে, কংগ্রেস ত্যাগী মৌসম নূরকে৷ সূত্রের খবর, বিজেপির তরফে ওই কেন্দ্রে প্রার্থী করা হতে পারে, সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া হবিবপুরের বিধায়ক তথা আদিবাসী নেতা খগেন মুর্মুকে৷ ঘাটালে এবারও তৃণমূল প্রার্থী করেছে অভিনেতা দীপক অধিকারীকে (দেব)৷ জানা গিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি ময়দানে নামাতে পারে শাসক ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন আইপিএস ভারতী ঘোষকে৷ একই ভাবে মেদিনীপুরে মানস ভুঁইয়ার মতো হেভিওয়েট প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হতে পারেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷

[জঙ্গলে বিপদ, কুকুরের আক্রমণে প্রাণ গেল তিনটি চিতল হরিণের]

কোচবিহারের বর্তমান সাংসদ পার্থপ্রতিম রায়কে এবার টিকিট দেননি নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ সূত্রের খবর, কয়েকদিনের মধ্যেই গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে পারেন তিনি৷ এবং বিজেপির টিকিটে লড়াতে পারেন এবারের লোকসভায়৷ যদি তেমনটা না হয় তবে ওই কেন্দ্র বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারেন তৃণমূল ত্যাগী আরও এক লড়াকু নেতা নীশিথ প্রামাণিক৷ জঙ্গল মহলের বাঁকুড়া কেন্দ্রেটিকে দীর্ঘদিন ধরেই টার্গেট করেছে বিজেপি৷ তৃণমূল এই কেন্দ্রের প্রার্থী করেছেন দুঁদে রাজনীতিক সুব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷ সূত্রের খবর, তৃণমূলকে টক্কর দিতে ওই কেন্দ্রে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হতে পারেন রাজ্য বিজেপি নেতা ডাক্তার সুভাষ সরকার৷ একই ভাবে জঙ্গল মহলেরও আরও একটি আসন পুরুলিয়াতে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারেন নরহরি মাহাতো৷ বিজেপি সূত্রে খবর, সম্ভবত দার্জিলিং ও আসানসোলে প্রার্থী বদল করা হচ্ছে না৷ ফলে এই দুই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন বর্তমান সাংসদ যথাক্রমে এসএস আলুওয়ালিয়া ও বাবুল সুপ্রিয়৷ এছাড়াও বিজেপির টার্গেটে রয়েছে আরও বেশ কয়েকটি কেন্দ্র, জয়ের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে গেরুয়া শিবিরের৷ কেন্দ্রগুলি হল, দমদম, উলুবেড়িয়া, হাওড়া সদর, দক্ষিণ কলকাতা, আলিপুরদুয়ার, বারাসত ও বালুরঘাট৷ গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর দমদমে দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হতে পারেন শমীক ভট্টাচার্য অথবা সৌরভ শিকদার৷ একই ভাবে উলুবেড়িয়া থেকে বিজেপির প্রার্থী হতে পারেন ইসরত জাহান, হাওড়া সদর থেকে অভিনেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়, দক্ষিণ কলকাতা থেকে চন্দ্র বসু, আলিপুরদুয়ার থেকে বিধায়ক মনোজ টিগ্গা, বারাসত থেকে দলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এবং বালুরঘাট থেকে আরও এক সাধারণ সম্পাদিকা দেবশ্রী চৌধুরি অথবা গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্য৷

[মহিলাকে ধর্ষণ করে খুন! ঘর থেকে উদ্ধার অর্ধনগ্ন দেহ]

তবে এই সমস্তটাই প্রাথমিক সূত্র বলে মত বিজেপি শিবিরের৷ কারণ, ইতিমধ্যে গেরুয়া শিবিরের হাইকমান্ডের কাছে জমা পড়েছে দলীয় সমীক্ষা রিপোর্ট৷ এছাড়া আরএসএস-ও নিজস্ব রিপোর্ট জমা করেছে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের কাছ৷ সূত্রের খবর, সমস্ত দিক বিচার বিবেচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন মোদি-শাহরা৷ যার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছু দিন৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.