Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৬ জুন ২০২৬
SIR

SIR-এ নাম বাদ গেলে CAA আছে! বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারের পোস্ট ঘিরে বিতর্ক

বাংলায় ইতিমধ্যে এসআইআর লাগু করেছে নির্বাচন কমিশন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২৫, ০০:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২, ২০২৫, ০০:২০

options
link
SIR-এ নাম বাদ গেলে CAA আছে! বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারের পোস্ট ঘিরে বিতর্ক zoom

সুবীর দাস, কল্যাণী: বাংলায় ইতিমধ্যে এসআইআর অর্থাৎ বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া লাগু করেছে নির্বাচন কমিশন। যা নিয়ে বাংলা জুড়ে আতঙ্ক এবং উদ্বেগের ছবি। বিশেষ করে মতুয়া গড়ে এর প্রভাব অনেক বেশি। এর মধ্যেই সমাজমাধ্যমে বিতর্কিত পোস্ট হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারের।

সমাজমাধ্যমে বিজেপি বিধায়কের দাবি, ”SIR-এ নাম কেটে দিলেও এইটুকু বলতে পারি সিএএ তে আবেদন করলে আপনি নাগরিকত্ব পাবেন এবং ভোটার লিস্টে নাম উঠবেই”। আর এহেন পোস্ট ঘিরে যাবতীয় বিতর্ক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

যদিও এই পোস্ট নিয়ে বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকার বলেন, ইলেকশন কমিশনের যে আইন কার্যকর রয়েছে, তাতে হিন্দু-মুসলমান বিভাজনের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। আইনের মধ্যে যাঁদের নাম থাকার কথা তা থাকবে, যাঁদের নাম বাদ পড়ার তাঁরা বাদ পড়বে।” তাঁর বক্তব্য, “১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগে জন্মগ্রহণ করা এবং ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম থাকা নাগরিকদের ক্ষেত্রে কোনও জটিলতা নেই। আবার ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের পরে এবং ২০০৪ সালের ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত জন্ম নেওয়া নাগরিকদের জন্য শর্ত হল, তাদের বাবা-মায়ের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় থাকতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, এই আইন হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সবার জন্য প্রযোজ্য। তবে সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (সিএএ)-এর ৬ (বি) ধারায় উল্লেখ রয়েছে, কেউ যদি এই আইনের আওতায় ফর্ম পূরণ করেন, তাহলে রিসিট পাওয়ার আগে পর্যন্ত তাঁর সমস্ত নাগরিক সুযোগ-সুবিধা অক্ষুণ্ণ থাকবে। অর্থাৎ, উদ্বাস্তুদের কোনও নাগরিক অধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না। অসীম সরকার স্পষ্ট করে জানান, তিনি কেবলমাত্র উদ্বাস্তুদের কথা বলেছেন, যারা ভারত ভাগের পর শরণার্থী হিসেবে এসেছেন এবং ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারতে অবস্থান করছেন।

তাঁর দাবি, স্থানীয় হিন্দু বা মুসলমান- কারও নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার ক্ষমতা কারও নেই। তিনি বলেন, “আমি শুধু ভারত ভাগের বলি উদ্বাস্তুদের কথা বলেছি। কোনও সম্প্রদায়ের নাম টেনে কিছু বলিনি।” তবে তাঁর এই মন্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

বিজেপি বিধায়কের এই বিতর্কিত পোস্ট প্রসঙ্গে অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের গোসাই পরিষদের সম্পাদক রঞ্জিত বাইন বলেন, ”এও কি সম্ভব? যার নাম এসআই আর এ বাদ পড়বে, সে আবার নাকি সিএএতে নাগরিকত্ব পাবেন? পুনরায় ভোটার তালিকায় তার নাম তুলে দেওয়ার দায়িত্ব নিচ্ছেন বিধায়ক? যতসব ভাঁওতাবাজি”।

রঞ্জিত ঘোষের কথায়, ”উনি তো একটি রাজনৈতিক দলের জনপ্রতিনিধি বিধায়ক হয়েছেন। তিনি তো নির্বাচন কমিশনারের কোন আধিকারিক নয়, তাহলে এ কথা তিনি কী করে বলছেন? আসলে বিজেপি দলটাই একটা ভাউতাবাজের দল। বিভ্রান্তি ছড়ানো তাদের কাজ। মানুষকে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভুল পথে পরিচালনা করা তাদের দলের বিধায়ক সাংসদ এবং নেতাদের অভ্যেস। যা ইতিমধ্যে আমরা মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষেরা এবং সাধারণ মানুষ বুঝতে পেরেছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.